সৌদিতে নিষিদ্ধ তবলিঘি জামাত, নিষেধাজ্ঞা ‘দাওয়া’য়ও

26

নিজস্ব প্রতিনিধি: তবলিঘি জামাতকে নিষিদ্ধ করল সৌদি আরবের সরকার। সে দেশের মন্ত্রী সোশ্যাল মিডিয়া মারফত একথা জানিয়েছেন। এর পাশাপাশি জুম্মার নমাজে তবলিঘি জামাত নিয়েও মানুষকে সতর্ক করে দিতে মসজিদের ইমামদেরও নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।

করোনার প্রথম ঢেউয়ের সময় দিল্লিতে তবলিঘি জামাত নিয়ে তোলপাড় হয়েছিল গোটা ভারত। অভিযোগ উঠেছিল, বিদেশ থেকে আসা তবলিখি জামাতের সদস্যরা দিল্লির নিজামুদ্দিন মারকাজ থেকে করোনা ছড়িয়েছেন। এবার সেই জামাতই নিষিদ্ধ করেছে সৌদি আরব সরকার।

তবলিঘি জামাতের পাশাপাশি নিষিদ্ধ করা হয়েছে দাওয়া নামে একটি সংগঠনকেও। এদিন সৌদি আরবের ইসলামিক অ্যাফেয়ার্স দফতরের মন্ত্রী আবদুল লতিফ আল শেখ সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি পোস্ট করে ওই ঘোষণা করেছেন। ফি শুক্রবার জুম্মান নামাজ হয়। এই নমাজে তবলিঘি জামাত নিয়েও মানুষকে সতর্ক করে দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে মসজিদের ইমামদের।সরকারের দাবি, তবলিঘি জামাত হল সন্ত্রাসবাদের প্রবেশ পথ। দাওয়া নামের সংগঠনকে নিষিদ্ধ করার কারণ হিসেবে মন্ত্রী জানান, মসজিদের ইমামদের তাঁদের ভাষণে উল্লেখ করা উচিত এরা কীভাবে সমাজের পক্ষে বিপজ্জনক। সরকারের তরফে জানানো হয়, যেহেতু তবলিঘি জামাত সন্ত্রাসবাদের একটি প্রবেশপথ, সেহেতু এদের বিপদ সম্পর্কে মানুষকে বোঝান। এদের ভুলগুলো তুলে ধরুন।

তবলিঘি জামাত ও দাওয়া দুটিই সুন্নি মুসলিমদের সংগঠন। আর সৌদির সিংহভাগ মানুষ আহলে হাদিস মতাদর্শের অনুসারী। এই দুই শিবিরের একটা চাপা সংঘাত রয়েছে। গোটা বিশ্বে তাদের প্রায় ৪০০ মিলিয়ন অনুসারি রয়েছে বলে দাবি সংগঠনের। সংগঠনটির দাবি, তাদের লক্ষ্যই হল ধর্মীয় বিষয়ের ওপর জোর দেওয়া। এবং অত্যন্ত কড়াভাবে রাজনীতি এড়িয়ে চলা। যেহেতু সৌদির বেশিরভাগ মানুষ সুন্নি অনুসারী নন, তাই এই নিষেধাজ্ঞার ঘোষণায় কোনও অশান্তির খবর মেলেনি।