‘জাদুঘরে নিজেদের নাম খোদাই করার চ্যালেঞ্জ নিয়েছে বামেরা’, কটাক্ষ তৃণমূলের

38
CPM
শাসক দলের মুখপত্রে এবার সিপিএমকে নিশানা তৃণমূলের।

মহানগর ডেস্ক: বেশ কিছুদিন ধরেই নিয়ম করে তৃণমূলের মুখপত্রে কংগ্রেসকে তুলোধোনা করা হচ্ছে। কংগ্রেসের নীতি, তাঁদের মানসিকতা, তাঁদের কর্মসূচি এবং তাঁদের এত বছরের যাত্রায় কোথায় কি ভুল ছিল তাই নিয়েই বারবার প্রশ্ন তোলা হচ্ছে। এমনকি শুক্রবার কংগ্রেসকে ডিপফ্রিজে বলেও কটাক্ষ করা হয়েছে। বারংবার কংগ্রেসকেই নিশানা করছে তৃণমূল। কিন্তু এবার পুরভোটে নিয়ে শুধু কংগ্রেস নয়, তৃণমূলের নিশানায় এল সিপিএম।

প্রসঙ্গত, একুশের বিধানসভা নির্বাচনে কার্যত ধুলিস্যাৎ পরিস্থিতিতে পরিণত হয়েছে সিপিএম। বিধানসভা থেকে লোকসভা, শূন্য স্থানে রয়েছে তারা। ৩৪ বছর বাংলায় রাজত্ব করার পর আজ তাদের অবস্থান শূন্য। সেই প্রসঙ্গে টেনে এনে এবার বামেদের কটাক্ষ জোড়া ফুলের। মুখপত্রে বলা হয়েছে, নিজেদের নাম জাদুঘরে খোদাই করার চ্যালেঞ্জ নিয়েছে বাম। অর্থাৎ ঐতিহাসিক পর্যায়ে চলে যাচ্ছে সিপিএম। শনিবার অর্থাৎ আজ জাগো বাংলার সম্পাদকীয়তে লেখা হয়, কলকাতার ধর্মতলা চত্বরে প্রায় শতাব্দীপ্রাচীন বহুবারই রয়েছে। তার মধ্যে একটি সাদা বাড়ি। যাকে কলকাতার মানুষ জাদুঘর হিসেবে জানেন। সেই জাদুঘরে নিজেদের নাম খোদাই করার জন্য চ্যালেঞ্জ নিয়েছে রাজ্যের ৩৪ বছরের রাজত্ব কালীন দল বামেরা। ২৩৬ থেকে এখন তারা আক্ষরিক অর্থে শূন্যস্থানে রয়েছে। বিধানসভায় শূন্য, লোকসভাতেও শূন্য, কলকাতার পুরনির্বাচন শেষ হলে সেখানেও বিগ জিরো নিশ্চিত। পঞ্চায়েতেও একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি হতে চলেছে।

শুধু এখানেই থেমে থাকেনি শাসক দল। কংগ্রেসের সঙ্গে বামেদের জোট নিয়ে মুখপত্রে বলা হয়, কংগ্রেসের সঙ্গে জোট বেঁধে ভরাডুবির পরেও সিপিএম নেতাদের চেতনার একটুও পরিবর্তন হয়নি। শরিকদের হুমকি উপেক্ষা করে কংগ্রেসের জন্য বেসরকারিভাবে আসন ছেড়ে নিজেদের জেদ বজায় রেখেছেন। জেদের রেজাল্ট আলিমুদ্দিনও জানে, এমনকি জানে বিধান ভবনও।

উল্লেখ্য, বলে রাখা ভাল, একুশের বিধানসভা নির্বাচনে কংগ্রেস, সিপিএম ও আইএসএফ একত্রিত হয়ে লড়াইয়ের ময়দানে নেমে ছিল। কিন্তু নিট ফল জিরো। পুরভোটের ক্ষেত্রে জোট না বাধলেও কংগ্রেসের জন্য বেসরকারিভাবে বেশকিছু আসন ফাঁকা রেখেছে সিপিএম। এবং জানিয়েছে জোট নয় তবে তৃণমূল ও বিজেপি বিরোধী দলগুলিকে সমর্থন জানাবে বাম।