ভূগোল জানেন না নেতারা, গেরুয়া অন্দরে ধূমায়িত ক্ষোভ!

10

নিজস্ব প্রতিনিধি: ২২ জানুয়ারি রাজ্যের চার পুরসভার ভোট। তার আগে দায়িত্ব দিয়ে জেলায় জেলায় বিভিন্ন জোনের দায়িত্বে যাঁদের নিয়ে আসা হয়েছে, তাঁদের অধিকাংশেরই জেলা সম্পর্কে সম্যক ধারণা নেই। অন্ততঃ এমনই অভিযোগ উঠছে গেরুয়া অন্দরে। জেলার সম্পর্কে যাঁদের ঠিকঠাক ধারণা নেই, তাঁরা কীভাবে ভোট করাবেন? উঠছে প্রশ্ন।

হুগলির সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায়কে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বর্ধমান বিভাগের। আসানসোলের বিধায়ক অগ্নিমিত্রা পালকে দেওয়া হয়েছে কলকাতার দায়িত্ব। হাওড়ার এক নেতা পেয়েছেন মেদিনীপুর বিভাগের দায়িত্ব। আর কলকাতার এক নেতাকে দেওয়া হয়েছে উত্তরবঙ্গের দায়িত্ব।

দলের রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার ও (সংগঠন) সম্পাদক অমিতাভ চক্রবর্তী রাজ্য কমিটি গঠন করেছেন। তা নিয়ে ক্ষোভ-বিক্ষোভ চরমে। যাঁদের বিভিন্ন বিভাগের ইনচার্জ করা হয়েছে,  তাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগের অন্ত নেই। চন্দননগর পুরসভার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে দলের অন্যতম রাজ্য সম্পাদক প্রাক্তন সভাপতি নবারুণ নায়েককে। নবারুণ ভালো করে হুগলি জেলা চেনেন না বলেই অভিযোগ। হুগলি ও মেদিনীপুরের জোন ইনচার্জ করা হয়েছে দীপক বর্মন ও মনোজ পান্ডেকে। এই দুই নেতার কাছে হুগলি এবং মেদিনীপুর সম্পর্কে স্পষ্ট কোনও ধারনাই নেই। ওই জেলার নেতা-কর্মীদের বক্তব্য, তাঁদের সময় লাগবে জেলা চিনতে। কলকাতা জোনের ইনচার্জ করা হয়েছে আসানসোলের বিধায়ক অগ্নিমিত্রা পালকে। জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়কে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে দক্ষিণ ২৪ পরগনা জোনের। দুজনেই কলকাতা ও দক্ষিণ ২৪ পরগনায় কখনওই সংগঠন করেননি। শিলিগুড়ির জোন ইনচার্জ হয়েছেন সঞ্জয় সিং। তিনি কখনও উত্তরবঙ্গে রাজনীতি করেননি। উত্তর ২৪ পরগনা বিভাগের ইনচার্জ করা হয়েছে বিধায়ক অশোক দিন্দাকে। হুগলি বিভাগের ইনচার্জ করা হয়েছে প্রিয়াঙ্কা টিব্রেওয়ালকে। অনুপম মল্লিককে পাঠানো হয়েছে পুরুলিয়া বিভাগের দায়িত্বে।