বহিরাগত তত্ত্বই বুমেরাং হল তৃণমূলের!

9

নিজস্ব প্রতিনিধি:বহিরাগত তত্ত্বই বুমেরাং হল তৃণমূলের! একুশের নির্বাচনে বিজেপিকে ‘বহিরাগত’ তকমা দিয়ে পর্যুদস্ত করেছিল তৃণমূল। এবার সেটাই বুমেরাং হয়ে ফিরে এল গোয়ায়। আরব সাগরের তীরের ওই রাজ্যে তৃণমূলকেই ‘বহিরাগত’ বাণে বিদ্ধ করলেন কংগ্রেস ছেড়ে তৃণমূল ঘুরে ফের কংগ্রেসে আসা নেতারা।

একুশের বিধানসভা নির্বাচনে বহিরাগত তত্ত্বে বিজেপিকে তুলোধোনা করেছিল তৃণমূল। ওই নির্বাচনে বাংলা দখলের লক্ষ্যে সব মিলিয়ে একুশবার এ রাজ্যে এসেছিলেন খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ছোটবড় মিলিয়ে মোট ১২১টি কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। দিল্লির আরও বেশ কয়েকজন নেতা কার্যত দিল্লি-কলকাতা ডেইলি প্যাসেঞ্জারি করেছেন। তার পরেও লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হয়নি। বিজেপি ২০০ আসনের লক্ষ্যমাত্রা নিয়েছিল। যদিও মাত্র ৭৭টি আসন নিয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছে গেরুয়া শিবিরকে। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, এসবই হয়েছে মমতার ক্যারিশ্মায়! তিনি বহিরাগত তত্ত্ব আউড়েছিলেন প্রতিটি জনসভায়। তৃণমূল নেত্রীর কথায় বিশ্বাস করেছিলেন রাজ্যবাসী। স্বাভাবিকভাবেই তাঁরাও বিশ্বাস করেছিলেন বিজেপি বহিরাগত। এর পাশাপাশি তৃণমূলের তরফে এই স্লোগানও তোলা হয়, বাংলা নিজের মেয়েকেই চায়। এই জোড়া ফলায় বিদ্ধ হয় বিজেপি। যার জেরে ভোটের ফল বেরলে দেখা যায়, রাজ্যের একের পর এক আসনে ধরাশায়ী হয় বিজেপি। বিপুল সংখ্যক ভোটে জয়ী হয় তৃণমূল। তৃতীয়বারের জন্য রাজ্যের কুর্সিতে ফেরে তৃণমূল।

যে বহিরাগত অস্ত্রে বিজেপিকে কুপোকাত করেছিল তৃণমূল, সেই বহিরাগত অস্ত্রই বুমেরাং হয়ে ফিরেছে। গোয়ায় কংগ্রেস থেকে যাঁরা তৃণমূলে এসেছিলেন, তাঁরা প্রত্যেকেই তৃণমূলকে বহিরাগত দেগে দিয়ে ঘরে ফিরে যাচ্ছেন।

ইতিহাস ফিরে ফিরে আসে তাহলে!