Maharashtra: এই শরদ পাওয়ারই একদিন জোট পাকিয়ে সরকার ফেলেছিলেন মহারাষ্ট্রে

110

মহানগর ডেস্ক: আচমকা তৈরি হয়েছিল বিরোধী দল। টলমল করতে শুরু করেছিল মহারাষ্ট্রের সরকার (Maharashtra Government)। অ্যাকশনে শরদ পাওয়ার (Sharad Pawar)। সফল হয়েছিলেন নিজের লক্ষ্যে।

আজ থেকে প্রায় ৪৪ বছর আছে মহারাষ্ট্রের রাজনীতিতে এক অদ্ভুত পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। অনেকটা এখনকার মহারাষ্ট্রের রাজনৈতিক পরিস্থিতির মতো। তখনও মধ্যমণি ছিলেন শরদ পাওয়ার। ২০২২ সালে মহারাষ্ট্রের জোট সরকার রক্ষা করার জন্য দিন-রাত এক করছেন তিনি। ১৯৭৮ সালে এই শরদ পাওয়ারই ফেলেছিলেন কংগ্রেসের সরকার।

আটাত্তরে মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন বসন্তদাদা পাতিল; সরকার কংগ্রেসের। ক্ষমতা দখলের জন্য শরদ পাওয়ার জোট করে সরকার ফেলেছিলেন এবং নিজেই মুখ্যমন্ত্রী হয়েছিল। এখন যেমন শিবসেনা নেতারা শিবসেনার বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করেছেন, তখনও তেমনই। কংগ্রেসের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করেছিলেন এক দল কংগ্রেস নেতা। একনাথ শিন্ডে যে ভূমিকায় রয়েছে, চুয়াল্লিশ বছর আগে শরদ পাওয়ার ছিলেন এই একই ভূমিকায়।

আরও পড়ুন : রাজ্যে ফের খুন তৃণমূল নেতা,উত্তপ্ত এলাকা

১৯৭৮ সালের মহারাষ্ট্রে কীভাবে কংগ্রেস সরকারের পতন হয়েছিল? এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন কৃষ্ণরাও ভেগাদে। তৎকালীন বিদ্রোহী কংগ্রেস নেতার বক্তব্য অনুযায়ী, পাতিলের আমলে অপমানিত হতে হচ্ছিল কংগ্রেস নেতাদের। ধীরে ধীরে ক্ষোভ জমা হচ্ছিল। শরদ পাওয়ার চাপা ক্ষোভকে কাজে লাগিয়েছিলেন। ৩৮ জন বিধায়ক গিয়েছিলেন বসন্তদাদার সরকারের বিরুদ্ধে।

‘১৯৭৮ সালে বিদ্রোহীদের সরকার থেকে সরে আসার অন্যতম কারণ, তাঁদের অপমানজনক আচরণ করা হচ্ছিল। উপ-মুখ্যমন্ত্রী নাসিকরাও তিরপুদে, যিনি কংগ্রেস (আই) থেকে এসেছিলেন, তিনি প্রকাশ্যে মুখ্যমন্ত্রী পাতিল, শরদ পাওয়ার এবং তাঁর পরামর্শদাতা যশবন্তরাও চহ্বানের সমালোচনা করেছিলেন। তিরপুদে এমন কিছু বলছিলেন যা পাওয়ার এবং তাঁর ঘনিষ্ঠ সহযোগীরা মেনে নিতে পারছিলেন না। পাওয়ার বসন্তদাদা পাতিল গোষ্ঠীর মন্ত্রী ছিলেন’, ভেগাদে জানিয়েছেন।

‘১৯৭৮ সালের ১৮ জুলাই। তখন বিধানসভার বর্ষাকালীন অধিবেশন চলছিল। শরদ পাওয়ার রাজ্যপালের কাছে যান এবং ৩৮ জন বিধায়কের একটি নতুন দল গঠনের ব্যাপারে একটি চিঠি জমা দেন। অন্যান্য দলের সমর্থন সম্পর্কিত একটি চিঠি এবং আইনসভা দলের নেতা হিসাবে তাঁর নির্বাচন সম্পর্কিত আরও একটি চিঠি জমা দিয়েছিলেন। রাজ্যপাল তখন পাওয়ারকে মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে দায়িত্ব গ্রহণের জন্য আমন্ত্রণ জানান। বিধানসভায় যখন অধিবেশন চলছিল, পাওয়ার তখনই শপথ গ্রহণ করেছিলেন।’