Home International PAIN GUIDLINE: ব্যাথার গাইডলাইন তৈরি করেই বিশ্বমঞ্চে স্বীকৃতি বঙ্গ সন্তানের

PAIN GUIDLINE: ব্যাথার গাইডলাইন তৈরি করেই বিশ্বমঞ্চে স্বীকৃতি বঙ্গ সন্তানের

by Silpika Chatterjee

মহানগর ডেস্কঃ ব্যাথা, ব্যাথা আর ব্যাথা | একটা বড় অংশের মানুষই বর্তমানে এই সমস্যায় আক্রান্ত | দরিদ্র , খেটে খাওয়া মানুষই হোক কিংবা উচ্চবিত্ত , সকলেরই ব্যাথা নামক রোগ আজ অত্যন্ত কমন | সেই ব্যাথা উপশমের নিদান দিয়েই বঙ্গ সন্তান স্বীকৃতি পেলেন বিশ্বমঞ্চে |

ব্যাথার চিকিৎসা এবং প্রশিক্ষণে ধারাবাহিক অবদান, তার জন্যই বিশ্ব মঞ্চে পুরস্কৃত হলেন শিয়ালদহ ইএসআই হাসপাতালের পেইন ম্যানেজমেন্ট ইনস্টিটিউশনের প্রতিষ্ঠাতা -প্রধান সুব্রত গোস্বামী | বর্তমানে তিনি ইএসআই-এর উপ অধিকর্তাও | পুরস্কারের ১০ হাজার ডলার আগামী দিনে চিকিৎসার কাজেই লাগাবেন বলে জানালেন|

আন্তর্জাতিক চিকিৎসক সংগঠন ‘ইন্টারন্যাশনাল অ্যাসোসিয়েশন ফর স্টাডিজ অফ পেইন’ বা আইএএসপি থেকে পেন ম্যানেজমেন্টের পরিষেবা ও প্রশিক্ষণের ক্ষেত্রে উন্নতির জন্যে পুরস্কৃত হয়েছেন সুব্রত। পেইন ম্যানেজমেন্টের ক্ষেত্রে একেবারে প্রাথমিক স্তরের অ-বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের প্রশিক্ষণ দেওয়া এবং যন্ত্রণা উপশমে গাইডলাইন তৈরিরই এই স্বীকৃতি। ২০২২ সালে ভারত থেকে পুরস্কৃত হয়েছেন সুব্রত এবং মুম্বইয়ের রিঙ্কল হটওয়ানি। ২০১৮-র পর তাঁদের হাত ধরেই এই ঐতিহ্যশালী পুরস্কার এল এ দেশে।

আধুনিক চিকিৎসার জগতে ব্যথা বা যন্ত্রণা আর নিছক উপসর্গ নয়, বিবেচিত হয় পুরোদস্তুর একটি অসুখ হিসেবে। চিকিৎসাশাস্ত্রের নতুন শাখা তাই পেন ম্যানেজমেন্ট। সারা দেশেই যখন এই পরিষেবা বিরল, ২০১৩-য় তখন সুব্রতর এক প্রকার একক উদ্যোগেই শিয়ালদহ ইএসআইয়ে গড়ে ওঠে ইনস্টিটিউট অফ পেইন ম্যানেজমেন্ট। এই প্রতিষ্ঠান থেকে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত চিকিৎসকের সংখ্যাও এখন অনেক। আর ইএসআই-এর মতো সরকারি হাসপাতালে পরিষেবা মেলায় হাজার হাজার রোগী উপকৃত হয়ে চলেছেন লাগাতার |

সুব্রত জানান, পরিষেবা ও প্রশিক্ষণ দিতে গিয়েই দেখেছিলেন, পেইন ম‌্যানেজমেন্টের তেমন কোনও সুনির্দিষ্ট ক্লিনিক‌্যাল গাইডলাইন নেই এ দেশে। তাই একটি গাইডলাইন তৈরিতে মন দিয়েছিলেন তিনি। সাফল্যও মিলেছে। সেই গাইডলাইনকে স্বীকৃতি দিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এবং আইএএসপি। তিনি জানান, এই গাইডলাইন তৈরিতে পিজি-র স্নায়ুরোগ বিশেষজ্ঞ বিমানকান্তি রায, অস্থিশল্য চিকিৎসক আনন্দকিশোর পাল, প্রশান্ত রায় কর্মকার এবং আইসিএমআর-এর চিকিৎসক অমিত চক্রবর্তী, রমেশ ভট্টাচার্য-সহ অন্তত ২০ জন চিকিৎসক-গবেষকের অবদানও অনস্বীকার্য |

You may also like