ক্রমেই জোরালো হচ্ছে বিজেপি শিবিরের অন্তর্দ্বন্দ্ব!

14

নিজস্ব প্রতিনিধি: ক্রমেই জোরালো হচ্ছে বিজেপি শিবিরের অন্তর্দ্বন্দ্ব! বিদ্রোহ দমনে ভেঙে ফেলা হয়েছে বিজেপি সব কটি কমিটিও। তদন্তের আশ্বাস দিয়েছেন বিজেপি নেতৃত্ব।

দিলীপ ঘোষের পর এবার রাজ্য বিজেপির মুখপাত্র শমীক ভট্টাচার্য। বিক্ষুব্ধদের সমর্থনেই আওয়াজ তুললেন এই নেতাও। তিনি বলেন, ওই নেতারা দলের রক্ত-মাংস। বিজেপির যখন এক শতাংশ ভোট ছিল, তখনও এঁরা পেতেন। শমীক বলেন, এঁদের বাদ দিয়ে বিজেপি নয়।

সম্প্রতি রাজ্য বিজেপি গঠিত কমিটিতে ঠাই হয়নি অনেকের। ঘটনায় ক্ষুব্ধ মতুয়া সম্প্রদায়ের লোকজন। ঘঠনার জেরে বিজেপির পাঁচ বিধায়ক ত্যাগ করেন বিজেপির হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ। পরে পদত্যাগ করেন মতুয়া সম্প্রদায়ের লোকজন। তারই কিছুক্ষণ পরে গ্রুপ থেকে বেরিয়ে যান মতুয়া বাড়ির সাংসদ শান্তনু ঠাকুর। অসন্তোষের কথা দলীয় নেতৃত্বকে জানানোর চেষ্টা করেন বীরভূমের কয়েকজন বিজেপি নেতা। তার জেরেও হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ ছাড়েন বীরভূমের কয়েকজন নেতা। সব মিলিয়ে রাজ্য বিজেপির অন্দরে পুঞ্জীভূত হয় রাশিকৃত ক্ষোভ। এর পরেই বিদ্রোহ দমন করতে ভেঙে দেওয়া হয় বিজেপির সব সেল। এদিকে, মতুয়া প্রতিনিধি না থাকার বিষয়টি নিয়ে গত কয়েকদিন ধরে বৈঠক করছেন মুকুটমণি অধিকারী, রীতেশ তিওয়ারি, জয়প্রকাশ মজুমদার, প্রতাপ বন্দ্যোপাধ্যায়, শান্তনু ঠাকুর প্রমুখ। বৈঠক হয়েছে কখনও শান্তনুর বাড়িতে, কখনও বা জয়প্রকাশের বাড়িতে। বৈঠক হয়েছে প্রতাপের বাড়িতেও।

ওই নেতারা কী সমান্তরালভাবে দল করছেন? শমীক বলেন, কোনও সমান্তরালের বিষয় নেই। যাঁদের নাম বলা হচ্ছে, তাঁরা বিজেপিতেই সম্পৃক্ত। তাঁরা বৈঠক করে থাকলে দলকে সংঘবদ্ধ রাখার জন্য করেছেন। যাঁরা এখন কমিটিতে নেই, তাঁদের সংঘবদ্ধ রাখার চেষ্টা করছেন।