প্রাইমারী বিক্ষোভকারিদের পাশে দাঁড়ালেন সুজন, শিক্ষা দফতরে পাঠালেন চিঠি

41

ডেস্ক: একদিকে যেমন প্রাইমারীর বিক্ষোভকারিদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশের লাঠিচার্জ। তখন বিক্ষোভকারিদের পাশে দাঁড়ালেন পাশে দাঁড়ালেন রাজ্য বাম নেতা সুজন চক্রবর্তী। তিনি জানিয়েছিলেন, বিক্ষোভকারিদের দাবি পেশ করবেন রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের কাছে। সেই মতো শিক্ষামন্ত্রীর কাছে চিঠি পাঠালেন রাজ্যের এই বাম নেতা। সুত্র মারফত জানা গিয়েছে, সুজন চক্রবর্তীর তাঁর চিঠিতে তুলে ধরেছেন বিক্ষোভকারিদের একাধিক দাবি। মনে করা হচ্ছে চারটি দাবি তুলে ধরা হয়েছে সেই চিঠিতে। উল্লেখ্য, তিন বছর আগে ২০১৫ সালের ১৬ অগস্ট আপার প্রাইমারী টেস্টের পরীক্ষা হয়। পরের বছর অর্থাৎ, ২০১৬ সালে পরীক্ষা পরবর্তি ভাইভা পরীক্ষার জন্য ফর্ম প্রকাশ করা হয়। এরপর চলতি বক্সহর জুন মাসে প্রকাশিত হয় ভেরিফিকেশন ফল। এরপর অবশ্য আর এগোয়নি প্রাইমারীতে নিয়োগ প্রক্রিয়া। ধীরেধীরে প্রার্থীদের মধ্যে শুরু হয় বিক্ষোভ।

উল্লেখ্য, গতকাল একপ্রস্থ বিক্ষোভের পর এদিন প্রায় ৩৫ জনের একটি দল বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। তাদেরকেই ছত্রভঙ্গ করতে শেষমেশ পুলিশের লাঠিচার্জ। যদিও এদিনের ঘটনায় পুলিশের তরফ থেকে কোনও রকম মন্তব্য পাওয়া যায়নি বলেই খবর।

উল্লেখ্য, ঘটনার সুত্রপাত গতকাল। শূন্য স্থানে নিয়োগ এবং ততক্ষণাৎ ভেরিফিকেশনের দাবিতে স্কুল সার্ভিস কমিশিনের দ্বারস্থ হয়েছিলেন বিক্ষোভকারিরা তথা প্রাইমারী প্রার্থীরা। চেয়ারম্যান নাকি তাদের আশ্বস্ত করে জানিয়েছিলেন, আগামী ১৬ ফেব্রুয়ারি ভেরিফিকেশনের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে হবে। সেই সঙ্গে আগামী ২০ ফেব্রুয়ারির মধ্যে শুরু করা হবে ভেরিফিকেশনের কাজও। যদিও চেয়ারম্যানের সেই প্রতিশ্রুতিতে বিশ্বাস রাখতে পারেননি তাঁরা।

একাংশের অভিযোগ, এর আগেও একাধিক প্রতিশ্রুতি তাদের দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু আদৌ তা বাস্তবায়িত করা হয়নি। প্রার্থীরা উপস্থিত হন বিকাশ ভবনে। সকাল ১১টা নাগাদ আচার্য সদনের স্মনে বিক্ষোভে বসেন প্রার্থীরা। ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয় পুলিশ। বিক্ষোভ তুলে নেওয়ার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়। রাতের দিকে সেই বিক্ষোভ উঠেও যায়। কিন্তু শুক্রবার ফের শুরু হয় বিক্ষোভ। ছত্রভঙ্গ করতে শেষমেশ পুলিশের লাঠিচার্জ।