ছোটপর্দায় আরও দুই নবাগতের আগমন

88

নবনীতা দত্তগুপ্ত: দর্শকের দরবারে আরও দুই নবাগতের আগমন ঘটতে চলছে আগামী ২৪ ডিসেম্বর। ধারাবাহিক ‘বিজয়িনী’ আসছে স্টার জলসায়। নাচের গল্প। কিন্তু একেবারে অন্য মোড়কে। শুধুই কি দুই শিল্পীর নাচের লড়াই? না, একদমই না। আছে প্রতিভা এবং ক্ষমতার লড়াইও। প্রতিভা আছে কিন্তু ক্ষমতা নেই কেকার। ওদিকে ক্ষমতা আর প্রতিভা দুইই আছে সুবর্ণা রায়ের। এই কেকার চরিত্রেই নবাগতা লেখা চট্টোপাধ্যায়। তিনি বিদ্যাসাগর কলেজের ছাত্রী। শেখেন কত্থক। অনুশীলন করেন নিয়মিত। এই প্রথম ধারাবাহিকের পথে হাঁটতে শুরু করলেন তিনি। ছোট থেকেই অভিনয় করার অদম্য ইচ্ছা এই কন্যের। সেই ইচ্ছাই এবার পূর্ণ হতে চলেছে। ওড়িশিটাও এবার শিখে নিতে পারছেন বলে বেশ খুশি এই লেখা। ‘সুবর্ণা রায় ডান্স অ্যাকাডেমিতে’তে নাচ শেখানো হয় না গরিবদের। সেখানে প্রতিভার থেকেও বেশি গুরুত্ব পায় টাকার অঙ্ক। কেকার মা লোকের বাড়িতে কাজ করে। তাই প্রতিভা থাকা সত্ত্বেও তার জায়গা হয় না সেখানে। এই কেকাই একদিন যোগ্য জবাব দেবে দাম্ভিক সুবর্ণা রায়কে। সেই গল্প জানা যাবে ধীরে ধীরে।
ওদিকে সুবর্ণা রায়ের একমাত্র ছেলে ঋত্বিকের ভূমিকায় দেখা যাবে ইমতিয়াজ হককে। মডেলিং ব্যাকগ্রাউন্ড থেকে উঠে এসেছেন তিনি। অভিনয়ে এই প্রথম। তাই শুরুর দিনে ক্যামেরার সামনে দাঁড়িয়ে খুব নার্ভাস লাগছিল অকপটে জানান ইমতিয়াজ। কিন্তু ভয় এখন অনেকটাই কেটে গিয়েছে। অঞ্জনা দি মানে ধারাবাহিকের যিনি স্তম্ভ অর্থাৎ সুবর্ণা রায় খুব সাহায্য করছেন তাঁকে। একইভাবে ধারাবাহিকের ক্রিয়েটিভ ডিরেক্টর সুশান্ত দাশও শিখিয়ে বুঝিয়ে দিচ্ছেন সবকিছু। …
দিনকয়েক আগে ‘আমি সিরাজের বেগম’ ধারাবাহিকের হাত ধরে ছোটপর্দায় প্রথম পা রাখলেন শন বন্দ্যোপাধ্যায়। এবার ইমতিয়াজ এবং লেখা। এ ভাবেই একের পর এক উঠে আসছেন নতুন মুখের সারি। কেউ টিকে থাকছেন কেউ আবার হারিয়েও যাচ্ছেন। এই যাত্রায় লেখা এবং ইমতিয়াজ নতুন পথের পথিক। তাঁরা নিজেদের মুন্সিয়ানা দেখাবেন এমনটাই আশা রাখে চ্যানেল।