মতের মিল না হলে সংগঠনের মধ্যে বলতে হয়, ‘বেসুরো’দের বার্তা সুকান্তের

5

নিজস্ব প্রতিনিধি: মতের মিল না হলে সংগঠনের মধ্যে বলতে হয়। সংবাদ মাধ্যম মারফৎ দলের বেসুরো নেতাদের এমনই বার্তা দিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। এই সমস্যা যে অচিরেই মিটে যাবে, সে ব্যাপারেও আশাবাদী তিনি। বলেন, এটা অভ্যন্তরীণ সমস্যা। আমরা নিরাময় করে নিতে পারব।

দলের নয়া কমিটিতে মতুয়াদের জায়গা হয়নি, এমনই অভিযোগ তুলে দলের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ ছাড়েন ৫ মতুয়া বিধায়ক। বনগাঁর সাংসদ তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শান্তনু ঠাকুরও গ্রুপ ছেড়ে বেরিয়ে যান। শনিবার কলকাতায় পোর্ট ট্রাস্টের গেস্ট হাউসে বৈঠক করলেন জয়প্রকাশ মজুমদার, সায়ন্তন বসু, রীতেশ তিওয়ারিরা। বৈঠকে যোগ দিয়েছিলেন শান্তনুও। বৈঠক শেষে দলীয় নেতৃত্বের বিরুদ্ধে একরাশ ক্ষোভও উগরে দেন শান্তনু। বলেন, ওপরের নেতৃত্বকে ভুল বার্তা দিয়ে কমিটি গঠন করা হয়েছে। ৯০ শতাংশকে বাদ রেখে কীভাবে কমিটি গঠন করা হল? আমরা এর বিরোধিতা করছি। একজন ব্যক্তি গোটা দলকে হাতে রাখতে চাইছেন। সংগঠনের একজন নেতা দলের পক্ষে ক্ষতিকর। অভিজ্ঞ ব্যক্তিদের সরিয়ে কমিটিগুলি হস্তগত করছেন। একজনের জন্য দলের ক্ষতি মেনে নেওয়া যায় না।

ঘটনার প্রেক্ষিতে সুকান্ত বলেন, এটা ওঁর ব্যক্তিগত মতামত। দল এই মতের সঙ্গে সহমত পোষণ করে বলে মনে করি না। আমাদের দল রেজিমেন্টেড পার্টি। কিন্তু আপনি ব্যক্তিগত মত প্রকাশ করতে পারবেন না, এমন দল নয়। উপযুক্ত জায়গা আছে, উপযুক্ত পরিসর আছে। আমাদের কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব আছে। যাঁদের খুব সহজে ছোঁয়া পাওয়া যায়। সেখানে বললে সুরাহাও আছে।