serial Killer :একজন শিকারী এই বাঘিনীটিকে পরিণত করেছিল সিরিয়াল কিলারে,যার ফল ভুগতে হয়েছিল  সাধারণ মানুষকে

54
চম্পাওয়াত বাঘ

 

মহানগর ডেস্ক : পৃথিবীর সবথেকে বড় সিরিয়াল কিলারের নাম যদি বলা হয়,তাহলে জ্যাক দ্য রিপার তা কখনোই নন।বা অন্য কোনও গল্পের  বড় ভিলেনও নন। সেটি হল একটি বাঘিনী, যাকে মানুষ মারার মেশিন বলেও ডাকা হয়।

বাংলার এই চম্পাওয়াত বাঘিনীটি  এত বিপুল সংখ্যায় মানুষ হত্যা করায় তার নাম ‘গিনেস বুক অফ ওয়ার্ল্ড রেকর্ড’-এও আছে। সাধারণত, বাঘেরা জন্মগত শিকারী হয়।  এবং তাদের হত্যার ভয়ঙ্কর পরিসংখ্যানও রয়েছে।তারা সহজেই ৫০০পাউন্ড পর্যন্ত ওজন বৃদ্ধি করতে পারে ।  প্রতি ঘণ্টায় দৌড়ে ৪০মাইল পৌঁছতে পারে।  বাঘের কামড় একটি হিংস্র সাদা হাঙ্গরের থেকেও শক্তিশালী।  তাদের একটি থাবা মানুষের খুলি পর্যন্ত ভেঙে দিতে পারে।

বাঘেরা ভীষন বুদ্ধিমান ও প্রতিহিংসাপরায়ণ হয় ।  সাইবেরিয়ায় বহুকাল আগে , একজন শিকারী একটি বাঘিনীকে গুলি করেছিলেন, কিন্তু তিনি হত্যা না করে বাঘিনীটিকে পালাতে দিয়েছিলেন।  আহত সেই বাঘিনীটি লুকিয়েছিল জঙ্গলে ।তবে বাঘিনীটি সেখান থেকে চলে গেলেও তার মধ্যে জন্ম নেয় মানুষের প্রতি ঘৃনা। বদলা নিতে পরে বাঘিনীটি প্রবেশ করে সেই শিকারীর কেবিনে । কিন্তু শিকারী সেই সময় কেবিনে ছিলেন না।ফলে তার ফেরার জন্য অপেক্ষা করতে থাকে বাঘিনীটি। অন্যদিকে বাঘিনীটি যে তার  ফেরার পর অপেক্ষা করছে তা ঘুনাক্ষরেও টের পাননি তিনি। কেবিনে ঢোকা মাত্রই তার উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে বাঘিনী।চোখের পলকে নেমে আসে মারণ থাবা। নিজের সবটুকু দিয়ে প্রতিরোধ করার পরেও হার মানতে হয়েছিল শিকারীকে।প্রথমবার মানুষের রক্তের স্বাদ পেল বাঘিনীটি। জন্ম নিলো ‘ দ্য ম্যান ইটার অফ কুমায়ুন’।

১৯ শতকের শেষ থেকে বিংশ শতাব্দীর প্রথম বছর পর্যন্ত নেপাল ও ভারতের কুমায়ুন অঞ্চলে চলে হত্যালীলা।প্রায় ৪৩৬ জন মানুষের প্রান কেড়ে নেয় বাঘিনীটি। বাঘিনীর হামলার হত্যার এই পরিসংখান জায়গা করে নেয় ইতিহাসের পাতায় । মানব হত্যার এই শৃংখল শেষ পর্যন্ত ভাঙতে সক্ষম হয়েছিলেন জিম কর্বেট।১৯০৭ সালে তিনি বাঘিনীটিকে গুলি করে হত্যা করেছিলেন। পোস্টমর্টেমের পর জানাগিয়েছিল ,বাঘিনীর মুখের ডান দিকের ওপরের এবং নিচের চোয়ালের দাঁতগুলো ভাঙা। মুখের ওপরের অংশের কিছু হাড় ভেঙে গিয়েছে। এসব কিছুই , সেই শিকারীর গুলি করার ফল। সেই কারণেই বাঘিনীটি মানুষ শিকার করতে শুরু করেছিল। কারন মানুষকে শিকার করা সহজ। এছাড়া বাঘ সম্পূর্ণ সুস্থ ছিল এবং তার বয়স ছিল ১০-১২ বছর বছরের মধ্যে।

serial Killer

Serial Killer

Read more,

“মোদি ছেড়ে দিদি, বুদ্ধবাবুকে ভালো না লাগলেই হল”, শ্রাবন্তীকে কটাক্ষ শ্রীলেখার