ব্রিটেনের স্বরাষ্ট্র সচিবের পদে মোদী ঘনিষ্ঠ ভারতীয় বংশোদ্ভূত প্রীতি প্যাটেল

141
kolkata bengali news

মহানগর ওয়েবডেস্ক: বাকিংহাম প্রাসাদে রানির কাছে থেরেসা মে-র ইস্তফাপত্র জমা পড়তে না পড়তেই কুর্সির দায়ভার গেল বরিস জনসনের হাতে। যা ইঙ্গিত ছিল তেমনটাই হল। ভারতীয় বংশোদ্ভূত প্রীতি প্যাটেলকে নিয়ে জল্পনা ছিল পার্লামেন্টের আনাচে কানাচে। এবার সব জল্পনার অবসান ঘটিয়ে বিট্রিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনের ক্যাবিনেটের সদস্য হলেন মোদী ঘনিষ্ঠ প্রীতি। ব্রিটিশ স্বরাষ্ট্রসচিব হিসাবে জনসনের ক্যাবিনেটে ঠাঁই হল প্রীতির। বরিস দায়িত্বে আসার পরই ১২ জন মন্ত্রী পদত্যাগ করেছেন মন্ত্রিসভা থেকে। অন্দরমহলে গুঞ্জন ছিল, নতুন করে ঘুঁটি সাজাতে পারেন বরিস। যেমন ভাবা তেমনি কাজ। সে ক্ষেত্রে বরিস ক্যাম্পেনের অন্যতম মুখ প্রীতি প্যাটেলের গুরুত্বপূর্ণ পদ পাওয়া অস্বাভাবিক কিছু নয়।

ভারতীয় বংশোভূত প্রীতি ব্রিটেনের রাজনীতির কোনও নতুন মুখ নয়। বরং বলা যেতে পারে, অন্যদের তুলনায় অনেক বেশি পোড় খাওয়া রাজনীতিবিদ তিনি। ২০১৩ সালে ক্যামরনের ভারতে সফরে পাশে দেখা যায় পটেল কন্যাকে। গুজরাট নিবাসী মোদী ঘনিষ্ঠ প্রীতিকে দেখা যায় ২০১৪ সালে নমো সরকারের প্রথম ইনিংস শুরুর আগে এক্স ফ্যাক্টর হিসেবে কাজ করতে। ভারতীয় মিডিয়া যখন গুজরাটের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীকে তুলোধনা করছে তখন রুখে দাঁড়ান প্রীতি। বিট্রেন নিবাসী ভারতীয় তথা এশীয়দের ভোট টানার ক্ষেত্রে প্রীতি চিরকালই ছিলেন মোদীর আস্থাভাজন।

একদা ইংল্যান্ডের গুরুত্বপূর্ণ দপ্তরের দায়ভার সামলেছেন প্রীতি। কখনও বা আন্তর্জাতিক উন্নয়ন দপ্তর সহ বিদেশের কিছু গুরুত্বপূর্ণ দপ্তর। ব্রিটিশ বিদেশ মন্ত্রকের প্রতিমন্ত্রীও হয়েছিলেন প্রীতি। পরবর্তীকালে নিয়ম লঙ্ঘন করে দুই ইজরায়েলি উচ্চপদস্থ আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠকের অভিযোগ আসে তাঁর বিরুদ্ধে। সমালোচনার মুখে পড়ে বিদেশ প্রতিমন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তফা দেন প্রীতি। ২০১০ সালে কনজারভেটিভ দলের হয়ে ভোটে দাঁড়িয়েছিলেন প্রীতি প্রথম বারেই আসে সাফল্য। তারপরই ক্যামরনের আস্থাভাজন হয়ে ওঠে মোদী ঘনিষ্ঠ প্যাটেল।