ভারতের চাপ? পাকিস্তানে নানকানা সাহিবে হামলার ঘটনায় মূল অভিযুক্ত গ্রেফতার

5
bengali news on nankana

Highlights

  • নানকানা সাহিবে হামলার ঘটনায় মূল অভিযুক্ত গ্রেফতার
  • ইমরানের ওপর ভারতের চাপের জেরেই কি এই গ্রেফতারি?
  • ইমরান সরকারের সমালোচনায় সরব হয় নয়াদিল্লি

 

মহানগর ওয়েবডেস্ক: পাকিস্তানে নানকানা সাহিবে হামলার ঘটনায় ইমরান সরকারের সমালোচনায় সরব নয়াদিল্লি৷ এই ঘটনার পর কয়েক দিন কাটতে না কাটতেই মূল অভিযুক্তকে গ্রেফতার করল সেদেশের পুলিশ৷ সন্ত্রাস বিরোধী আইনে তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে৷ পাকিস্তানে অবস্থিত নানকানা সাহিব গুরুদ্বারে হামলা করা হয়৷ কয়েকশো মানুষ ওই গুরুদ্বারে হামলা চালিয়ে ঘোষণা করে, গুরুদ্বারকে মসজিদে পরিণত করা হবে৷ ঘটনায় উত্তাল গোটা দেশ৷ পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে৷

সংবাদমাধ্যমে খবর, অভিযুক্তের নাম ইমরান৷ রবিবার এই ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে৷ সন্ত্রাস বিরোধী আইনের ৭ নম্বর ধারায় তার বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে৷ এটি জামিন অযোগ্য ধারা৷ রবিবার এই নিয়ে অবশেষে মুখ খোলেন পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। নানকানা সাহিবের ঘটনার তীব্র নিন্দা করে ইমরান বলেন, এটা তাঁর সরকারের দৃষ্টিভঙ্গির পরিপন্থী। যারা কুৎসিত কাজের সঙ্গে যুক্ত তাদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাসও দেন ইমরান খান। তারপরেই মূল অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হল৷


ভারতের চাপের মুখেই কি ইমরান মূল অভিযুক্তকে গ্রেফতার করতে বাধ্য হল? এই প্রশ্ন ওঠা স্বাভাবিক৷ কারণ সেই ঘটনার পর পাকিস্তানকে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছে ভারত৷ মহম্মদ হাসান এবং জগজিৎ কাউর – যে তরুণ-তরুণীর বিয়ে ঘিরে এই বিবাদ, তাঁরা দু’জনেই এই এলাকার বাসিন্দা। মেয়েটির পরিবার নানকানা সাহিব গুরুদ্বারের সঙ্গে যুক্ত। তাঁদের অভিযোগ, জগজিৎ-কে অপহরণ করে নিয়ে গিয়েছেন হাসান। জোর করে ধর্মান্তর করিয়ে বিয়ে করেছে। উল্টোদিকে হাসানের পরিবারের দাবি, জগজিৎ স্বেচ্ছায় বিয়ে করে চলে এসেছেন। স্বেচ্ছায় ইসলাম গ্রহণ করেছেন তিনি।

বিবাদ তুঙ্গে ওঠে যখন মেয়েকে ফেরত চায় শিখ পরিবার। অভিযোগ, জগজিৎ-কে ফেরাতে রাজি না হওয়ায় হাসানকে বেধড়ক মারধর করে মেয়েটির পরিবার। খবর ছড়িয়ে পড়ার পর পাল্টা নানকানা সাহিব ঘিরে ফেলেন স্থানীয় মুসলিমরা। ভাইরাল হওয়া ছবিতে দেখা যাচ্ছে, সামনে থেকে এই ভিড়কে নেতৃত্ব দিচ্ছেন হাসানের দাদা। এলাকা থেকে সমস্ত শিখকে বের করে দেওয়ার হুমকিও দিতে শোনা যায় তাঁদের। এই ঘটনার জেরে এদেশে প্রবল প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়। ক্ষোভ প্রকাশ করেছে নয়াদিল্লিও।