সঙ্কটজনক উন্নাওয়ের কিশোরী, দেখা করতে যাওয়ার সময় যোগী পুলিশের বাধার মুখে ভীম আর্মির প্রধান

33

মহানগর ডেস্ক: ঠিক যেন হাথরাস ঘটনার পুনরাবৃত্তি! হাথরাসে নির্যাতিতার পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে যাওয়ার সময় আটকে দেওয়া হয়েছিল একাধিক বিরোধী দলের নেতা মন্ত্রীদের, গ্রেফতার করা হয়েছিল রাহুল গান্ধিকে। বিশাল পুলিশ বাহিনী দিয়ে ঘিরে ফেলা হয়েছিল নির্যাতিতার গ্রাম। জারি করা হয়েছিল ১৪৪ধারা। সংবাদমাধ্যমের প্রবেশ নিষিদ্ধ করে গণতন্ত্রের কণ্ঠ রোধ করেছিল উত্তরপ্রদেশ সরকার। এবার উন্নাও কাণ্ডে নির্যাতিতার সঙ্গে দেখা করতে যাওয়ার পথে যোগী পুলিশের বাধার মুখে পড়তে হল ভীম আর্মির প্রধান চন্দ্রশেখর আজাদ ও তাঁর অনুগামীদের। তাঁদের গাড়ি আটকে দিল উত্তরপ্রদেশের পুলিশ।

উন্নাওয়ের অসোহার বাবুহারা গ্রামের একটি ক্ষেত থেকে তিন কিশোরীকে উদ্ধার করা হয়। যার মধ্যে আগেই দুজনের মৃত্যু হয়েছে। অন্য কিশোরী অত্যন্ত সঙ্কটজনক অবস্থায় মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছে কানপুরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে। সোমবার সেই নির্যাতিতার সঙ্গে দেখা করতে গেলে চন্দ্র শেখর আজাদকে কানপুরের গঙ্গা ব্যারেজের কাছেই আটকে দেওয়া হয় বলে জানা গিয়েছে।
কানপুর থানার পুলিশ আধিকারিক মোহিত আগারওয়াল বলেন, ‘করোনার সময়ে হাসপাতালে অতিরিক্ত ভিড় এড়ানোর জন্যই চন্দ্রশেখর আজাদ ও তাঁর অনুগামীদের আটকে দেয় পুলিশ।’ পুলিশের ওপর ক্ষোভ উগরে দিয়ে চন্দ্রশেখর আজাদ বলেন, ‘আমাকে আটকানোর জন্য পুলিশকে যেভাবে ব্যবহার করছে যোগী সরকার, অপরাধ দমনের জন্য এরকম ব্যবস্থা গ্রহণ করলে উত্তরপ্রদেশ অপরাধের সংখ্যা অনেক কমে যেত।’

প্রসঙ্গত, জলের সঙ্গে কীটনাশক মিশিয়ে ওই তিন কিশোরীকে খাওয়ানো হয়েছিল বলে জানা যাচ্ছে। এই ঘটনায় জড়িত সন্দেহে চার জনকে আটক করা হয়। দু’জনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। পুলিশি জেরায় তারা তাদের দোষ স্বীকার করেছে বলে জানা গিয়েছে। হাথরাস থেকে উন্নাও, উত্তরপ্রদেশে অপরাধের সংখ্যা যেভাবে বেড়ে চলেছে প্রতিদিন, তাতে উত্তরপ্রদেশে জঙ্গলরাজ চলছে বলে অভিযোগ বিরোধীদের।