দেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে এবং স্বাধীনতার পরেও শিখ সম্প্রদায়ের অবদান অনস্বীকার্য: প্রধানমন্ত্রী মোদি

61

মহানগর ডেস্ক: শুক্রবার নিজ বাসভবনে ১০০ জন সদস্য বিশিষ্ট একটি শিখ প্রতিনিধি দলের উদ্দেশে বার্তা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। এদিন নরেন্দ্র মোদিকে একটি মেরুন রঙের পাগড়িও পরতে দেখা গিয়েছে।

তিনি এদিন বলেন,’ আমাদের গুরুরা আমাদের সাহস এবং সেবা শিখিয়েছেন। ভারতের মানুষ কোনো সম্পদ ছাড়াই বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে গিয়ে তাদের শ্রম দিয়ে সাফল্য অর্জন করেছে। এটাই আজ নতুন ভারতের চেতনা। নতুন ভারত সমগ্র বিশ্বে নিজের চিহ্ন রেখে চলেছে কারণ শিখ সম্প্রদায় ভারত এবং অন্যান্য দেশের মধ্যে সম্পর্কের একটি শক্তিশালী যোগসূত্র করেছে। স্বাধীনতা সংগ্রামের পাশাপাশি স্বাধীনতাত্তোর যুগেও শিখ সম্প্রদায়ের অবদান কখনই ভোলা যাবে না।’

এরপর তিনি আরও বলেন,’ গুরুদ্বারে যাওয়া, সেবায় সময় কাটানো, লঙ্গর খাওয়া এবং শিখ পরিবারের বাড়িতে থাকা। এটা আমার জীবনের খুব স্বাভাবিক অংশ।’

তারপর তাঁর সংযোজন,’ আমি সর্বদা ভারতীয় প্রবাসীদের জাতীয় রাষ্ট্রদূত হিসাবে বিবেচনা করেছি। তোমরা সবাই ভারতের বাইরে, ভারত মায়ের উচ্চকণ্ঠ, উচ্চ পরিচয়। ভারতের উন্নতি দেখে আপনার বুকও চওড়া হয়, মাথাও গর্বে উঁচু হয়ে যায়।’

প্রথম শিখগুরু গুরু নানক দেবের শিক্ষা সম্পর্কে বলতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী মোদি বলেন ,’ তিনি সমগ্র জাতির চেতনা জাগ্রত করেছেন, সমগ্র জাতিকে অন্ধকার থেকে বের করে এনেছেন এবং আলোর পথ দেখিয়েছেন। আমাদের গুরুরা পূর্ব থেকে পশ্চিমে, উত্তর থেকে দক্ষিণে সমগ্র ভারতে ভ্রমণ করেছেন, সর্বত্রই তাঁদের নিদর্শন, তাঁদের অনুপ্রেরণা, তাঁদের বিশ্বাস রয়েছে।’

সবশেষে তিনি বলেন,’ দেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে এবং স্বাধীনতার পরেও শিখ সমাজের অবদান অনস্বীকার্য। গোটা ভারত তার জন্য কৃতজ্ঞ। মহারাজা রঞ্জিত সিং-এর অবদানই হোক, ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে লড়াই হোক বা জালিয়ানওয়ালাবাগ, তাঁদের ছাড়া ভারতের ইতিহাস সম্পূর্ণ নয়, ভারতও সম্পূর্ণ নয়।’