বাবা-মা নাগরিক, সন্তান নয়, ঠিকানা তাই ডিটেনশন ক্যাম্প, সুপ্রিম কোর্টে কী আশ্বাস সরকারের?

6
kolkata bengali news

Highlights

  • বাবা-মা নাগরিক, সন্তান নয়
  • সন্তানদের ঠিকানা তাই ডিটেনশন ক্যাম্প
  • সুপ্রিম কোর্টে আশ্বাস কেন্দ্রীয় সরকারের

 

মহানগর ওয়েবডেস্ক: বাবা-মায়ের নাম রয়েছে অসমের রেজিস্ট্রার অফ সিটিজেন-এ৷ কিন্তু তাঁদের ছেলে-মেয়েদের নাম নেই তালিকায়৷ বাবা-মা নাগরিক, কিন্তু ছেলে-মেয়ে নয়? এইরকম বেশ কিছু ঘটনা একত্রিত করে মামলা ওঠে সুপ্রিম কোর্টে৷ মামলার সওয়াল করতে গিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে আইনজীবী কে কে বেনুগোপাল সুপ্রিম কোর্টে বলেন, সন্তানদের তাদের বাবা-মায়ের থেকে আলাদা করা হবে না৷

৬০ সন্তানের ঠিকানা অসমের ডিটেনশন সেন্টার৷ তারা এখনও নাগরিকত্ব পায়নি৷ এরকম ৬০টি ঘটনার আবেদনে বলা হয়েছে, বাবা-মা দুই জন অথবা একজন নাগরিকত্ব পেয়েছেন৷ ছেলে মেয়েরা পাননি৷ তারা নাগরিকত্ব পরীক্ষায় পাশ করেনি৷ তাদের আবেদনের ভিত্তিতে মামলার শুনানি হয় সুপ্রিম কোর্টে৷ অ্যাটর্নি জেনারেল কে কে বেনুগোপাল বলেন, বাবা-মায়েরা নাগরিক হলে, তাঁদের সন্তানরা কোনওভাবেই তাঁদের থেকে আলাদা হতে পারে না৷

দেশের প্রধান বিচারপতি এস এ বোবদের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ সরকারকে চার সপ্তাহের মধ্যে এই নিয়ে হলফনামা দিতে বলেছে৷ নাগরিকত্ব আইন ও নাগরিকপঞ্জি নিয়ে উত্তাল হয়েছে দেশ৷ এই উত্তেজনার আবহে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বলেছিলেন, দেশে কোনও ডিটেনশন ক্যাম্প নেই। অথচ এর পরেই অন্য কথা শোনা যায় অসমের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তরুণ গগৈ-এর কথায়৷ তিনি বলেন, অটলবিহারী বাজপেয়ীর আমলেই বিভিন্ন রাজ্যকে ডিটেনশন ক্যাম্প বানাতে বলা হয়েছিল। মোদী ক্ষমতায় আসার পরে তাঁকে ডিটেনশন ক্যাম্প বানানোর জন্য ৪৬ কোটি টাকা দিয়েছিলেন।

তাঁর কথায়, বাজপেয়ী সরকারের আমলে প্রথমে ডিটেনশন ক্যাম্পের কথা শোনা যায়। বলা হয়েছিল, যে বিদেশিরা অনুপ্রবেশ করার পরে জেলে আছেন, তাঁদের কারাবাসের মেয়াদ ফুরিয়ে গেলে আটকে রাখা হবে ডিটেনশন ক্যাম্পে। মোদী ক্ষমতায় আসার পরে বৃহত্তম ডিটেনশন সেন্টার বানানোর জন্য ৪৬ কোটি টাকা দিয়েছিলেন। সেখানে ৩ হাজার মানুষকে রাখার কথা হয়েছিল। এখন তিনি কীভাবে বলছেন যে, দেশে কোনও ডিটেনশন সেন্টার নেই?