খাদানে ঝাঁপ দেওয়া যুবতীর দেহ উদ্ধারে ব্যর্থ NDRF টিমও

18
kolkata news

Highlights

  • খাদানে ঝাঁপ দিয়ে আত্মঘাতী যুবতী সুস্মিতা গোপের দেহ উদ্ধার নিয়ে আশঙ্কাই থেকে গেল
  • NDRF-এর দলও কার্যত ব্যর্থ হল দেহ উদ্ধার করতে
  • শুক্রবার নিতুড়িয়া থানার রানিপুর এলাকায় একটি পরিত্যক্ত খাদানে ঝাঁপ দিয়ে আত্মঘাতী হন স্থানীয় যুবতী সুস্মিতা গোপ


নিজস্ব প্রতিনিধি, পুরুলিয়া:
শেষ পর্যন্ত পুরুলিয়ার নিতুড়িয়ার রানিপুরে খাদানে ঝাঁপ দিয়ে আত্মঘাতী যুবতী সুস্মিতা গোপের দেহ উদ্ধার নিয়ে আশঙ্কাই থেকে গেল। NDRF-এর দলও কার্যত ব্যর্থ হল দেহ উদ্ধার করতে। শুক্রবার নিতুড়িয়া থানার রানিপুর এলাকায় একটি পরিত্যক্ত খাদানে ঝাঁপ দিয়ে আত্মঘাতী হন স্থানীয় যুবতী সুস্মিতা গোপ। তাঁর বিয়ের জন্য টাকা জোগাড় করতে বাবা অসমর্থ হচ্ছিলেন। আর তাই সেই গ্লানি থেকেই ওই যুবতী পরিত্যক্ত খাদানে ঝাঁপ দেন।

ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী এক খনিকর্মী গোটা ঘটনার কথা এলাকাবাসীদের জানান। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় ইসিএলের মাইনস রেসকিউ টিম। তারা ব্যর্থ হয়ে ফিরে যায়। এরপর বিপর্যয় মোকাবিলা দফতর ওই যুবতীর দেহ তুলতে পারেনি। প্রায় ৭০০ ফুট গভীর ওই পরিত্যক্ত খাদানটি। যাতে জল ভর্তি হয়ে আছে।

শনিবার সন্ধ্যায় NDRF-এর দল আসে উদ্ধারকাজ চালাতে। NDRF-এর সেকেন্ড ব্যাটেলিয়ান-এর ইন্সপেক্টর চিন্ময় কার্তিকেয়নের নেতৃত্ব ২০ জনের দল শুরু করে উদ্ধার কাজ। গতকাল রাতে তেমন সুবিধে করা যায়নি। আজ সকাল থেকে খাদানের জমে থাকা জলে বিশেষ পদ্ধতির মাধ্যমে আলোড়ন করা হয়। যদি দেহ পুরনো জলের আবর্জনায় কোথাও ফেঁসে থাকে এই ভেবে। কিন্তু দেহ ভেসে ওঠেনি। শেষে ডুবুরি নামানো হয়। কিন্তু জলের গভীরে নামতেই খনির গ্যাসে অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। কার্যত একপ্রকার হাত তুলে নেয় NDRF। ইন্সপেক্টর চিন্ময় কার্তিকেয়ন জানিয়েছেন, এই গভীর খনিতে নামা সম্ভব নয়। তিনি ওই যুবতীর পিতাকেও স্বান্ত্বনা দেন। কিন্তু উপায় কিছু নেই। এখন দেহ যদি ভেসে ওঠে সেদিকেই তাকিয়ে পরিবার ও রানিপুরের বাসিন্দারা।