করোনা সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে আনতে কেন্দ্রের নয়া অস্ত্র ‘স্পুটনিক লাইটে’র সিঙ্গল ডোজ, জরুরী ভিত্তিতে ব্যবহারে মিলল ছাড়পত্র

26

মহানগর ডেস্ক: বছরের শুরুতে করোনার তৃতীয় ঢেউ আছড়ে পড়েছিল গোটা দেশজুড়ে। জোর দেওয়া হয় করোনা টিকাকরনে। এই মুহূর্তে করোনা পরিস্থিতি কিছুটা হলেও, সামাল দেওয়া গিয়েছে। তবে টিকাকরণে ঝর আনাই লক্ষ্য কেন্দ্রের। জানা গিয়েছে, এখন স্পুটনিক লাইট ভ্যাকসিন সিঙ্গল ডোজের অনুমোদন দিয়েছে কেন্দ্র। টুইট করে খবরটি জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী মনসুখ মাণ্ডব্য।

কিছুদিন আগেই ড্রাগস কন্ট্রোলার জেনারেল অফ ইন্ডিয়ার কাছে করোনার ভ্যাকসিন হিসাবে রেজিস্টার করার জন্য প্রস্তাবটি জমা পড়েছিল। সংস্থার পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছিল, করোনার নয়া ভ্যারিয়েন্ট ওমিক্রনের বিরুদ্ধে অন্তত ৭৫ শতাংশ কার্যকরী হবে এই ভ্যাকসিন। দীর্ঘ পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে ডক্টর রেড্ডিস ল্যাবরেটরিতে তৈরি হয়েছে ‘স্পুটনিক লাইট ভ্যাকসিন’। ওষুধ প্রস্তুতকারক সংস্থা দ্বারা বলা হয়, এই ভ্যকসিন ৬ মাস আগে নেওয়া থাকলে করোনা প্রতিরোধে ১০০ শতাংশ কাজ করবে। সেই সমস্ত দিক ভাবনা-চিন্তা করেই এই ভ্যাকসিনকে অনুমোদন দিয়েছে কেন্দ্র। কিন্তু এই মুহূর্তে জরুরী ভিত্তিতে ব্যবহার করা হবে ভ্যাকসিনটি। রবিবার দিন সেই কথাটি টুইট করে জানালেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রকের তথ্য অনুযায়ী, এই মুহূর্তে নিয়ন্ত্রণে আনা গিয়েছে করোনার সংক্রমণ। তথ্য অনুযায়ী, কমেছে পজিটিভিটি রেটও। তবে এখনও সেভাবে নামেনি মৃতের হার। কিন্তু তার চেষ্টা প্রাণপণ করছে সরকার। এদিন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী করোনা মোকাবিলায় নবম ভ্যাকসিনের ছাড়পত্র মেলার খবর দিয়েছেন। এই মুহূর্তে এই ভ্যাকসিন ২৯টি দেশে অনুমোদন পেয়েছে। পাশাপাশি এই দেশের মাত্র পাঁচটি জায়গায় করা হয়েছে স্পুটনিক’ লাইভ ভ্যাকসিনের ট্রায়াল। যার মধ্যে কলকাতার একটি বেসরকারী হাসপাতাল রয়েছে।

পরীক্ষামূলকভাবে ভ্যাকসিন দেওয়ার পর কারোর শরীরে এখনও পর্যন্ত কোনও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা যায়নি। কোভিশিল্ড, কোভ্যাক্সিন ভারতের তৈরি দুটি টিকা খোলা বাজারে বিক্রির অনুমোদন দিয়েছিল ড্রাগস কন্ট্রোলার জেনারেল অফ ইন্ডিয়া। এমনকি বেঁধে দেওয়া হয়েছিল দাম। এরপর কয়েকটি প্রক্রিয়া শেষে শর্তসাপেক্ষে ওষুধের দোকানে মিলবে কোভিড টিকা। এদিকে জরুরি অবস্থাতে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে স্পুটনিক’ লাইটকে। সব মিলিয়ে করোনার ভ্যাকসিনের দ্বারাই এই মহামারীকে নিঃশ্বেসের পরিকল্পনা করেছে কেন্দ্র।