রামনবমী উপলক্ষে JNU’র হোস্টেলে ঢোকানো যাবে না মাংস, ABVP’র বিরুদ্ধে মেস সেক্রেটারিকে মারধরের অভিযোগ

34

মহানগর ডেস্ক: দেশের বিভিন্ন প্রান্তে উদযাপিত হচ্ছে রামনবমী। আর তার মধ্যে বজরং দলের কর্মীরা হাজির অস্ত্র হাতে, ‘জয় শ্রী রাম’ স্লোগান দিয়ে। এদিন বজরং দলের কর্মীরা নামেন শোভাযাত্রায়। যাতে পা মিলিয়েছেন ভারতীয় জনতা পার্টির একাধিক নেতারাও। কিন্তু এই সমস্ত কিছুর মাঝে এক অদ্ভুত কাণ্ড ঘটে গেল জহরলাল নেহেরু বিশ্ববিদ্যালয়ে। রামনবমী উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ে মাংস নিয়ে ঢোকা নিষেধ। অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদের ছাত্র নেতাদের দাবি এমনটাই। এমনকি এর কারণে সেক্রেটারিকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে এবিভিপির বিরুদ্ধে।

এদিন অভিযোগ আসে যে, এই কারণে হোস্টেলে ঢুকে ভাঙচুর চালিয়েছে এবিভিপির ছাত্র নেতারা। দেশজুড়ে পালিত হচ্ছে রামনবমী। এরমধ্যে রবিবার সকলের খাবারের মেনুতে থাকে মাংস। তাই নিয়মমতই কাবেরী হোস্টেলে আনা হয়েছিল মাংস। আর তাতেই বেধে যায় হুলুস্থুল কাণ্ড। হোস্টেলের নিয়ম মেনে মাংস দিতে আশায়, তাকে বাধা দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। আর সেই অভিযোগ আসে এবিভিপির বিরুদ্ধে।

কেন হোস্টেলে মাংস ঢুকছে রামনবমীর দিনে? এই প্রশ্নে এবিভিপি নেতা-নেত্রীরা মারধর করে সেক্রেটারিকে। এমনকি হোস্টেলে ঢুকে চলে তান্ডব। এমনই অভিযোগ এসেছে ছাত্র সংসদের নেত্রীর পক্ষ থেকে। এদিনের এই ঘটনার বিপরীতে টুইটারে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন ছাত্র সংসদের নেত্রী ঐশী ঘোষ। তিনি লেখেন, “আমরা কি খাবো আর কি খাব না তা বলে দেওয়ার জন্য এই এবিভিপির গুন্ডারা কে?”

প্রশ্ন উঠেছে জেএনইউ কর্তৃপক্ষের দিকেও। বলা হয় “সমস্তকিছু জেনেও কতৃপক্ষ পড়ুয়াদের অধিকার নিশ্চিত করতে এই ঘটনায় কেন কোনও হস্তক্ষেপ করল না?” এদিন এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে JNU’র পরিবেশ উত্তাল হয়ে ওঠে।