জেএনইউতে বর্বরোচিত হামলায় জড়িত এবিভিপি, বলছে ছবি

16
abvp bengali news
জেএনইউতে হামলার আগে এবিভিপির বিকাশ প্যাটেল ও শিবন মন্ডল

 

Highlights

  • জেএনইউ হামলায় এবিভিপির যোগের ছবি
  • এবিভিপি যুক্ত এই হামলার সঙ্গে
  • নেট দুনিয়ায় এবিভিপির গুন্ডাদের ছবি ভাইরাল

মহানগর ওয়েবডেস্ক:  রবিবার সন্ধ্যায় জওহর লাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয় (জেএনইউ)তে হামলার পর একাধিক ভিডিও এবং ছবি বিভিন্ন মাধ্যম থেকে প্রকাশ্যে এসেছে। যে ছবি আর ভিডিওতে দেখে গেছে, সশস্ত্র অবস্থায় ঘুরছে অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদ বা এবিভিপি-র সদস্যরা। ক্যাম্পাসে হামলার ঘন্টাখানেক আগের এই ছবিতে বিকাশ প্যাটেল নামে একজনকে শনাক্ত করা গিয়েছে। এই বিকাশ প্যাটেল ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের এবিভিপি’র কার্যকরী কমিটির সদস্য বলে সূত্রের খবর। সে একটা ফাইবার-গ্লাস ব্যাটন হাতে ঘুরছিলেন। পুলিশ সাধারণত যে ব্যাটন ব্যবহার করে, বিকাশের হাতে তেমন ব্যাটন। এমনটাই দেখা গেছে ওই ছবিতে। তার (ডানদিকে) পাশেই নীল-হলুদ সোয়েটার পরে শিব পূজন মণ্ডল নামে এক ছাত্রকে ডাণ্ডা হাতে দেখে গিয়েছে। আরও একটা ছবিতে দেখা গিয়েছে, এই শিব পূজন মণ্ডল সশস্ত্র একটা দলকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রবেশ পথ দেখিয়ে দিচ্ছে। দেখা যাচ্ছে, রাস্তা থেকে বাঁদিকে, যেদিকে ক্যাম্পাস, সেদিকে ঘুরে যাচ্ছে ওই দল।এরপরে একটা ভিডিওতে দেখা গিয়েছে, হামলার পর অন্ধকারে যখন ‘সশস্ত্র বাহিনী’ ক্যাম্পাস ছাড়ছে, তখনও বেরিয়ে আসতে দেখা গিয়েছে ওই বিকাশ পূজন মণ্ডলকে।

এর আগে অবশ্য বিজেপির ছাত্র সংগঠন অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদ(এবিভিপি) বার বার জেএনইউ হামলার দায় অস্বীকার করেছে৷ এই সংগঠনের নেত্রী নিধি ত্রিপাঠী রীতিমতো সাংবাদিক সম্মেলন করে এই হামলায় বাম সংগঠন জড়িত বলে দাবি করেছে৷ তবে এখনও পর্যন্ত বিভিন্ন মাধ্যম থেকে প্রাপ্ত ছবি,ভিডিও কিন্তু অন্য কথা বলছে৷ কথায় বলে দৃশ্য মাধ্যম সত্যি কথাই বলে৷ এইসব এর সঙ্গে সিসিটিভ ফুটেজে বারবার ফুটে উঠেছে এবিভিপি সদস্যদের ছবি৷ মুখোশের আড়ালে সংগঠিত হামলা চালানোর আগে তাদের সশস্ত্র ছবি এখন নেট দুনিয়ায় ভাইরাল হয়ে গিয়েছে৷ যদিও ধরা পড়ার ভয়ে এইসব অভিযুক্তরা অধিকাংশই তাদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের যাবতীয় অ্যাকাউন্ট বন্ধ করে দিয়েছে৷ তবুও তারা শেষ রক্ষা করতে পারেনি৷

এবিভিপির পক্ষে জোরালো দাবি এইসব ছবি, স্ক্রিনশট ভুয়ো৷ তাই যদি সত্যি হয় তবে জেএনইউর প্রথম বর্ষের সংস্কৃতর ছাত্র যোগেন্দ্র ভরদ্বাজ ও পিএইচডি ছাত্র সন্দীপ পাটিল তাদের সব নেট অ্যাকাউন্ট তরিঘড়ি বন্ধ করল কেন? এই প্রশ্নের উত্তর এখনও কারও কাছে নেই৷ তবে হোয়াটস অ্যাপসে এদের কথোপকথনের স্ক্রিন শট কিন্তু তারা মুছে ফেলতে পারেনি৷ তাদের কথাবার্তার থেকে বোঝা গিয়েছে এই হামলার বহিরাগত যোগ৷ দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের এবিভিপির ছাত্ররাও রবিবারের নারকীয় হামলার সঙ্গে যুক্ত থাকার প্রমাণ মিলেছে৷ যদিও অমিত শাহর পুলিশ এত কিছু প্রমাণ থাকলেও এই হামলার জেরে কাউকে গ্রেফতার করেনি৷