Uric Acid : ৫ খাবারেই দূর হবে ইউরিক অ্যাসিড,আজই জানুন বিস্তারিত

88

মহানগর ডেস্ক : দীর্ঘদিন ধরে ইউরিক অ্যাসিডে (Uric Acid) ভুগছেন ? শত চেষ্টা করেও কোনভাবে মুক্তি পাচ্ছেন না ? তবে আর সমস্যা নেই। ইউরিক অ্যাসিড থেকে চটজলদি মুক্তি পেতে পড়ুন আমাদের এই বিশেষ প্রতিবেদন।

আরও পড়ুন : সারদা কাণ্ডে নাম উঠেছে শুভেন্দুর, তারপরও গ্রেফতার নয় কেন?: কুণাল

রোগ থেকে মুক্তি পাবার আগে জানতে হবে রোগ সম্পর্কে।

কী এই ইউরিক অ্যাসিড ?

শরীরের প্রাকৃতিক বর্জ্য হল ইউরিক অ্যাসিড। আর ইউরিক অ্যাসিড রক্তে জমতে শুরু করলেই সেখান থেকে আসে একাধিক সমস্যা। হঠাত্‍ পায়ের পাতা ফুলে যাওয়া, পা ঠিকমতে ফেলতে না পারা, পায়ে ব্যথা, কোমরে ব্যথা বা কিডনির সমস্যার কারণ কিন্তু ইউরিক অ্যাসিড। বর্তমানে ডায়াবেটিস, কোলেস্টেরল, ব্লাড প্রেশারের মতই শরীরে জাঁকিয়ে বসেছে এই ইউরিক অ্যাসিডের সমস্যা।

ইউরিক অ্যাসিড কিডনির মাধ্যমে ফিল্টার হয়ে প্রস্রাবের সঙ্গে বেরিয়ে আসে। যখন তা বেরোতে না পারে তখন স্ফটিকের আকারে তা জমা হতে থাকে। এর কারণে রক্তে ইউরিক অ্যাসিডের পরিমাণ বেড়ে যা। সেই সঙ্গে গাঁটে ব্যথা হয়। আর তাই হঠাত্‍ করে জয়েন্টে ব্যথা, ফুলে যাওয়া. ব্যতা-প্রদাহ জনিত সমস্যা থাকলে প্রথম থেকেই সতর্ক হন। চিকিত্‍সকের পরামর্শ নিন। অতিরিক্ত প্রোটিন রোজের ডায়েট থেকে বাদ দিন। এছাড়াও ইউরিক অ্যাসিড নিয়ন্ত্রণে রাখতে চিকিত্‍সকের দেওয়া ওষুধও নিয়ম করে খান। পাশাপাশি রোজের ডায়েটে রাখুন এই সব সবজিও।

লেবু -ভিটামিন সি শরীরের জন্য খুবই প্রয়োজনীয়। শরীরে সংক্রমণ রোধে সাহায্য করে ভিটামিন সি। তাই রোজকারের পাতে রাখুন লেবু। এছাড়াও খেতে পারেন আমলকি। যদি লেবু বা লেবুর রস খেতে ভাল না লাগে তাহলে ব্রেকফাস্টের পর এককাপ মুসাম্বির রস খান। এতেও শরীরে মিটবে ভিটামিন সি-এর চাহিদা।

রঙিন বাঁধাকপি – বাঁধাকপির মধ্যে প্রোটিন, শর্করার ভাগ কম। প্রয়োজনের তুলনায় বেশি থাকে খনিজ লবণ, ভিটামিন। থাকে অ্যান্টিঅক্সিডেন্টও। থাকে আয়রন, ক্যালশিয়াম, ক্যারোটিন। এছাড়াও থাকে ফ্ল্যাভিনয়েড। যে কারণে শরীরে ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা থাকে নিয়ন্ত্রণে।

টমেটো– ইউরিক অ্যাসিডের সমস্যায় টমেটো খান, কিন্তু বীজ ফেলে খান। টমেটোর বীজে থাকে নাইট্রোজেন আর ফসফরাস- যা ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়। এছাড়াও টমেটোর মধ্যে থাকে ভিটামিন সি। যা শরীরের একাধিক কাজে লাগে। তাই নিয়ম মেনে টমেটো খেতে পারেন।

শসা, গাজর– শসা আর গাজরের মধ্যে রয়েছে প্রচুর পরিমাণ অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। এছাড়াও শসা, গাজরের মধ্যে কোনও রকম ক্যালোরি নেই। থাকে প্রচুর পরিমাণ ফাইবার। শরীরের প্রয়োজনীয় হরমোন নিয়ন্ত্রণে রাখতেও ভূমিকা আছে এই সব সবজির। আর তাই রোজের ডায়েটে রাখুন স্যালাড। ডালের পরিমাণ কম খান। কমান মাছ, মাংস, ডিমের পরিমাণও। বরং পেট ভরান স্যালাড খেয়ে।

তবে অবশ্যই যে কোনও রোগের ক্ষেত্রেই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া আবশ্যক।