বাংলাদেশের সংখ্যালঘু হিন্দুদের পাশে এবার সিপিআইএম, ঘটনার প্রতিবাদে বিবৃতি প্রকাশ বামেদের

21
বাংলাদেশের সংখ্যালঘু হিন্দুদের পাশে এবার সিপিআইএম, ঘটনার প্রতিবাদে বিবৃতি প্রকাশ বামেদের

মহানগর ডেস্ক: শারদীয়ার আবহে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বানচাল হয়েছে ওপার বাংলায়। কুমিল্লার নানুয়ারদিঘী এলাকার একটি পুজো মণ্ডপে প্রতিমার হাঁটুর কাছে রাখা ছিল মুসলমানদের ধর্মগ্রন্থ কোরান শরিফ। এই খবর চাউর হতেই ব্যবস্থা নেয় পুলিশ। সরিয়ে দেওয়া হয় ধর্মগ্রন্থটি। তবে সামাজিক মাধ্যমের সৌজন্যে দ্রুত খবরটি ছড়িয়ে পড়ে। শুরু হয় তীব্র প্রতিবাদ। সাম্প্রদায়িক বিষোদগার চলে সোশ্যাল মিডিয়ায়। তারপরেই বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে শুরু হয় দুর্গা মণ্ডপের উপর আক্রমণ। ভেঙে দেওয়া হয় মা দুর্গার মূর্তি এবং পুজো প্যান্ডেলগুলি। সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতি বজায় রাখতে অনুরোধ করা হয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে।

এই ঘটনার পর বাংলাদেশের সংখ্যালঘু হিন্দুদের সমর্থনে এগিয়ে এসেছে অনেকেই। সোশ্যাল মিডিয়ায় এই ঘটনার বিরুদ্ধে বহু নেটিজেনরাই পোস্ট করেছেন এবং বাংলাদেশের হিন্দুদের পাশে দাঁড়ানোর বার্তাও দিয়েছেন। পাশাপাশি পশ্চিমবঙ্গের বাম নেতা নেত্রীরাও এই ঘটনার তীব্র নিন্দা করেছেন।

বঙ্গ সিপিআইএম নেতা সুজন চক্রবর্তী বলেছেন, ‘ দুই সম্প্রদায়ের মধ্যে সম্প্রীতি বিনষ্ট করার জন্যই এই ঘৃণ্য কাজটি করা হয়েছে। এর পশ্চাতে বড়সড় ষড়যন্ত্র রয়েছে।’ তবে শুধু তিনিই নন, বাম নেতা সূর্যকান্ত মিশ্র এবং বাম নেত্রী দীপ্সিতা ধরও বাংলাদেশের সংখ্যালঘু হিন্দুদের সমর্থনে এগিয়ে এসেছেন এবং এই ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন। এমনকি এই ঘটনার প্রতিবাদে বাংলাদেশ প্রশাসনকে কড়া পদক্ষেপ গ্রহণ করার দাবি জানিয়ে একটি বিবৃতিও প্রকাশ করা হয়েছে সিপিআইএম এর তরফ থেকে। শুধু পশ্চিমবঙ্গেই নয়, বাংলাদেশের বামপন্থী দলগুলি রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করছে। পুজো মন্ডপে হামলার ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল – বাসদের সাধারণ সম্পাদক কমরেড খালেকুজ্জামান।