Presidential Election: বিরোধী সুপারিশে রাষ্ট্রপতি দৌড়ে মমতার যশবন্ত, প্রত্যেকেই সমর্থন করেছে তো? জেনে নিন

129
Presidential Election: বিরোধী সুপারিশে রাষ্ট্রপতি দৌড়ে মমতার যশবন্ত, প্রত্যেকেই সমর্থন করেছে তো? জেনে নিন

মহানগর ডেস্ক: আগামী মাসেই রাষ্ট্রপতি নির্বাচন (Presidential Election)। তার আগে মঙ্গলবার বৈঠকে বসেছিল বিরোধী দলগুলি। ন্যাশনাল কংগ্রেস পার্টি প্রধান শরদ পাওয়ারের (Sharad Pawar) বাসভবনে বৈঠক হয়। সভায় উপস্থিত ছিল ১৫টি দল। বৈঠক শেষে কংগ্রেসের রাজ্যসভার সাংসদ জয়রাম রমেশ জানিয়েছেন, প্রাক্তন অর্থ ও বিদেশমন্ত্রী যশবন্ত সিনহা (Yashwant Sinha) ১৮ জুলাই অনুষ্ঠিত রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের জন্য বিরোধী দলগুলির পক্ষ থেকে প্রার্থী হবেন। সোমবার জাতীয়তাবাদী কংগ্রেস পার্টির প্রধান শরদ পাওয়ার এবং জম্মু ও কাশ্মীরের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ফারুক আবদুল্লাহর পরে, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বিরোধী প্রার্থী হিসাবে নিজের নাম প্রত্যাহার করেন গোপালকৃষ্ণ গান্ধী। এরপর তালিকায় ছিলেন ঘাসফুল শিবিরের সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি। অবশেষে বিরোধীদের পক্ষ থেকে প্রার্থীর নাম ঘোষণা করা হয়ে গিয়েছে।

এদিনের বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন কংগ্রেস, এনসিপি, তৃণমূল, ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি, কমিউনিস্ট পার্টি অফ ইন্ডিয়া মার্কসবাদী পার্টি, সমাজবাদী পার্টি, ন্যাশনাল কনফারেন্স, অল-ইন্ডিয়া-মজলিস-ই-ইত্তেহাদ-উল মুসলিমীন, রাষ্ট্রীয় জনতা দল এবং এআইইউডিএফের প্রতিনিধিরা। অন্যদিকে কংগ্রেসের মল্লিকার্জুন খার্গে এবং জয়রাম রমেশ, তৃণমূল কংগ্রেসের অভিষেক ব্যানার্জি, ডিএমকে থেকে তিরুচি শিবা, সিপিআইএম থেকে সীতারাম ইয়েচুরি এবং সিপিআই থেকে ডি রাজা উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন: ইউটিউবে কসরত দেখাতে দেখাতেই আচমকা মৃত্যু মার্শাল আর্ট বিশেষজ্ঞের

এদিকে আবার তেলেঙ্গানা রাষ্ট্র সমিতি, বিজু জনতা দল, আম আদমি পার্টি, শিরোমনি অকালি দল এবং ওয়াইএসআরসিপি উপস্থিত ছিল না বৈঠকে। এর আগে ১৫ জুন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডাক দেওয়া বৈঠকও এড়িয়ে গিয়েছিল এই দলগুলি। প্রসঙ্গে এনসিপি-র প্রধান বলেছেন যে, ‘টিআরএস, আম আদমি পার্টি এবং শিবসেনা বৈঠকে উপস্থিত হয়নি। তবে তিনটি দলই যশবন্ত সিনহাকে সমর্থন জানাবে। আগামী ২৭ জুন সকাল ১১ টায় রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের মনোনয়ন জমা দেওয়া হবে।

এই বিষয়ে কংগ্রেস সাংসদ মল্লিকার্জুন খার্গে বলেছেন, সমস্ত বিরোধীদল সম্মিলিতভাবে যশবন্ত সিনহাকে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সনিয়া গান্ধী বলেছেন, ‘আজকের যুগে বিরোধীদের ঐক্যবদ্ধ রাখা অপরিহার্য। আমাদের ঐক্য ভাঙা একেবারেই উচিত নয়’। অন্যদিকে বৈঠকের আগে একটি টুইট করেছিলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি। লেখেন, ”টিএমসিতে আমাকে যে সম্মান ও প্রতিপত্তি দেওয়া হয়েছে, তার জন্য আমি মমতাজির কাছে কৃতজ্ঞ। এখন বৃহত্তর জাতীয় স্বার্থ ও শক্তিশালী বিরোধী ঐক্যের লক্ষ্যে আমাকে দল থেকে সরে দাঁড়াতে হবে। আমি নিশ্চিত যে দলনেত্রী এতে সম্মতি দেবেন”। দীর্ঘদিন ধরে ঘাসফুল শিবিরের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন তিনি। তাঁর বিশ্বাস, তাঁর সিদ্ধান্তে খুশি হবেন তৃণমূল সুপ্রিমো। রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী হওয়ার আগে দল ছেড়েছেন যশবন্ত সিনহা।