১৫ – ১৮ বছর বয়সীদের টিকাকরণ, স্বাস্থ্য কর্মী এবং ষাটোর্ধ্ব নাগরিকদের বুস্টার ডোজ দেওয়া শুরু হবে আগামী বছরে : প্রধানমন্ত্রী মোদি

49

মহানগর ডেস্ক: ২৫ ডিসেম্বর অর্থাৎ শনিবার সন্ধ্যায় জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। দেশে ওমিক্রন সংক্রমণের মধ্যেই দেশবাসীর উদ্দেশে বেশকিছু গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা করেন তিনি। এমনকি বুস্টার ডোজ নিয়েও বড় ঘোষণা করেন নমো।

তিনি জানান, আগামী বছরের ৩ জানুয়ারি থেকে ১৫ থেকে ১৮ বছর বয়সীদের করোনা টিকাকরণ শুরু হতে চলেছে। এছাড়াও তিনি জানান স্বাস্থ্য কর্মী এবং করোনার প্রথম সারির যোদ্ধাদের ‘প্রিকশন ডোজ’ দেওয়া হবে ২০২২ সালের ১০ জানুয়ারি থেকে। অন্যদিকে ষাটোর্ধ্ব নাগরিকদেরও বুস্টার ডোজ দেওয়ার কথা ঘোষণা করেন তিনি। তাঁদের এই টিকাকরণও শুরু হবে আগামী বছরের ১০ জানুয়ারি থেকে।

ওমিক্রন ভেরিয়েন্টের প্রাদুর্ভাবের মধ্যে যখন বুস্টার ডোজগুলির চাহিদা উত্থাপিত হচ্ছিল, শনিবার রাতে প্রধানমন্ত্রী মোদি তাঁর ভাষণে বলেন যে ভারতের বৈজ্ঞানিকরা সম্পূর্ণ পরীক্ষার পরেই সিদ্ধান্ত নেয়। মহামারীর বিরুদ্ধে লড়াইয়ে নিরলস প্রচেষ্টার জন্য বিজ্ঞানীদের প্রশংসা করেন, প্রধানমন্ত্রী মোদী বলেন, ‘আমাদের বৈজ্ঞানিকরা টিকা, কখন কোন ডোজ নিতে হবে ইত্যাদির প্রতিটি বিশদ সতর্কতার সাথে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এখন বৈজ্ঞানিক মহল কিছু গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তে পৌঁছেছে যা আমি বড়দিনের শুভ উপলক্ষ এবং অটল বিহারী বাজপেয়ীর জন্মবার্ষিকীতে আপনাদের সাথে শেয়ার করতে চাই।’

 

এদিন তিনি আরও বলেন,’১১ মাস ধরে দেশে টিকাকরণ অভিযান চলছে। দেশের সব নাগরিকদের চেষ্টাতেই ১৪১ কোটি ডোজ ভ্যাকসিন দেওয়া গিয়েছে। ভারতের প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যে ৬১ শতাংশ মানুষ ভ্যাকসিনের দুটি ডোজই পেয়েছেন। প্রায় ৯০ শতাংশ মানুষ অন্তত একটি ডোজ পেয়েছেন। অনেক রাজ্য কঠিন পরিস্থিতির বিরুদ্ধে লড়াই করেও ১০০ শতাংশ ভ্যাকসিনেশন সম্পূর্ণ করেছে। খুব শীঘ্রই ন্যাজাল ভ্যাকসিন এবং বিশ্বের প্রথম ডিএনএ ভ্যাকসিন শুরু হবে।’