সপ্তাহের শুরুতে সামান্য নিম্নমুখী সংক্রমণের মাত্রা, উদ্বেগ বাড়াচ্ছে দৈনিক সুস্থতার হার

108

মহানগর ডেস্ক: সপ্তাহের শুরুতে সামান্য আশার আলো দেখাল দেশের কোভিড গ্রাফ। সংক্রমণের মাত্রা সামান্য নিম্নমুখী। এদিকে পাল্লা দিয়ে কমছে দৈনিক সুস্থতার হার। বাড়ছে অ্যাকটিভ কেসের পরিমাণও। যা চিন্তায় রাখছে চিকিৎসক মহলকে। স্বাস্থ্যমন্ত্রকের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, সোমবার নতুন করে দেশে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ৩১৫৭ জন। রবিবার যা ছিল ৩৩২৪-এ। সোমবার তার তুলনায় আক্রান্তের সংখ্যা আরও কিছুটা নিম্নমুখী।

পরিসংখ্যান বলছে, অ্যাকটিভ করোনা রোগীর সংখ্যা ১৯,৫০০। শতকরা হিসাব অনুযায়ী, অ্যাকটিভ কেস ০.০৫ শতাংশ। একদিনে করোনাকে হারিয়ে সুস্থ হয়েছেন ২ হাজার ৭২৩ জন মানুষ। মোট সুস্থ ব্যক্তির সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪,২৫,৩৮,৯৭৬-এ। এই মুহূর্তে এখনও পর্যন্ত করোনা মহামারীতে প্রাণ গিয়েছে ৫,২৩,৮৬৯ জনের। কড়া বিধি-নিষেধ ও করোনা টিকাকরণে জোর দিয়ে মহামারীকে নিয়ন্ত্রণে আনার প্রচেষ্টা করা হচ্ছে।

তার মধ্যেই আশঙ্কা করা হচ্ছে, করোনার চতুর্থ ঢেউ আসতে পারে। সব রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন প্রধানমন্ত্রী। জোর দেওয়া হয়েছে বয়স্কদের বুস্টার ডোজ ও ছোটোদের ভ্যাকসিনে। ইতিমধ্যে ১৮৯ কোটি ২৩ লক্ষের বেশি ডোজ দেওয়া হয়েছে। জানা গিয়েছে, খুব শীঘ্রই ৫ থেকে ১২ বছর বয়সীদের টিকাকরণ শুরু হবে। একদিকে দিল্লি-মহারাষ্ট্রের কোভিড গ্রাফ চিন্তায় রেখেছে স্বাস্থ্যমন্ত্রককে। এর মধ্যে চতুর্থ ঢেউ আছড়ে পড়ার আগে টিকাকরণকে সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে আনার হাতিয়ার হিসেবে ব্যাখ্যা দিয়েছে কেন্দ্র।