মাড়ি থেকে রক্ত ক্ষরণ? ঘরোয়া টোটকাতেই পান উপশমের উপায়

115

মহানগর ডেস্ক : মাড়ি থেকে রক্ত বেরোনোর সমস্যা অনেকেরই দেখা যায়। আচমকা মাড়ি থেকে রক্ত বেরোনোর সমস্যা অনেক কিছু কারণে হতে পারে। কখনও ব্রাশের ঘষা লাগাতে রক্তক্ষরণের মতো সমস্যা দেখা দেয়। কখনও মাড়ি আলগা হয়ে গেলে এই ধরনের সমস্যা দেখা দেয়। কিংবা হতে পারে মুখের ভেতর এমন কোনও সমস্যা বাসা বেঁধেছে যার চিকিৎসার প্রয়োজন দ্রুত।

 

ওরাল হাইজিন বা দাঁতের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে মাড়ির স্বাস্থ্যর দিকে নজর দেওয়া অত্যন্ত জরুরী। যদি ব্রাশ করতে গিয়ে মাড়ি দিয়ে রক্ত বের হয় তাহলে মাইল্ড জিনজিভাইটিসে আক্রান্ত আপনি। এক্ষেত্রে আকছার মাড়ি দিয়ে রক্ত পড়ার সমস্যা দেখা দেয়। তবে ঘরোয়া উপশমে আরাম পেতে পারেন এই সমস্যা থেকে।

 

লবঙ্গ তেল : দাঁত বা মাড়ির সমস্যা লবঙ্গ তেল অনস্বীকার্য। মাড়িতে চুলকানো জ্বালা করা কিংবা রক্ত পড়া ইত্যাদির রোধ করতে কার্যকরী ভূমিকা নেয় লবঙ্গ তেল। যদি লবঙ্গ তেল না পাওয়া যায় সেক্ষেত্রে একটি কিংবা দুটি লবঙ্গ চিবিয়ে নিতে পারেন। হালকা জ্বালা ভাব করবে ঠিকই তবে মাড়ির সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যাবে।

 

অ্যালোভেরা : এমন একটি উপকারী উপাদান অ্যালোভেরা যা যাবতীয় সমস্যার সমাধান করতে পারে। এমনকি মাড়ির সমস্যাতেও অ্যালোভেরা। সামান্য অ্যালোভেরা জেল হাতে নিয়ে যেখানে ব্যথা সেখানে মালিশ করুন। কিছুক্ষণ লাগিয়ে রাখার পর ভাল করে মুখ ধুয়ে ফেলুন। অথবা অ্যালোভেরা জুস খেতে পারেন মাড়ির সমস্যা মোকাবিলায়।

 

নিয়মিত দাঁত মাজা : প্রত্যেকদিন নিয়ম করে দিনে দুবার দাঁত মাজা উচিত। এতে কেবলমাত্র রক্ত পড়া বন্ধ হবে তাই নয়,মাড়ি এবং দাঁতের জীবাণু প্রতিরোধ করা সম্ভব হবে।

 

সবুজ শাকসবজি খাওয়া : প্রচুর পরিমাণে সবুজ শাকসবজি, টাটকা ফল খেলে মাড়ির সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। এতে মাড়ি সুস্থ থাকে। ক্ষরণের মতো সমস্যা বন্ধ হয়।

 

উষ্ণ জলে মুখ ধোয়া : সামান্য জল গরম করে তাতে অল্প নুন দিয়ে কুলকুচি বা গার্গেল করলে আরাম পাওয়া যায়।এতে মুখের দুর্গন্ধ দূর হয় তেমন মাড়ি ভালো থাকে।

 

ভিটামিন সি : আমলকি বা পাতিলেবুতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি থাকে। যা মুখের মধ্যে যে কোনও জীবাণু সংক্রমণের হাত থেকে রক্ষা করে। প্রত্যেকদিন অর্ধেক আমলকি অথবা পাতিলেবু খেলে ‘ভিটামিন সি’য়ের ঘাটতি পূরণ করে। মুখের স্বাস্থ্য ভালো থাকে।

 

ধূমপান বন্ধ : অতিরিক্ত ধূমপানের ফলে মুখের সমস্যা দেখা দেয়। তাই ধূমপান যত কম করবেন ক্ষতিকারক প্রভাব থেকে রক্ষা পাবেন। প্লেক বা ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণ আটকাতে ধূমপান বন্ধ প্রয়োজন।