‘একটানা ছুটিতে ক্ষতি হবে পড়ুয়াদের’, রাজ্য সরকারের ঘোষণাকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে হাইকোর্টে দায়ের জনস্বার্থ মামলা

112

মহানগর ডেস্ক: গ্রীষ্মের দাবদাহে এর হাত থেকে পড়ুয়াদের বাঁচাতে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় একটানা ৪৫ দিন স্কুল ছুটির কথা ঘোষণা করেছেন। একসঙ্গে এতগুলো দিন বিদ্যালয় বন্ধ থাকলে পড়াশুনার ক্ষতি হবে বলে, কলকাতা হাইকোর্টে মামলা দায়ের করল বঙ্গীয় প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি। জানা যাচ্ছে, আগামী বৃহস্পতিবার হতে পারে এই মামলার শুনানি।

মামলাকারীদের দাবি, একেই করোনার জন্য দীর্ঘদিন বিদ্যালয় বন্ধ ছিল। যার ফলে পড়ুয়াদের এমনিতেই বিদ্যালয়ে যেতে গায়ে জ্বর আসছে। তার উপরে আবার টানা দেড় মাসের ছুটির ফলে পড়াশোনার ক্ষতি হবে ছাত্র-ছাত্রীদের। এমন পরিস্থিতি সমস্ত বিষয়টি পর্যালোচনা করে ছুটি কমিয়ে দেওয়ার দাবিতে কলকাতা হাইকোর্টে গিয়েছেন বঙ্গীয় প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সদস্যরা।

রাজ্যের করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকায় আবারও সাধারণভাবেই চলছিল ক্লাস। এরইমধ্যে বাংলার জুড়ে তাপমাত্রা গ্রীষ্মের তাপমাত্রা ৪০° অতিক্রম করে। যার ফলে দিনের বেলা অতিরিক্ত প্রয়োজন ছাড়া বাড়ি থেকে বেরোতে নিষেধ করা হয় রাজ্যবাসীকে। এমন পরিস্থিতিতে প্রতিদিন বিদ্যালয় যাওয়া, তাছাড়া দুপুরের সময় অর্থাৎ বেলা ১১ টা থেকে বিকেল ৪ টে পর্যন্ত তীব্র দাবদাহে সময় ক্লাস করা দায় হয়ে উঠছিল পড়ুয়াদের। এমন পরিস্থিতিতে বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় গ্রীষ্মের ছুটি বাড়িয়ে দেওয়ার কথা ঘোষণা করেন।

টানা এতদিন ছুটির ফলে পড়ুয়াদের পড়াশোনার ক্ষতি হবে বলে দাবি করা হয় বঙ্গীয় শিক্ষক সমিতির তরফ থেকে। এছাড়াও কেরলে পড়ুয়াদের পড়াশোনার কথা মাথায় রেখে গ্রীষ্মের ছুটি ১০ দিন কমিয়ে দেওয়া হয়েছে। সেকথাও আবেদনকারীদের আবেদন পত্রে উল্লেখ করা হয়। দেখা যাক আগামী বৃহস্পতিবার আদালতে তরফ থেকে কী রায় দেওয়া হয়!