করোনা সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে মহারাষ্ট্রে জারি নয়া নির্দেশিকা, হতে পারে দিল্লির মতো সম্পূর্ণ লকডাউন

10
news national

মহানগর ডেস্ক: দেশে করোনা পরিস্থিতি করোনা ভয়াবহ। করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে সব থেকে বেশি ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে মহারাষ্ট্র। মহারাষ্ট্র সরকার কখনও নাইট কারফিউ তো কখনও সপ্তাহান্তে লকডাউন ঘোষণা করছে। তাতেও করোনা সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে আনা যাচ্ছে না। করোনা সংক্রমণ ক্রমেই লাগাম ছাড়া হয়ে উঠছে মহারাষ্ট্র। মহারাষ্ট্রে গত ২৪ ঘণ্টায় ৫৮, ৯২৪ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। করোনায় মৃত্যু হয়েছে ৩৫১ জনের। এই পরিস্থিতি নতুন করে কঠোর করোনা বিধি লাঘু করল মহারাষ্ট্র সরকার।

করোনা সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে নয়া নির্দেশিকায় মহারাষ্ট্র সরকারের তরফে জানানো হয়েছে, মুদিখানা দোকান, সবজি দোকান ও ডেয়ারিগুলো সকাল সাতটা থেকে ১১টা পর্যন্ত খোলা থাকবে। হোম ডেলেভারি দোকানগুলো সকাল সাতটা থেকে রাত্রি আটটা পর্যন্ত খোলা থাকবে।  রাজ্যে বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর তরফে জানানো হয়েছে, হোম ডেলেভারি খাবারের ক্ষেত্রে সকাল সাতটা থেকে রাত্রি আটটা পর্যন্ত সময় দেওয়া হয়েছে। তবে স্থানীয় প্রশাসন সেই সময় পরিবর্তন করতে পারে। মহারাষ্ট্র প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, দেখা গিয়েছে, কারফিউয়ের সময় স্থানীয় বাসিন্দারা একাধিকবার বিভিন্ন কারণ দেখিয়ে বের হন। মানুষের বাইরে বের হওয়ার প্রবণতা কমানোর জন্য এই সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে। তবে এই সিদ্ধান্ত করোনা সংক্রমণের চেইন ভাঙতে সাহায্য করবে না। তবে মানুষ যত কম বাইরে বের হবেন, করোনা সংক্রমণের সম্ভাবনা কিছুটা কমবে।

মহারাষ্ট্রের মন্ত্রী বিজয় ওয়াদেটিওয়ার জানিয়েছে, দিল্লিতে টানা ছয়দিনের লকডাউন হয়েছে। এরফলাফল কী হয়, তা পর্যবেক্ষণ করা হবে। সেরকম হলে মহারাষ্ট্রেও টানা লকডাউনের ঘোষণা করা হতে পারে। দিল্লিতে কঠোর লকডাউনের মধ্যেও ট্রেন, মেট্রোর মতো পরিষেবা চালু রয়েছে। চালু রয়েছে জরুরি পরিষেবা। তবে দিল্লিতে এই লকডাউনের মধ্যে বাইরে বের হতে ইপাসের প্রয়োজন হচ্ছে।