Trinamool Congress: “ক্ষমতা থাকলে মিডিয়ার মুখোমুখি হোন প্রধানমন্ত্রী!” মোদি কে চ্যালেঞ্জ ডেরেক ও যশবন্তের

7

মহানগর ডেস্ক: সম্প্রতি বহু তর্ক বিতর্কের মাঝে শেষ হয়েছে বাদল অধিবেশন। হই হট্টগোলের জেরে অকালেই শেষ করে দেওয়া হয়েছে অধিবেশন।‌ বিজেপি ও বিজেপি বিরোধীদের মধ্যে সম্পর্ক তলানিতে গিয়ে ঠেকেছে।

এরই মধ্যে সাংবাদিক বৈঠক করে ফের কেন্দ্রের বিরুদ্ধে তোপ দাগলেন‌ তৃণমূল কংগ্রেস শীর্ষ নেতৃত্ব। সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন তৃণমূলের রাজ্যসভা সাংসদ ডেরেক ও ব্রায়েন ও তৃণমূলের সর্বভারতীয় সহ সভাপতি যশবন্ত সিনহা।

এদিন তাঁরা বলেন, “প্রধানমন্ত্রীকে আটটি প্রশ্ন করা হয়েছিল কিন্তু কোনও উত্তর আসেনি। আমরা প্রধানমন্ত্রীকে বারবার প্রশ্ন করছি কিন্তু উনি আসছেন না। আমরা মোদি-শাহের কাছে দায়বদ্ধ নয়। নিজেরাই সংসদ চলতে দিচ্ছে না। সরকার কথা বলতে দিচ্ছে না সংসদে। আর রাস্তায় নামিয়েছে আটজন মন্ত্রীকে। আমরা থামবার পাত্র নই, আমাদের একবার চোখ দেখালে আমরা দুবার চোখ দেখাব।”

এখানেই থেমে থাকেননি ডেরেক ও যশবন্ত। পেগাসাস নিয়ে সরকার আলোচনায় কেন‌ অনীহা দেখাচ্ছে তা জানতে চান তাঁরা। কৌতুকের সুরে ডেরেক বলেন, “উনি যদি নাই আসেন তো ওনার কাটআউট পাঠিয়ে দিক সেটার দিকে তাকিয়েই প্রশ্ন করব। এখন তো সবকিছুতেই ওনার বড় বড় কাটআউট লাগানো হয়েছে।”

উপস্থিত সাংবাদিকদেরও বিঁধতে ছাড়েননি তৃণমূল শীর্ষ নেতৃত্ব। নরেন্দ্র মোদির আমলে সংসদীয় রাজনীতি যেভাবে অধঃপতনের সামনে দাঁড়িয়ে রয়েছে, তা নিয়ে সাংবাদিকদের লেখা উচিত বলে মনে করেন তাঁরা। নরেন্দ্র মোদি প্রধানমন্ত্রী হিসেবেৎশেষ ৭ বছরে সাংবাদিক বৈঠকের মুখোমুখি হলেন না কেন, এদিন তাও জানতে চান তৃণমূল নেতারা।

বলপূর্বক কৃষি আইন কার্যকর করার অভিযোগ করা হয়েছে আজকের সাংবাদিক বৈঠকে। আলাপ আলোচনা ছাড়া যেভাবে আইন তৈরি হচ্ছে তা নিয়ে ক্ষোভে ফেটে পড়েন তৃণমূল মুখপাত্ররা। বহুআলোচিত গুজরাত মডেল নিয়ে প্রধানমন্ত্রী কে সাংবাদিক বৈঠক করার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ডেরেক ও ব্রায়েন।