BSF-র কাছে ক্ষমা চাইলেন শুভেন্দু অধিকারী ll সীমান্তরক্ষীদের যে মন্তব্য করা হয়েছে তা লজ্জাজনক: দিলীপ ঘোষ

9
Dilip And Suvendu
বিএসএফ ইস্যু নিয়ে দিলীপ-শুভেন্দু একযোগে হলেন সোচ্চার।

মহানগর ডেস্ক: চলতি সপ্তাহে বিএসএফ ইস্যু নিয়ে বিধানসভা অধিবেশন উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল। তৃণমূল বিধায়ক উদয়ন গুহ বিএসএফ প্রসঙ্গ তুলে তির্যক পূর্ণ মন্তব্য করায় পারদ তুঙ্গে ওঠে। সেই বিএসএফ ইস্যু নিয়ে এবার মন্তব্য করলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তিনি জানিয়েছেন, আমরা বিএসএফের কাছে ক্ষমাপ্রার্থী। রাজ্যের নেতা-মন্ত্রীরা বিএসএফকে অপমান করেছে। আর সেই কারণেই আমরা বিএসএফের কাছে ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি। বাংলা সহ গোটা দেশের সুরক্ষার দায়িত্বে রয়েছে এই বিএসএফ। তাই বিএসএফের এক্তিয়ার বাড়িয়েছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। সীমান্তরক্ষা বলে নিউটাউনের দপ্তরে গিয়ে বৃহস্পতিবার এমনটাই মন্তব্য করেছেন বিজেপি নেতা।

একইসঙ্গে বিএসএফ ইস্যু নিয়ে সোচ্চার হয়েছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি দিলীপ ঘোষ। তিনি জানিয়েছেন, বিএসএফের সম্পর্কের রাজ্যের নেতারা যে ধরনের মন্তব্য করেছে তাতে প্রাণ হাতে নিয়ে লড়াই করছেন তাঁরা। তাঁদের তোলাবাজ বলছে, মনে করা হচ্ছে যে যেন আমরা বাংলাদেশের রয়েছি, আর বিএসএফ দেশ দখল করতে আসছে। ভারত থেকে আলাদা করে দেওয়া হচ্ছে বাংলাকে। বিএসএফের আধিকারিকদের সাংবাদিক সম্মেলনে ডেকে প্রতিবাদ করতে হচ্ছে। বিষয়টি খুবই লজ্জাজনক। রাজ্য বিএসএফ ও সিআইএসএফ এর ওপর ভরসা না থাকলেও তাদের ওপর কোর্টের আস্থা আছে।

উল্লেখ্য, বুধবার সংবাদিক বৈঠক করে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করে দিয়েছিল BSF। জানানো হয়েছিল, কেন্দ্র এক্তিয়ার বাড়ালেও অতিরিক্ত কোনও ক্ষমতা দেওয়া হয়নি বিএসএফকে। তাঁদের ক্ষমতা খুবই সীমিত। পরিসর বাড়লেও হস্তক্ষেপ করার কোনও অধিকার নেই তাঁদের। একই সঙ্গে বিএসএফের এক আধিকারিক নীরবতা ভেঙে জানিয়েছেন, রাজ্য পুলিশের সঙ্গে বিএসএফের সম্পর্ক খুবই ভালো। রাজ্য পুলিশের সঙ্গে একাধিক সময় যৌথ অভিযান চালায় বিএসএফ। অনুপ্রবেশকারী কিংবা চোরাচালান একই সঙ্গে তাঁরা অভিযান চালিয়ে সাফল্য লাভ করেছে।

প্রসঙ্গত, সম্প্রতি কেন্দ্রের তরফ থেকে বিএসএফের এক্তিয়ার বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। ১৫ কিলোমিটার জায়গায় ৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত বিএসএফের এক্তিয়ার বাড়ানো হয়েছে। যা দেশের তিন রাজ্যে করা হয়েছে। আর এর পরেই কেন্দ্র বিরোধী দলগুলি ক্ষোভে ফেটে পড়ে।