Kidney Stone : কিডনিতে স্টোন! ভয় পাবে না, রোগ সারবে ঘরোয়া উপকরনেই

119

মহানগর ডেস্ক : শরীরের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একটি অঙ্গ হল কিডনি বা বৃক্ক। তার শরীরকে সচল রাখতে হার্টের পাশাপাশি যত্ন নিতে হবে কিডনিরও। তবে বর্তমানে একটি অসুখ বেশ মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে। তাহলো কিডনিতে স্টোন(Kidney Stone)। অবশ্য তার জন্য দায়ী আমাদের অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাত্রা ,অত্যধিক বাইরের খাওয়া-দাওয়া, পর্যাপ্ত পরিমান জল না খাওয়া।

আরও পড়ুন, শ্যামাপ্রসাদের জন্মবার্ষিকীতেও বিধানসভায় এলেন না বিজেপি বিধায়করা, ক্ষোভ প্রকাশ স্পিকারের

তবে এখন প্রশ্ন উঠতে পারে কিডনিতে পাথর কেন হয়?

কিডনি আমাদের শরীর থেকে বর্জ্য এবং দূষিত পদার্থ অপসারণ করতে রক্তকে ফিল্টার করে।তেমন অতিরিক্ত তরল, এবং পর্যাপ্ত পরিমাণে ইলেক্ট্রোলাইট বজায় রাখে। একটি কিডনির পাথর হল কঠিন, স্ফটিক খনিজ পদার্থ যা মূল মূত্রনালীর বা কিডনির মধ্যে বিকাশ লাভ করে৷ এছাড়া প্রস্রাবেও তরল বা রাসায়নিকের অভাব থাকলে ক্রিস্টালকে একে অপরের সঙ্গে লেগে থাকে। এভাবেও সৃষ্টি হতে পারে কিডনিতে পাথর। পাথরের সাধারণ ধরন হল ক্যালসিয়াম অক্সালেট।কিডনি স্টোন খুব বেশি অক্সালেট এবং প্রস্রাবে খুব কম তরলের অবস্থানের কারণে সৃষ্টি হয়। তবে ভয় পাওয়ার কিছু নেই। কিডনিতে স্টোনের অর্থ যে সব সময় অস্ত্রোপচার এমনটা নয়। বরং ঘরোয়া উপকরনে ও সারতে পারে কিডনির পাথর। কী ভাবে! দেখে নিন এক নজরে…

১) লেবুর জল : সাইট্রিক এসিড জাতীয় ফল বিশেষ করে লেবু কিডনি স্টোনের জন্য যথেষ্ট উপকারী। দিনে অন্তত চারবার লেবু জল খেলে এই সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যাবে দ্রুত।

২) জল : কিডনির অসুখের প্রথম এবং প্রধান ঔষধ হলো জল। যত বেশি পরিমান জল খেতে পারবেন দ্রুত হারাতে পারবেন কিডনির পাথরকে । তবে কেবলমাত্র কিডনি নয়, জল একাধিক রোগের উপশম। জল খাওয়ার ফলে রক্তে যেমন অক্সিজেন প্রবাহ দ্রুত হয়, ঠিক তেমনই কিডনি হয় স্বচ্ছ। এছাড়া ত্বক কিংবা চুলের জন্যও জল অত্যন্ত উপকারী।

৩) বেদানার জুস : কিডনিতে পাথর এর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ওষুধ হল বেদানার জুস। এটি প্রস্রাবে যেমন অম্ল ভাব কমিয়ে দেয়। তেমনি কিডনিতে ক্যালসিয়াম অক্সালেট তৈরি হতে বাধা দেয়। এছাড়া পাথর হলেও সেটিকে সমূলে বিনাশ করে।

৪) রাজমা : কিডনি বীন বা রাজমাতে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে। এছাড়া প্রোটিনের আধার রাজমা। প্রত্যেকদিন নিয়ম মেনে যদি রাজমা খাওয়া যায় তাহলে কিডনির পাথর সমূলে বিনাশ হয়। এছাড়া রাজমা একটি সহজপাচ্য খাবার। যা সহজে হজম হয়। কিডনির উপর কোনরকম চাপ পড়ে না।

৫) গ্রিন টি : যখন সবুজ চায়ের কিডনিতে থাকো ক্যালসিয়াম অক্সালেটের সঙ্গে মেশে তখন ক্রিস্টালাইনের ফলে কিডনিতে থাকা পাথরে ক্রিস্টালাইজ হয় না। ছোট ছোট পাথরগুলি সহজেই প্রস্রাব দিয়ে বেরিয়ে যায়। তাই নিয়মিত গ্রিন টি পান করলে দীর্ঘ সময়ের জন্য কিডনির স্বাস্থ্যের জন্য উপকার হয়।