সংসদে বাংলার রাজ্যপালকে সরানোর প্রস্তাব TMC’র! সমর্থন জানাল কংগ্রেস

52

মহানগর ডেস্ক: সোমবার বাজেট অধিবেশনের শুরুতে রাষ্ট্রপতির কাছে বাংলার রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়কে সরানোর দাবি করলেন তৃণমূল দলনেতা সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়। সমর্থন জানালেন কংগ্রেস দলনেতা অধীর রঞ্জন চৌধুরী। রাজনৈতিক মহলে উত্তেজনা তুঙ্গে।

যেদিন সংসদের সঙ্গে ভার্চুয়াল বৈঠক করেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, সেদিনই বোঝা গিয়েছিল রাজ্যপালকে নিয়ে কেন্দ্রের বাজেট অধিবেশনে সরব হবে ঘাসফুল শিবির। প্রথম দিনেই সেই কাজ সেরে ফেলেছেন উত্তর কলকাতার সাংসদ তথা লোকসভার তৃণমূল দলনেতা সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন বাজেট অধিবেশন শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই বাংলার রাজ্যপালকে সরানোর জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলেছেন তিনি । সূত্র বলছে, এদিকে রাজ্যপালকে সরানোর প্রস্তাবে সমর্থন জানাচ্ছে কংগ্রেসও।

এদিন কংগ্রেস দলনেতা অধীর রঞ্জন চৌধুরী জানিয়েছেন, “ভারতবর্ষের যুক্তরাষ্ট্রীয় পরিকাঠামোকে শক্ত করার দায়িত্ব সকলের মধ্যে বর্তায়। সেখানে তৃণমূল পার্টির তরফ থেকে তা উদ্যোগ নিয়ে যদি করা হয়, তবে অবশ্যই সমর্থন জানানো হবে”। অন্যদিকে বিজেপি রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার জানিয়েছেন, “কেন্দ্রে তৃণমূল কংগ্রেস এবং কংগ্রেস হাত ধরাধরি করে চলে। অধীর বাবু মাঝে মাঝে বাংলায় বিপ্লব করার চেষ্টা করেন”। তাঁর মতে, “সনিয়া গান্ধী এবং রাহুল গান্ধী অধীর চৌধুরীকে মমতা ব্যানার্জির বিরুদ্ধে কোনও বিপ্লব করতে দেবেন না। একপ্রকার দলের হাইকমান্ডের কারণে বাধ্য হয়েই অধীর বাবুকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কথায় সমর্থন জানাতে হবে”। তিনি বলেছেন, “একদিকে বিজেপি আছে আর অন্যদিকে বাকি দল”।

এদিকে সৌগত রায় জানিয়েছেন, “রাজ্যপালকে সরানোর প্রস্তাব নিয়ে দলের অনুমতি পাওয়া গিয়েছে। সুকান্ত মজুমদারের বক্তব্যের কোনও গুরুত্ব নেই। উনি অপরিণত রাজনীতিবিদ। তৃণমূল নিজের রাস্তায় চলে, কারোর হাত ধরাধরি করে চলে না। তৃণমূল নিজের দমে দলকে বাড়াবার চেষ্টা করছে”। পাশাপাশি রাজ্যপালকে সরানোর প্রস্তাবে কংগ্রেসের সমর্থনে তিনি জানিয়েছেন, “পরে এই বিষয়ে দেখা যাবে”। সাংসদের সূত্র অনুযায়ী, সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেছেন, ‘বাংলার রাজ্যপাল নানাভাবে রাজ্য সরকারকে বিব্রত করছে। এমনকি রাজ্যের কাজেও সমস্যা তৈরি করেছেন। যা সংসদীয় গণতন্ত্রের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকারক। তাই রাজ্যপালকে সরানোর জন্য রাষ্ট্রপতি প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া উচিত।