তথ্য কমিশনার নিয়োগ সংক্রান্ত বৈঠকে বিমান-মমতা, ‘থাকতে পারব না’ জানিয়ে দিলেন শুভেন্দু

11
Mamata-Suvendu
রাজের তথ্য কমিশনারের নিয়োগের বৈঠকে উপস্থিত থাকছেন না বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।

মহানগর ডেস্ক: মঙ্গলবার অর্থাৎ আজ রাজ্যে তথ্য কমিশনার নিয়োগের বিষয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে বৈঠকে যোগ দেওয়ার কথা ছিল বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর। রাজ্যের পরবর্তী তথ্য কমিশনার নিয়োগের জন্য সংশ্লিষ্ট কমিটির বৈঠক ছিল আজ। যেখানে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ছাড়াও উপস্থিত থাকার কথা বিধানসভার স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়র। কিন্তু মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে এই বৈঠকে উপস্থিত থাকবেন না বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। বিজেপি নেতা দাবি করেছেন, তথ্য কমিশনার পদে যাঁরা আবেদন করেছেন, তাঁদের নাম এবং সব দরকারি তথ্য আগে থেকে বৈঠকে উপস্থিত ব্যক্তিদের জানানো হয়। কিন্তু তাঁর ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম।

এই বৈঠকের কথা সোমবার তাঁকে চিঠি পাঠিয়ে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র দপ্তরের সচিব বি কে গোপালিকা। সেই চিঠির পাল্টা জবাবি পত্র দিয়ে বিরোধী দলনেতা বৈঠকে উপস্থিত না থাকার কথা জানিয়েছেন। শুধু তাই নয়, গোটা বিষয়টি লিখিতভাবে রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়কেও জানিয়েছেন শুভেন্দু। জানা গিয়েছে, সাংবিধানিক পদে নিয়োগের জন্য মুখ্যমন্ত্রী, বিধানসভার স্পিকার ও রাজ্যের বিরোধী দলনেতাকে নিয়ে কমিটির বৈঠক হওয়াই নিয়ম। তৃণমূলের সরকার তৃতীয়বার মসনদে বসার পর রাজ্যের বিরোধী দল বিজেপির সঙ্গে এই প্রথম ছিল বৈঠক। তথ্য কমিশনের নিয়োগের জন্যই এই বৈঠক করার কথা ছিল। কিন্তু সেখানেই উপস্থিত থাকছেন না নন্দীগ্রামের বিধায়ক।

উপস্থিত না থাকার প্রসঙ্গে শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছেন, ‘তথ্য কমিশনার সহ যেসব সাংবিধানিক পদে নিয়োগের জন্য মুখ্যমন্ত্রী এবং বিরোধী দলনেতাকে বৈঠকে বসতে হয়, সেই সব ক্ষেত্রে এক সপ্তাহ আগে সংশ্লিষ্টদের আবেদনকারীদের সব তথ্য পাঠাতে হয়। ১২ ঘণ্টা আগে বৈঠকের চিঠি পাঠালে চলে না। আমরা কংগ্রেস বা সিপিএম নই। সরকারি গাড়ি, নানা সুযোগ-সুবিধা এবং কিছু উচ্ছিষ্টের জন্য আমরা এই সব মেনে নেব না’।

উল্লেখ্য, সিবিআই প্রধান নিয়োগের ক্ষেত্রে সম্প্রতি কংগ্রেস নেতা অধীর চৌধুরী অভিযোগ করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সামনে। তিনি বলেছিলেন, ‘বিরোধীদের কিছু না জানিয়ে কেন্দ্রীয় সরকার শুধুমাত্র নিজেদের সিদ্ধান্তে শীলমোহর দেওয়ার জন্যই এই বৈঠকে ডেকেছেন’। এবার রাজ্যের ক্ষেত্রেও ঠিক একই ধরনের মন্তব্য করেছেন বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী। তার এই মন্তব্যের পাল্টা উত্তর দিয়ে তৃণমূল নেতা তাপস রায় জানিয়েছেন, ‘উনি আগে কেন্দ্রকে সাংবিধানিক রীতিনীতি মানতে বলুক, তারপরে রাজ্যকে বলবেন’।