রূপচর্চার সঙ্গী মুসুর ডাল। একেবারে ঘরোয়া পদ্ধতিতে সেজে উঠুন সুন্দরী

13

মহানগর ডেস্ক:  হিন্দীতে একটা প্রবাদ আছে “প্যাহলে দর্শনধারী, বাত মে গুণবিচারী”  মানুষ তো সৌন্দর্যের পূজারী  তাই আগে যেটা দেখে সেটা হল সৌন্দর্য। বাড়িতে থাকুন কিংবা বাইরে সারাদিন ধরে মুখে  ময়লা জমে তা তো পরিস্কার করতে হয় আমরা বাজার চলতি কত কিছুই না কিনে মুখে লাগাই। কিন্তু আজ ঘরোয়া পদ্ধতিতে মুসুর ডালের উপকারিতা সম্পর্কে জানবো-

মুসুর ডালে থাকে প্রোটিন, কার্বোহাইড্রেট, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ডায়াটারি ফাইবার, ভিটামিন এ, সি, ই,কে, থায়ামিন, ওমেগা থ্রি, ফ্রাটি অ্যাসিড। 

মুসুর ডালে থাকা এই উপাদান গুলি ত্বকের সৌন্দর্য রক্ষা করে। এবং মুখের থেকে ক্ষতিকর পদার্থ বের করে ত্বক কে ঊজ্জ্বল করে তোলে। 

ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করে- ৫০ গ্রাম মুসুর ডাল রাতে ভিজিয়ে রেখে সকালে সেটা বেটে তার সঙ্গে কাঁচা দুধ ও অল্প বাদম তেল মিশিয়ে ১৫-২০ মিনিট মুখে লাগিয়ে উষ্ণ গরম জলে মুখ ধুয়ে ফেলুন। দেখবেন মুখ  ঝকঝকে হয়ে গেছে।

মৃত কোষ দূর করে- এই ফেস প্যাক টি মুখে লাগানো র পর দেখবেন মুখের মৃত কোষ দূর হয়ে গেছে, ত্বকের চিক্কনতা  ফিরে আসবে। অনেক প্রানবন্ত লাগবে নিজেকে। হারিয়ে যাওয়া সৌন্দর্য ফিরে আসবে।

ত্বকের আদ্রতা বজায় রাখে-১ চা চামচ মুসুর ডালের সঙ্গে ১ চা চামচ মধু মিশিয়ে মুখে ১৫ মিনিট রেখে উষ্ণ জলে ধুয়ে নিন। মুসুর ডালের পেস্ট ত্বকের ব্রণ, ফুসকুড়ি দূর করে। ত্বক আদ্র রাখতে সাহায্য করে। চোখের নিচের কালো দাগ দূর করে।

সুন্দর ত্বকের জন্য- মুসুর ডালের সঙ্গে বেসন ও দই মাখতে পারেন, তাহলে ভালো ফল পাবেন।

মুখের লোম দূর করতে- মুসুর ডালের সঙ্গে আমন্ড অয়েল মিশিয়ে মুখে লাগানোর পর চক্রাকারে ম্যাসাজ করতে হবে।

ফেসওয়াশ হিসেবে ব্যবহার- সারাদিন ধরে যে ময়লা জমে মুখে তা দূর করতে মুসুর ডালের

পেস্ট লাগাতে পারেন। এর সঙ্গে অল্প নারকোল তেল, কাঁচা দুধ, ও হলুদ গুঁড়ো নিয়ে একসঙ্গে মিশিয়ে মুখে লাগাতে হবে। কিছু পর উষ্ণ গরম জলে মুখ ধুয়ে ফেলুন। 

আমরা বাজার থেকে অনেক রকমের ফেসওয়াশ কিনে ব্যবহার করি, অনেক খুব ভালো ফল পাই, আবার অনেক সময় ত্বকের ক্ষতি করে ফেলি অজান্তেই। কারণ কোন ত্বকের জন্য কি ভালো তা তো আমরা সবাই জানি না, তাই ঘরোয়া ভাবে তৈরি করে ব্যবহার করলে ক্ষতির আশঙ্কা কম থাকে।