Udaipur Killing : মিছিলে বিদ্বেষ-স্লোগান, ভিএইচপি,বজরংয়ের বিরুদ্ধে মামলা হরিয়ানা পুলিশের

64
protest against kanaialal murder
কানাইয়ালাল খুনের প্রতিবাদে দেশের নানা প্রান্তে চলছে বিক্ষোভ।

মহানগর ডেস্ক: উদয়পুর কাণ্ডের প্রতিবাদ মিছিল থেকে বিদ্বেষমূলক স্লোগান (Hate Slogan) দেওয়ার অভিযোগে বিশ্ব হিন্দু পরিষদ এবং বজরং দলের বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির একাধিক ধারায় মামলা দায়ের করল হরিয়ানা পুলিশ। অভিযোগ, হরিয়ানার গুরুগ্রামে বিশেষ একটি সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে বিদ্বেষমূলক স্লোগান দেয় তারা। উদয়পুরে (Udaipur Killing) কানাইয়ালালের মুণ্ডচ্ছেদের (Beheading) পর থেকেই ফুটছে রাজস্থান। ক্ষোভের আগুন ছড়িয়ে পড়েছে অন্যত্রও। বুধবার বিজেপি শাসিত হরিয়ানায় প্রতিবাদ মিছিল করে ভিএইচপি,বজরং দলষ

এই পরিস্থিতিতে বিএইচপি, বজরং দলের পাশাপাশি হিন্দু“আমি কানয়াইয়ালাল”(Kanaialal) , “আমি নূপুর শর্মা”(Nupur Sharma) নামে প্রচার করার কথা ঘোষণা করেছে শ্রীরাম সেনা (Sree Ram Sena)। সংগঠনের নেতা প্রমোদ মুতালিক এই পাশবিক ঘটনার নিন্দা করে বলেছেন হিন্দু সমাজ এই ধরণের সন্ত্র্রাস কার্যকলাপ বরদাস্ত করবে না। তিনি জানিয়েছন, হিন্দুদের রক্ত ফুটছে। গোটা হিন্দু সমাজ ক্ষোভে ফুঁসছে। ওই দুজন শুধু কানাইয়ালালকেই খুন করেনি,হিন্দু সমাজকেই খুন করেছে। হিন্দুদের পাল্টা জবাব দেওয়ার জন্য প্ররোচিত করছে। এটা বাড়াবাড়ি হচ্ছে। কেন্দ্রীয় সরকারের এই ঘটনায় হস্তক্ষেপ অবশ্যই করা দরকার।

তারা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে পর্যন্ত হুমকি দিয়েছে। তাদের যাতে ফাঁসি হয়, তা নিশ্চিত করতে হবে। তিনি জানিয়েছেন, যুব ব্রিগেড, হিন্দু জন জাগৃতি সমিতি, শ্রীরাম সেনা এবং অন্যান্য সংগঠন “আমি কানয়াইয়ালাল”, “আমি নূপুর শর্মা” নামে প্রচার শুরু করবে। গত মঙ্গলবার নবী হজরত মহম্মদকে নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্টের জেরে খুন হন পেশায় দরজি কানাইয়ালাল। তাকে তাঁর দোকানে ধারালো অস্ত্র দিয়ে গলা উ়ড়িয়ে দেয় দুজন। অভিযুক্ত দুজন হল রিয়াজ আখতারি ও ঘাউস মহম্মদ।

খুন করার দৃশ্য ভিডিওয় তুলে তা পোস্ট করে তারা। এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকেও হুমকি দেয়। দুজন নূপুর শর্মার নামও জানায়। এরপরই অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে গোটা উদয়পুর। পরিস্থিতি অশান্ত হয়ে ওঠে। শান্তি রক্ষায় রাজস্থানের মুখ্যমন্ত্রী অশোক গেহলট রাজ্যবাসীর কাছে আবেদন করেন। সমস্ত জেলাতেই জারি করা হয় একশো চুয়াল্লিশ ধারা। চব্বিশ ঘণ্টার জন্য বন্ধ করে দেওয়া হয় ইন্টারনেট। মোতায়েন করা হয় বিশাল পুলিশবাহিনী। ঘটনার তদন্তে নেমেছে এনআইএ।