প্রশান্তের জেড ক্যাটেগরির সঙ্গে জনসাধারণের সম্পর্ক নেই! মমতাকে তুলোধনা সুজনের

6
kolkata news

Highlights

  • প্রশান্ত কিশোরকে জেড ক্যাটেগরির নিরাপত্তা দেওয়া নিয়ে এবার প্রশ্ন তুললেন বাম পরিষদীয় নেতা
  • মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতার জন্য কি একজন নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন!
  • রাজ্য সরকারের তীব্র সমালোচনাও করেছেন সুজন চক্রবর্তী

মহানগর ওয়েবডেস্ক: ভোট কুশলী প্রশান্ত কিশোরকে জেড ক্যাটেগরির নিরাপত্তা দেওয়া নিয়ে এবার প্রশ্ন তুললেন বাম পরিষদীয় নেতা সুজন চক্রবর্তী। টুইট করে রাজ্য সরকারের তীব্র সমালোচনাও করেছেন সুজন চক্রবর্তী। মঙ্গলবার সুজন টুইটারে লিখেছেন, ‘প্রশান্ত কিশোরকে কি জেড ক্যাটেগরির সুরক্ষা দেওয়া হচ্ছে? তাও আবার রাজ্য সরকারের টাকায়? কেন? এর সঙ্গে তো বাংলার সাধারণ মানুষের কোনও সম্পর্ক নেই। এটা কি অমিত শাহর জন্য করা হয়েছে? মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতার জন্য কি একজন নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন! অত্যন্ত শোচনীয়!’

প্রসঙ্গত, প্রশান্ত কিশোর এখন এ রাজ্যে শাসক তৃণমূলের নির্বাচনী পরামর্শদাতা। লোকসভা ভোটের পর থেকে তৃণমূলের এই কাজের দায়িত্ব নিয়েছেন তিনি। মাস ছয়েক তাঁর পরামর্শেই রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক কর্মসূচি চালাচ্ছে তৃণমূল। তাঁর নিরাপত্তার প্রয়োজনীয়তা বিবেচনা করেই পুলিশ থেকে এই নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে বলে সরকারি সূত্রের খবর। পরামর্শদাতা হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পরেই তিন বিধানসভা আসনের উপ-নির্বাচনে শাসকদলকে জয় এনে দিয়েছেন দেশের অন্যতম সফল ভোট কুশলী। তৃণমূলের আশঙ্কা, রাজ্যে আগামী বিধানসভা ভোটের আগেই আক্রান্ত হতে পারেন তিনি। এমনকি প্রাণ সংশয়ের সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। তাই কোনও ঝুঁকি না নিয়ে তাঁকে বিশেষ নিরাপত্তা দিতে চলেছে রাজ্য।

গত কয়েক বছর ধরেই ভারতীয় ভোট রাজনীতিতে আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছেন প্রশান্ত কিশোর। রাজনৈতিক মহলের মতে, তাঁর রণনীতির উপরে ভর করে ২০১৪ সালে দেশের প্রধানমন্ত্রীর কুর্সিতে বসেছিলেন নরেন্দ্র মোদী। যদিও বিজেপি নেতৃত্বের সঙ্গে প্রশান্তের সুসম্পর্ক বেশিদিন টেঁকেনি। বিজেপির সঙ্গে সম্পর্ক ত্যাগ করার পরেই কার্যত দেশের প্রধান বিরোধী দলগুলির নেতাদের কাছের মানুষ হয়ে উঠেছেন তিনি। বিহারে ২০১৫ সালে জেডিইউ-আরজেডি-কংগ্রেস জোটের ক্ষমতা দখলের নেপথ্য কারিগর ছিলেন প্রশান্ত কিশোর ওরফে পিকে। তার পরে পঞ্জাব, অন্ধ্রপ্রদেশ, এবং সদ্য সমাপ্ত দিল্লি বিধানসভা ভোটেও তিনি বিজেপির ক্ষমতা দখলের স্বপ্ন দুঃস্বপ্নে পরিনত করেছেন। যেখানেই হাত রাখছেন, সেখানেই যেন সোনা ফলছে।