তৃণমূল সরকারের দুটি দপ্তর, একটি কাটমানি ও অন্যটি ভাতা: শুভেন্দু অধিকারী

19
Suvendu Adhikari
শান্তিপুরে প্রচারে বেরিয়ে রাজ্য সরকারকে কটাক্ষ শুভেন্দু অধিকারীর। - নিজস্ব চিত্র

নিজস্ব প্রতিনিধি, নদিয়া: আগামী ৩০ অক্টোবর রাজ্যের চার কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হবে উপনির্বাচন। এর আগে ৩০ সেপ্টেম্বর রাজ্যের ৩ কেন্দ্রে হয়ে গিয়েছে ভোট। যেখানে ঐতিহাসিক জয়লাভ করেছে তৃণমূল। এবার আগামী উপ-নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কোমর বেঁধে ময়দানে নেমে পড়েছে শাসক-বিরোধী দুই পক্ষই। রবিবার শান্তিপুরে বিজেপি প্রার্থীর সমর্থনে নির্বাচনী প্রচার করতে এসে আবারও বর্তমান রাজ্য সরকারকে বিঁধলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা। তিনি জানিয়েছেন, ‘বর্তমানে তৃণমূলের প্রধান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের দুটো দপ্তর কাজ করে। একটি ভাতা বিতরণ দপ্তর এবং আরেকটি কাটমানি দপ্তর।’

তিন কেন্দ্রের উপনির্বাচনের পাশাপাশি শান্তিপুর বিধানসভা কেন্দ্রেও হতে চলেছে উপ-নির্বাচন। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী শান্তিপুরের বিজেপি প্রার্থী নিরঞ্জন বিশ্বাসের সমর্থনে এর আগেও প্রচার করতে এসেছিলেন। এদিন বিভিন্ন বুথে বুথে গিয়ে প্রচার করেন তিনি। এর পরই সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে রাজের তৃণমূল কংগ্রেস সরকারকে আক্রমণ করেন।

একইসঙ্গে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে কটাক্ষের সুরে বিদ্ধ করে তিনি জানান, ‘কয়েকদিন আগে চিটফান্ড কাণ্ডের তিনি সিবিআই অফিসারদের হাতে পায়ে ধরেছিলেন। তাই তিনি যতই চুপ থাকবেন ততই ওনার পক্ষে ভালো। না হলে আবারও সিবিআইয়ের ডাক পড়তে পারে।’ এর পাশাপাশি বাংলাদেশের ঘটনা নিয়ে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আক্রমণ করেন তিনি। এই প্রসঙ্গে তিনি জানিয়েছেন, ‘বাংলাদেশে হিন্দুরা যেভাবে অত্যাচারিত হচ্ছে, প্রতিমা ভেঙে দেওয়া হচ্ছে, তা খুবই দুঃখজনক ঘটনা। কিন্তু মমতা ব্যানার্জি এই বিষয় চুপ করে আছেন। কারণ তাঁর দুধেল গাইরা এই ঘটনার পিছনে জড়িত রয়েছে।’

এমনকি অনুপ্রবেশের বিষয়েও বিজেপি নেতা জানিয়েছেন, ‘স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর দপ্তর থেকে বিএসএফের ক্ষমতা আরও বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। তার ফলে সীমান্তবর্তী এলাকায় যেখানে বিএসএফের হাতে ১৫ কিলোমিটার ক্ষমতা ছিল, সেখানে ক্ষমতা বেড়ে হয়েছে ৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত। এর ফলে অনুপ্রবেশকারীদের প্রতিরোধ করা যাবে, কারণ রাজ্য পুলিশ এবং বর্তমান রাজ্য সরকারের কারণেই কাঁটাতার পেরিয়ে বহু মানুষ এদেশে ঢুকেছে।’