গঙ্গায় ১৭টি ঘাটে চলছে বিসর্জনের প্রস্তুতি, মোতায়েন ৩ হাজার অতিরিক্ত পুলিশ কর্মী

36

মহানগর ডেস্ক: আজ বিজয় দশমী। প্রতিমা নিরঞ্জনের জন্য প্রস্তুতিতে লেগে পড়েছে কলকাতা পুরসভা এবং পুলিশ কর্তারা। প্রতিমা বিসর্জন দেওয়ার জন্য গঙ্গায় ১৭টি ঘাটে করা হয়েছে ব্যবস্থা। আজ থেকে পরপর চার দিন হবে প্রতিমা বিসর্জন দেওয়ার কাজ। আজ মূলত বাড়ির পুজো এবং বারোয়ারি কয়েকটা ছোট পুজোর বিসর্জন হবে। কালকে শনিবার বিসর্জন কম হবে। পরের দিন রবিবার বড় বড় ঠাকুর বিসর্জন দেওয়া হবে। সোমবার পর্যন্ত চলবে এই দেবী বিসর্জনের কাজ।

পুরসভা সূত্রে মনে করা হচ্ছে, আজ দেড় হাজারের বেশি প্রতিমা গঙ্গায় বিসর্জন দেওয়ার হবে। যার জন্য নিরাপত্তার দায়িত্বে ৩ হাজার পুলিশ কর্মী মোতায়েন করা হয়েছে। এছাড়াও নিরঞ্জনে সাহায্য করতে হাজির থাকবেন ২ হাজারের বেশি পুরকর্মী এবং অফিসার। ২টি ওয়াচ টাওয়ার থেকে চলবে পুলিশি নজরদারি। এছাড়াও গঙ্গাবক্ষে নিরঞ্জন করা প্রতিমা তোলার জন্য ক্রেনেরও ব্যবস্থা করা হয়েছে। যাতে সঙ্গে সঙ্গে প্রতিমা তুলে ফেলা যায়। পুরসভা সূত্রে অনুমান, গঙ্গা ঘাটগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ভিড় হবে জাজেস ঘাট, বাজে কদমতলা ও দই ঘাটে।

বিসর্জনে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে ডিজে এবং বড়সড় পথযাত্রায়। এছাড়াও ঘাট চত্বরে বেশি জন্য আমার অনুমতি দেওয়া হয়নি। নির্দিষ্ট করা হয়েছে গাড়ির সংখ্যাও। নিষিদ্ধ করা হয়েছে বাজি পোড়ানো। মূলত কোভিড বিধি মেনেই গত বছরের মতো এবারও বিসর্জনের আয়োজন করেছে কলকাতা পুরসভা। এছাড়াও গঙ্গায় বান এলে আগেভাগে সতর্ক করার কথা জানানো হয়েছে পুলিশ।

গঙ্গার পাশাপাশি বিসর্জন চলবে কলকাতার ৩৪ টি পুকুরে। প্রত্যেকটি পুকুরে থাকছে বিশেষ পুলিশি ব্যবস্থা। এবং জানানো হয়েছে কোভিড বিধি সেখানেও লঙ্ঘন করলে বড়সড় জরিমানার মুখে পড়তে হবে, পুজো কমিটিগুলোকে।