Supreme Court: অহেতুক উত্তেজনা তৈরি করার চেষ্টায় ছিল কিছু মানুষ: গুজরাট দাঙ্গা মামলার রায়ে সুপ্রিম কোর্ট

93

মহানগর ডেস্ক: বর্তমান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রীর থাকাকালীন ২০২২ সালে আচমকাই হামলা চলে আমেদাবাদের গুলবার্গ সোসাইটিতে। এই গুলবার্গ সোসাইটি ছিল সেই সময়কার উচ্চবিত্তদের বসবাসের জায়গা। আর এই হামলাতেই প্রাণ হারিয়েছিলেন তৎকালীন গুজরাটের কংগ্রেস নেতা এহসান জাফরি। আর তারপর থেকেই এই ঘটনা নিয়ে শুরু হয় তোলপাড় কাণ্ড। মৃত কংগ্রেস নেতার স্ত্রী জাকিয়া জাফরি (Zakia Jafri), এই ঘটনাকে পরিকল্পনামাফিক ষড়যন্ত্র বলে সুপ্রিম কোর্টে গিয়েছিলেন। শুক্রবার এই মামলা ষড়যন্ত্রের দাবি খারিজ করে দিল দেশের সর্বোচ্চ আদালত। সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court) জানায়, নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi) সহ তৎকালীন রাজ্যের ৫৮ জন মন্ত্রী নিরপরাধ। এই ঘটনা রাজনৈতিক প্রতিহিংসার নয়। অহেতুক উত্তেজনা তৈরি করার চেষ্টায় ছিল কিছু মানুষ।

আরও পড়ুন: মন চাইলেই মিলন নয়, জেনে নিন সঙ্গমের প্রকৃত সময়

২০২২ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে আমেদাবাদের গুলবার্গ সোসাইটিতে আচমকাই সন্ধ্যের দিকে বিস্ফোরণ ঘটে। যেখানে আগুনে পুড়ে গিয়ে মৃত্যু হয়েছিল ৬৯ জন। আর তাঁদের মধ্যে ছিলেন কংগ্রেস নেতা এহসান জাফরিও। সেই সময় কংগ্রেস নেতার স্ত্রী বেশ কয়েকজনের বিজেপি নেতা তথা শাসক দলের নেতা মন্ত্রীদের বিরুদ্ধে আঙ্গুল তুলে থানায় এফআইআর দায়ের করতে গিয়েছিলেন। কিন্তু পুলিশ তাঁর এফআইআর গ্রহণ করে না।

এমন পরিস্থিতিতে তিনি গুজরাট হাইকোর্টের দ্বারস্থ হলে আদালত তাঁর আবেদন ফিরিয়ে দেয়। এরপরই ২০০৮ সালে তিনি দ্বারস্থ হন সুপ্রিম কোর্টের। সেই সময় তিনি আবার নতুন করে গুলবার্গ মামলার তদন্তের দাবি জানান। আদালত কংগ্রেস নেতার স্ত্রীয়ের আবেদন গ্রহণ করে নতুন করে এই মামলার তদন্ত চালু করার জন্য সিট গঠনের নির্দেশ দেয়।

২০১০ সালে গুলবার্গ মামলার তদন্ত করে সিটের অফিসাররা আদালতকে জানিয়ে দেয়, কংগ্রেস নেতা এহসান জাফরির স্ত্রীয়ের আবেদন যৌক্তিক নয়। কারণ সেই সময়ে গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সহ বেশকিছু মন্ত্রীর বিরুদ্ধে তোলা অভিযোগ যথাযথ নয়। এমন পরিস্থিতিতে আদালত বর্তমান প্রধানমন্ত্রী সহ অন্যান্য গুজরাটের মন্ত্রীদের ক্লিনচিট দিয়ে দেয়।

কিন্তু নরেন্দ্র মোদির সহ গুজরাটের তৎকালীন ৫৮ জন মন্ত্রীকে দেওয়া, ক্লিনচিট নিয়ে প্রশ্ন তুলে নতুন করে সুপ্রিম কোর্টে প্রশ্ন তুলেছিলেন। সেই মামলার শুনানি হয় এদিন। আদালতে এদিন স্পষ্টতই জানিয়ে দেয়, গুলবার্গের ঘটনা কোনও রাজনৈতিক প্রতিহিংসার নয়।