ক্ষোভের ক্ষতে প্রলেপ দিতে জনসংযোগে নামল তৃণমূল!

10

নিজস্ব প্রতিনিধি: এখনও দিনক্ষণ ঘোষণা হয়নি ভোটের। কবে হবে, করোনা আবহে আদৌ হবে কিনা, সে প্রশ্নও উঠছে। এমতাবস্থায় জনতার মন বুঝতে পথে নেমে পড়লেন বিষ্ণুপুর পুরসভার প্রশাসক তৃণমূলের অর্চিতা বিদ সহ শাসক দলের নেতানেত্রীরা। তৃণমূল সূত্রে খবর, পরিষেবা নিয়ে ক্ষোভের আঁচ পেয়েছিলেন তৃণমূল নেতারা। তাই ‘সম্পর্ক’  মেরামতির চেষ্টা।

রাজ্যের ১১২টি পুরসভায় নির্বাচন বকেয়া রয়েছে দীর্ঘদিন। এর মধ্যে ১৯ ডিসেম্বর ভোট হয়েছে কলকাতা পুরসভার। ২২ জানুয়ারি হবে আসানসোল, শিলিগুড়ি, চন্দননগর ও বিধাননগর পুরসভার ভোট। বাকি রয়েছে আরও ১০৭টি পুরসভার ভোট। এই ভোটের নির্ঘণ্ট প্রকাশিত হয়নি এখনও। তবে বোর্ডের বিরুদ্ধে ক্ষোভ আঁচ করে পথে নেমে পড়েছেন রাজ্যের শাসক দলের নেতারা।

এদিন জনসংযোগে নেমেছিলেন তৃণমূল কর্মী-সমর্থকরা। পুরসভার ১২ নম্বর ওয়ার্ডের বিভিন্ন এলাকায় জনসংযোগ সারেন তাঁরা। আগামী পুরভোটে জোড়াফুল চিহ্নে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান তাঁরা। দেওয়াল লিখনও করেন তাঁরা। পুর-প্রশাসককে নাগালে পেয়ে সরাসরি বিভিন্ন প্রকল্পের পরিষেবা নিয়ে ক্ষোভ উগরে দেন শহরবাসীর একাংশ। সমস্যা সমাধানের আশ্বাসও দেন তাঁরা।

জনসংযোগের পাশাপাশি এদিন দেওয়াল লিখনও শুরু করে দেন তৃণমূলের নেতাকর্মীরা। ভোটের দিন ঘোষণার আগেই এভাবে জনসংযোগ কর্মসূচি পালন করতে শাসক দলের মাঠে নেমে পড়ায় অন্য ইঙ্গিত পাচ্ছেন রাজনীতির কারবারিরা। একুশের বিধানসভা নির্বাচনে বিষ্ণুপুর কেন্দ্রে জয়ী হয়েছিলেন বিজেপি প্রার্থী তন্ময় ঘোষ। পরে তিনি তৃণমূলে যোগ দেন। বিধানসভা ভোটের নিরিখে বিষ্ণুপুর শহরের ১৬টি ওয়ার্ডে এগিয়ে ছিল বিজেপি। সেই হিসেবে তৃণমূলের পক্ষে আসন্ন পুরভোট যে নিছক কেকওয়াক নয়, তা বলাই বাহুল্য।