Dutch MP: ‘উদয়পুর হিংসার জন্য ক্ষমা চাইবেন না নূপুর শর্মা’, সুপ্রিম কোর্টের মন্তব্যে প্রতিক্রিয়া ডাচ MP-র

107
Dutch MP: 'উদয়পুর হিংসার জন্য ক্ষমা চাইবেন না নূপুর শর্মা', সুপ্রিম কোর্টের মন্তব্যে প্রতিক্রিয়া ডাচ MP-র

মহানগর ডেস্ক: নবীর বিয়ে নিয়ে নূপুর শর্মার (Nupur Sharma) মন্তব্যের তীব্র ভর্ৎসনা করেছে সুপ্রিম কোর্ট (Supreme court)। প্রসঙ্গে বিরোধী দলের নেতৃত্বরা আওয়াজ তুললেও, মুখে কুলুপ এঁটেছে কেন্দ্রের শাসক দল। তবে এর আঁচ পৌঁছেছে আন্তর্জাতিক মহলেও। এহেন পরিস্থিতিতে ডানপন্থী রাজনীতিবিদ এবং নেদারল্যান্ডের এমপি গির্ট ওয়াইল্ডার্স (Dutch MP Geert Wilder) সমর্থন করেছেন বিজেপির বহিষ্কৃত নেত্রীকে। শীর্ষ আদালতের মন্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় তিনি বলেন, কানহাইয়া লাল হত্যার জন্য দায়ী নয় নূপুর শর্মা এবং কোন অবস্থাতেই তাঁর ক্ষমা চাওয়ার প্রয়োজন নেই।

উল্লেখ্য, দেশে যে হিংসাত্মক পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে তার জন্য বিজেপির প্রাক্তন নেত্রীকেই দায়ী করেছে সুপ্রিম কোর্ট। আদালতের বক্তব্য, উদয়পুরে হিন্দু দরজির হত্যা সহ যা ঘটনা দেশজুড়ে ঘটে চলেছে তার জন্য এককভাবে দায়ী মিসেস শর্মা। প্রসঙ্গে ওয়াইল্ডার্স বলেছেন, ‘ভারতে কোনও শরিয়া আদালত নেই। হজরত মহম্মদ সম্পর্কে সত্য কথা বলার জন্য কখনোই ক্ষমা চাওয়া উচিত নয় তাঁর। উদয়পুর সহিংসতার জন্য তিনি দায়ী নন। কট্টরপন্থী অসহিষ্ণু মুসলমানরা দায়ী ঘটনার পেছনে’। পয়গম্বর বিতর্কে প্রথম থেকেই মিসেস শর্মাকে সমর্থন জানিয়েছেন ডাচ এমপি।

আরও পড়ুন: উপলক্ষ ছেলেদের বিয়ে, অন্তর্বর্তীকালীন জামিনে ছাড়া পেলেন ছত্রধর মাহাতো

তাঁর বক্তব্য, ‘এটা খুবই হাস্যকর যে ভারতীয় নেত্রী নবীর বিষয়ে সত্য বলার কারণে আরব ও ইসলামিক দেশগুলি ক্ষুব্ধ। ভারত কেন ক্ষমা চাইবে?’ উল্টে তিনি ভারতীয়দের বিজেপির সাসপেন্ডেড নেত্রীকে রক্ষা করার পরামর্শ দেন। তাঁর কথায়, “আমার ভারতের বন্ধুরা তোমরা মুসলিম দেশগুলির হুমকিতে ভয় পেয় না। স্বাধীনতার পক্ষে দাঁড়াও এবং নিজেদের নেত্রীকে রক্ষা করার জন্য গর্বিত হও”।

প্রসঙ্গত, নবী মহম্মদের বিয়ে নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করেছিলেন বিজেপির প্রাক্তন নেত্রী। যার পর ইসলামিক দুনিয়ার চোখের বিষ হয়ে উঠেছেন তিনি। তাঁর সেই মন্তব্যের কারণে দেশের নানা প্রান্তে বিক্ষোভ ও অবরোধ শুরু হয়। সেই সঙ্গে তাঁর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়েছে পশ্চিমবঙ্গ সহ বিভিন্ন রাজ্যের থানাতে। উল্লেখ্য, শীর্ষ আদালতে তাঁর আবেদন ছিল সব মামলাগুলি এক জায়গায় স্থানান্তর করা হোক। তাতে তদন্তে সহযোগিতা হবে। সেই সঙ্গে তাঁকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলে, জানানো হয়। কিন্তু সেই মামলাতেই তাঁকে আদালতের ভর্ৎসনার মুখে পড়তে হয়েছে। এরপর আদালতের মন্তব্যের বিরোধিতা করেছেন ডাচ এমপি।