মুখ্যমন্ত্রী বারংবার সীমান্তরক্ষীদের অপমান করছেন : শুভেন্দু ll মমতাকে বিএসএফ সংক্রান্ত নির্দেশাবলী পুনর্বিবেচনার উপদেশ রাজ্যপালের

13
মুখ্যমন্ত্রী বারংবার সীমান্তরক্ষীদের অপমান করছেন : শুভেন্দু ll মমতাকে বিএসএফ সংক্রান্ত নির্দেশাবলী পুনর্বিবেচনার উপদেশ রাজ্যপালের

মহানগর ডেস্ক: সম্প্রতি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের তরফ থেকে নির্দেশিকা জারি করে বিএসএফ বাহিনীর ক্ষমতা বৃদ্ধির কথা জানান হয়েছিল। পশ্চিমবঙ্গ, অসম এবং পঞ্জাব দেশের এই তিনটি রাজ্যের সীমান্তবর্তী অঞ্চলে সেনাবাহিনীর এক্তিয়ার ভারতীয় সীমানার মধ্যে ১৫ কিমি থেকে ৫০ কিমি পর্যন্ত বর্ধিত করেছিল কেন্দ্র। এছাড়াও ক্ষমতা বৃদ্ধি করা হয়েছিল বাহিনীর। পুলিশের সাহায্য ছাড়াই গ্রেফতার সহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারবে জওয়ানরা, এমনটাই জানান হয়েছিল কেন্দ্রের তরফ থেকে। মোদি সরকারের এইরূপ সিদ্ধান্তের বারংবার বিরোধীতা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

বুধবার প্রশাসনিক বৈঠক থেকে ফের এই বিষয় নিয়ে মন্তব্য করেন তিনি। এই বারের মন্তব্যে তিনি নাগাল্যান্ডের ইস্যুটিও উল্লেখ করেছেন এবং বলেছেন,’কিছু জেলায় বিএসএফ স্থানীয় পুলিশকে কিছু না জানিয়েই এক্তিয়ার বহির্ভূত কাজ করে ফেলে। আমরা দেখেছি নাগাল্যান্ডে কি হয়েছে। শীতলকুচিতেও একই ঘটনা ঘটেছিল। আমি কোনও ঝামেলা চাইনা। তবে বিডিওদের বলব এলার্ট থাকতে।’

তাঁর এইরূপ মন্তব্যের পাল্টা জবাব দিয়েছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সেই ভিডিও ক্লিপ টুইট করে নিজের টুইটার অ্যাকাউন্টে তিনি লিখেছেন,’ আমি অবাক হই যে , একটি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী যিনি শপথ নিয়েছেন ভারতীয় সংবিধানের প্রতি সত্যিকারের বিশ্বাস এবং আনুগত্য প্রকাশ করার,দেশের অখন্ডতা এবং সার্বভৌমত্ব রক্ষা করার, তিনিই বারংবার সীমান্তরক্ষীদের আক্রমণ করছে নিজের কথায় কারণ তাঁদের যে কাজে নিযুক্ত করা হয়েছে সেটা নিষ্ঠার সঙ্গে করার জন্য। আর মুখ্যমন্ত্রী এই অন্যায়টি পুনরাবৃত্তি করছেন। আমি এই বিষয়টি সম্বন্ধে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করানোর অনুরোধ করব রাজ্যের রাজ্যপাল জগদীপ ধনখরকে।’

 

এরপরই রাজ্যপাল এই প্রসঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্দেশে একটি চিঠি লিখে পাঠান। পাশাপাশি সেই চিঠি নিজের টুইটার অ্যাকাউন্টে টুইট ও করেন তিনি। আর সেই টুইট বার্তায় তিনি লেখেন,’ মুখ্যমন্ত্রীকে আহ্বান জানান অবিলম্বে বিএসএফ সংক্রান্ত নির্দেশাবলী পুনর্বিবেচনা করতে। ‘ বিএসএফকে ১৫ কিমির মধ্যেও পুলিশের অনুমতি নিতে হবে’ এই কথা একদমই আইনের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। দ্বন্দ্ব নয়, বন্ধুত্ব তৈরি করতে হবে। সহযোগিতার মাধ্যমে রাজ্য এবং কেন্দ্রীয় সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় স্থাপন করতে হবে।’