‘কুঁজোর চিৎ হয়ে শোয়ার ইচ্ছে হয়’, মমতার গোয়া মন্তব্যের পাল্টা কটাক্ষ শুভেন্দু অধিকারীর

15
Suvendu Adhikari
গোয়া প্রসঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কটাক্ষ শুভেন্দু অধিকারীর।

মহানগর ডেস্ক: তৃণমূলের হয়ে গোয়াতে প্রচারে গিয়েছেন চার নেতা। তার মধ্যে রয়েছেন বাবুল সুপ্রিয়ও। কিন্তু সেখানে তাঁদের মিটিং করতে দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ তুলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সোমবার তিনি জানিয়েছেন, ‘বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলিতে তৃণমূলকে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছেনা। অসম, ত্রিপুরা, উত্তরাখণ্ড সব জায়গাতেই আমাদের আটকে দেওয়া হচ্ছে। গোয়াতেও ঠিক এমনটাই ঘটল।’ মুখ্যমন্ত্রীর এই মন্তব্যকে কটাক্ষ করেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলে উঠলেন, ‘কুঁজোর চিৎ হয়ে শোয়ার ইচ্ছে হয়’।

সোমবার গোসাবায় নির্বাচনী প্রচারে গিয়েছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। সেখানে গিয়েই সর্বভারতীয় এক সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে করোনা পরিস্থিতিতে মুখ্যমন্ত্রীর স্কুল-কলেজ খোলার সিদ্ধান্তে তীব্র প্রতিবাদ জানান তিনি। এমনকি মুখ্যমন্ত্রীর গোয়া মন্তব্য প্রসঙ্গে তিনি বলে ওঠেন, ‘ত্রিপুরা ও গোয়ায় নোটার থেকে কম ভোট পাবে তৃণমূল। যদি কুঁজোর চিত হয়ে শোয়ার ইচ্ছা হয়, আর গরুর গাড়িতে যদি হেডলাইট লাগাতে হয় সেদিন তৃণমূল কংগ্রেস ত্রিপুরায় খাতা খুলবে। সামনে পুরভোট, তৃণমূলকে চ্যালেঞ্জ করছি ত্রিপুরার সব আসনের প্রার্থী দিয়ে দেখাক…’

এর সঙ্গেই তিনি আরও যোগ করে বলে ওঠেন, ‘একটা সময় ওই দলের নেতা ছিলাম আমি। অসমের চার্জে ছিলাম। ওই দলটার মধ্যে কিছু নেই। এখানে তথাকথিত দুধেল গাই শওকত মোল্লা শাহজাহান আর পুলিশের এই দুটো পদ সরে গেলেই গোটাটাই শূন্য।’ উল্লেখ্য, আগামী ২৮ অক্টোবর গোয়া সফরে যাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। গত শনিবার সে কথা তিনি ট্যুইট করে জানিয়েছেন। এরই মধ্যে আজ শিলিগুড়ি থেকে বিজেপিকে হুঁশিয়ারি দিয়ে তৃণমূল সুপ্রিমো বলে ওঠেন, ‘বিজেপিকে বলবো এসব ভয় দেখিয়ে লাভ নেই। আমরা লড়াই করতে জানি। আমরা রাস্তায় চায়ের দোকানে বসে মিটিং করবো। প্রতিটি চায়ের দোকানে তৃণমূলের কর্মীরা ছড়িয়ে পড়বে। আমাদের দল রাস্তা থেকে উঠে এসেছে। তাই অনুমতি দেওয়া হোক আর না হোক, তাতে আমাদের কিছু এসে যায়না।’

তৃণমূলের গোয়া প্রচারের প্রসঙ্গে সাংবাদিক বৈঠকে বিজেপির মুখপাত্র শমীক ভট্টাচার্য বলেন, ‘আমরা তো গোয়া যাচ্ছি না। তৃণমূলের হাওয়া বদলের প্রয়োজন। পুজো করে তাঁরা ক্লান্ত।’