কংগ্রেস প্রার্থী গুরুর আশীর্বাদ নিয়ে প্রচারে নামলেন তৃণমূলের শিষ্য প্রার্থী!

9

নিজস্ব প্রতিনিধি: গুরু-শিষ্যের লড়াই দেখতে মুখিয়ে শিলিগুড়ি। এই পুরসভার ১৫ নম্বর ওয়ার্ডে এবার লড়াই হচ্ছে রাজনৈতিক গুরু-শিষ্যের। পুরসভার প্রচারের সব আলো আপাতত এই ওয়ার্ডেই।

চলতি মাসের ২২ তারিখে শিলিগুড়ি পুরসভার ভোট। কেবল শিলিগুড়ি নয়, এদিন ভোট হবে আসানসোল, চন্দননগর ও বিধাননগর পুরসভায়ও। শিলিগুড়ি পুরসভার রাশ বামেদের হাত থেকে কেড়ে নিতে মরিয়া তৃণমূল। লড়াইয়ের ময়দানে রয়েছে বিজেপি এবং কংগ্রেসও। গত পুরসভা নির্বাচনে এই ওয়ার্ডে জয়ী হয়েছিলেন নির্দল প্রার্থী অরবিন্দ ঘোষ। বোর্ড গঠনের পরে পরেই মৃত্যু হয় তাঁর। অরবিন্দের অকাল প্রয়াণের পর ওয়ার্ড শূন্যই ছিল। চলতি পুরসভা নির্বাচনে এই ওয়ার্ডে কংগ্রেস প্রার্থী করেছে সুবীণ ভৌমিককে। তাঁর বিপরীতে তৃণমূল প্রার্থী করেছে রঞ্জন সরকারকে। রঞ্জন তৃণমূল কংগ্রেসের জেলা সভাপতি। পুর প্রশাসক বোর্ডের প্রাক্তন সদস্যও তিনি। পুরনিগমে বিরোধী দলনেতার আসনেও বসেছেন তিনি। আর সুবীণও রয়েছেন কংগ্রেসের গুরুত্বপূর্ণ পদে। কংগ্রেসের সর্বভারতীয় কার্যকরী কমিটির সদস্য তিনি। এক সময় সুবীণের হাত ধরেই রাজনীতিতে এসেছিলেন রঞ্জন। তাই তিনি সুবীণকে গুরু বলেই মানেন। দুই বিরোধী দলের সদস্য হলে কী হবে গুরু-শিষ্যের সম্পর্কও মধুর।

শনিবার ১৫ ওয়ার্ডে প্রচারে বের হন রঞ্জন। এই ওয়ার্ডেই বাড়ি সুবীণের। ঘুরতে ঘুরতে গুরুর বাড়িতে চলে আসেন শিষ্য। দুজনে হাত মেলান। কথাবার্তাও হয় বেশ কিছুক্ষণ। গুরুর আশীর্বাদ চান রঞ্জন। পরে ফের প্রচারে বেরিয়ে পড়েন তৃণমূল প্রার্থী।

অস্ত্রগুরু দ্রোনাচার্য চেয়েছিলেন অস্ত্রবিদ্যায় পারদর্শী অর্জুন তাঁকেও হারাতে সক্ষম। রঞ্জনও কী পারবেন তাঁর রাজনৈতিক গুরুকে ধরাশায়ী করতে? উত্তরের জন্য অপেক্ষা করতে হবে আরও বেশ কয়েকটা দিন।