দিলীপকে ‘অশিক্ষিত’ বললেন সুজন, মান্নান তুলনা করলেন ফুলন দেবী ও পাগলের সঙ্গে

16
dilip mannan sujan

Highlights

  • হামলাকারীদের সমর্থন করেছেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ
  • সুজন চক্রবর্তী বলেন, দিলীপ ঘোষ কোনদিনও বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সুযোগ পাননি
  • মান্নান বলেন, দিলীপ ঘোষ একজন মানসিকভাবে অসুস্থ ব্যক্তি। তিনি পাগল। তাই তার মানসিক চিকিত্সা প্রয়োজন

নিজস্ব প্রতিনিধি: জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ুয়াদের আক্রান্ত ঘটনা পরোক্ষে হামলাকারীদের সমর্থন করেছেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। এই ঘটনায় অভিযোগের আঙুল উঠেছে এবিভিপি সমর্থকদের দিকে। যাদের পক্ষে সমর্থন দিতে শোনা গিয়েছে দিলীপকে। বিজেপি রাজ্য সভাপতির উত্তরে তীব্র প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন বাম পরিষদীয় দলনেতা সুজন চক্রবর্তী। আব্দুল মান্নানও বেনজির আক্রমণ করেছেন।

বিজেপি রাজ্য সভাপতির মন্তব্যের তীব্র নিন্দা করে সুজন চক্রবর্তী বলেন, ‘দিলীপ ঘোষ কোনদিনও বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সুযোগ পাননি। তাই তিনি জানেন না বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়মকানুন। এবং সেখানকার ছাত্র-ছাত্রীদের সম্বন্ধে তিনি অবগত নন।’ এর পরেই এদিন দিলীপ ঘোষকে আক্রমণ করে সুজন চক্রবর্তী বলেন, ‘দিলীপ ঘোষ একজন অশিক্ষিত মানুষ। বামপন্থা বোঝার মত বুদ্ধি নেই। কারণ বামপন্থা বোঝার জন্য শিক্ষার প্রয়োজন হয়। সেটা একদমই তার মধ্যে নেই। তাই তার মতো একজন অশিক্ষিত মানুষের কাছ থেকে এই রকমই বক্তব্যই পাওয়া যায়।’

অন্যদিকে এদিন একইভাবে দিলীপ ঘোষের বক্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ করেন কংগ্রেস নেতা আব্দুল মান্নান। এদিন দিলীপ ঘোষের বক্তব্য প্রসঙ্গে তাকে ‘পাগল’ বলে আক্রমণ করেন তিনি। মান্নান বলেন, ‘দিলীপ ঘোষ একজন মানসিকভাবে অসুস্থ ব্যক্তি। তিনি পাগল। তাই তার মানসিক চিকিত্সা প্রয়োজন।’ তার কথায়, ‘ফুলন দেবী ও একসময় এমপি হয়েছিলেন। কিন্তু এর থেকে বেশি দূর এগোতে পারেননি। সেরকমই দিলীপ ঘোষ ও একজন এমপি হয়ে গিয়েছেন। তার মানে এই নয় যে তার বিশাল কিছু যোগ্যতা রয়েছে। দিলীপ ঘোষকে একজন মানসিক রোগী এই কথা সবাই জানেন। তাই তার কথা কেউ শোনে না।’

প্রসঙ্গত, জেএনইউ-তে বামপন্থী ছাত্রদের ওপর এবিভিপি ছাত্রদের হামলার অভিযোগ প্রসঙ্গে বিস্ফোরক মন্তব্য করতে শোনা যায় দিলীপকে। তিনি বলেন, ‘এবার বামেদের মার খাওয়ার সময় এসেছে। এমন ঘটনা পরে আরও ঘটবে। জেনইউয়ে অশান্তির মূলে বামেরাই। বছরের পর বছর ধরে গন্ডগোল পাকাচ্ছে বামেরা। এবার বামেদের মার খাওয়ার সময় এসেছে। এমন ঘটনা পরে আরও ঘটবে। বামেরা মার খেলেই যত গোলমাল হয়। কিন্তু বিভিন্ন রাজ্যে যখন এবিভিপি মার খায় কেউ পথে নামেন না। বামেদের মার খাওয়ার সময় এসেছে।’