জেএনইউ হিংসায় ঐশীই দায়ী, মুম্বইয়ে বিক্ষোভ থেকে দাবি এবিভিপির

7
mumbai, abvp, protest, jnu violence

Highlights

  • এবিভিপি ছাত্র-ছাত্রীদের বিক্ষোভ প্রদর্শন মুম্বইয়ে
  • জেএনইউ-তে হিংসার ঘটনার প্রতিবাদে বিক্ষোভ
  • বাম ছাত্র সংগঠনের বিরুদ্ধে অভিযোগ এবিভিপির

মহানগর ওয়েবডেস্ক: দিল্লির জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ে গুন্ডাগিরির প্রতিবাদে দেশজুড়ে বিক্ষোভ আন্দোলেনর ঝড়। বিভিন্ন জায়গায় বিক্ষোভ প্রতিবাদে সামিল ছাত্র-ছাত্রীরা। অভিযোগের তির এবিভিপির দিকে। এবার এই ঘটনায় সম্পূর্ণ দায় ঝেড়ে পথে নামল এই গৈরিক ছাত্র সংগঠন। শুধু পথে নামাই নয়, এবিভিপি এই হিংসার দায় চাপাল জেএনইউ-র বামপন্থী ছাত্র সংগঠনের বিরুদ্ধেই। সেন্ট্রাল মুম্বইয়ের মাটুঙ্গায় রুইয়া কলেজের সামনে একত্রিত হয় এবিভিপির সদস্যরা।

সোমবার বিশ্ববিদ্যালয় ক্যম্পাসে জেএনইউ ছাত্র সংসদের সভানেত্রী ঐশী ঘোষ অভিযোগ করেন, এই বর্বরোচিত হামলায় পেছনে রয়েছে এবিভিপি-আরএসএস। এর জেরে পড়ুয়ারা তো ঘাবড়ে যাবেই না বরং পেশী শক্তির বিরুদ্ধে সুর আরও চড়াবে। এদিন ঐশীর বক্তব্যে ক্যাম্পাস জুড়ে আন্দোলনের সুর আরও তীব্র হয় উপস্থিত ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে। পুরো ঐশীর দাবি পুরো ঘটনার দায় আরএসএস-এবিভিপির। এর বিরুদ্ধে আরও জোরদার আন্দোলনে নামবে পড়ুয়ারা। পরিষ্কার বার্তা দেন বাংলার মেয়ে দিল্লির ছাত্রনেত্রী ঐশী।

সোশ্যাল মিডিয়ায় যেসব ছবি প্রকাশ্যে এসেছে তাতে দেখা যাচ্ছে রক্তাক্ত হয়ে পড়েছেন ঐশী ঘোষ। অভিযোগ এবিভিপি সদস্যরা লোহার রড, হাতুড়ি, ধারালো অস্ত্র নিয়ে ক্যাম্পাসের মদ্যে প্রবেশ করে। এরপর অতর্কিতে হামলা চালাতে থাকে পড়ুয়াদের ওপর। ভাঙচুর করা হয় সাবরমতী হস্টেল। যদিও এই ঘটনায় দায় ঝেড়ে ফেলেছে এবিভিপি। তাদের দাবি পুরো ঘটনার জন্য দায়ী জেএনইউ-র ছাত্র সংগঠনই।

এদিকে পুরো ঘটনার জন্য ঐশীকেই কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছে এবিভিপি। জমায়েত থেকেই দাবি করা হয়, যে প্রকাশ্যে ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে জেএনইউ-এর ছাত্রনেত্রী ঐশীই  মুখ ঢেকে ক্যাম্পাসে প্রবেশ করে। এবং এই হামলার নেতৃত্ব দেন ঐশীই। এবিভিপর ২৩ জন সদস্য গুরুতর জখম এবং ১১ জন এখনও নিখোঁজ। আমাদের সদস্যরা কোথায়? প্রশ্ন তোলেন অনিকেত।

সোমবার দুপুরে মুম্বইয়ের বিভিন্ন কলেজের পড়ুয়ারা রুইয়া কলেজের সামনে একত্রিত হয়। জেএনইউ-র হিংসার প্রতিবাদ জানিযে বিক্ষোভ প্রদর্শন করে। দাবি করা হয় বাম  ছাত্রসংগঠনই এই হামলার নেপথ্যে ছিল। প্রায় ৫০ জন পড়ুয়া রুইয়া কলেজের গেটের সামনে ট্রাফিক আইল্যান্ডে সংলগ্ন এলাকায় জমায়েত করে। বামপন্থী চাত্র সংগঠগুলির বিরুদ্ধে স্লোগান তুলতে থাকে তারা। একইসঙ্গে সাভারকরের সমর্থনেও গলায় ফাটায় পড়ুয়ারা। এবিভিপির সাধারণ সম্পাদক অনিকেত ওভহালও উপস্থিত ছিলেন সেখানে।

এদিনের এই মিছিল থেকেই দিল্লির পুলিশের সমর্থনে আরও স্লোগান ওঠে। দিল্লি পুলিশ লাঠি চালাও হাম তুমহারে সাফ হ্যাঁয়, বামপন্থীও পে লাঠি চালাও হাম তুমহারে সাথ হ্যাঁয়। আজ এভাবেই বাম ছাত্র সংগঠন ও বামপন্থী রাজনৈতিক দলগুলির বিরুদ্ধে সোচ্চার হয় এবিভিপি।