Home Bengal সম্মানহানি, এবার মুখ্যমন্ত্রীকে নোটিশ ধরালেন কার্তিক মহারাজ

সম্মানহানি, এবার মুখ্যমন্ত্রীকে নোটিশ ধরালেন কার্তিক মহারাজ

৪ দিনের মধ্যে ক্ষমা না চাইলে পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ করা হবে ।

by Pallabi Sanyal
21 views

মহানগর ডেস্ক : নাম করে রামকৃষ্ণ মিশন, ভারত সেবাশ্রম সঙ্ঘের মহারাজদের বিরুদ্ধে সরাসরি রাজনীতি করার অভিযোগ তুলেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নাম নিয়েছিলেন কার্তিক মহারাজের। তারপর থেকেই নিন্দার ঝড় উঠেছে বিরোধী মহলে। এবার মুখ্যমন্ত্রীকে আইনি নোটিশ ধরালেন কার্তিক মহারাজ।সেই আইনি নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে, ৪ দিনের মধ্যে ক্ষমা না চাইলে পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ করা হবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে। নোটিশে বলা হয়েছে, মমতার মন্তব্যে ভারত সেবাশ্রম সঙ্গের সম্মানহানি ঘটেছে।

প্রসঙ্গত, গত ১৮ মে রামকৃষ্ণ মিশন এবং ভারত সেবাশ্রমের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ করেছিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর দাবি, এই দুই সাধু সঙ্ঘের কেউ কেউ ‘সরাসরি রাজনীতি’ করছেন। তৃণমূল সুপ্রিমো বলেন, ‘সব সাধু এক হন না। সব স্বজন সমান হয় না। আমাদের মধ্যেও কি আমরা সবা‌ই সমান? এই যে বহরমপুরের একজন মহারাজ আছেন। আমি শুনেছি অনেক দিন ধরে,কার্তিক মহারাজ। ভারত সেবাশ্রম সঙ্ঘকে আমি খুব শ্রদ্ধা করতাম। আমার শ্রদ্ধার তালিকায় তারা দীর্ঘদিন ধরেই আছেন। কিন্তু যে লোকটা বলে, তৃণমূল কংগ্রেসের এজেন্ট বসতে দেব না, সেই লোকটাকে আমি সাধু বলে মনে করি না। তার কারণ, সে সরাসরি রাজনীতি করে দেশটার সর্বনাশ করছে।’

মমতা আরো যোগ করেছিলেন, ‘কে কে এই সব করছে, আমি তাদের চিহ্নিত করছি। আমি রামকৃষ্ণ মিশকে কোন সাহায্যটা করিনি। সিপিএম যখন খাবার বন্ধ করে দিয়েছিল, তখন আমি সমর্থন করেছিলাম আপনাদের। সিপিএম কিন্তু তখন আপনাদের কাজ করতে দেয়নি। আর আসানসোলে একটি রামকৃষ্ণ মিশন আছে। দিল্লি থেকে নির্দেশ আসে। বিজেপিকে ভোট দেওয়ার জন্য বলা হয়। কেন সাধুরা এই কাজ করবেন? রামকৃষ্ণ মিশনকে সবাই সম্মান করে। ওদের যারা মেম্বার হয়, দীক্ষা নেয়, তারা আছে। তাদের আমি ভালবাসতে পারি। আমি দীক্ষা নিতে পারি। কিন্তু রামকৃষ্ণ মিশন ভোট দেয় না কোনও দিনও। এটা আমি জানি। তা হলে আমি অন্যকে কেন ভোট দিতে বলব? মনে রাখবেন, স্বামী বিবেকানন্দের বাড়িটাই থাকত না, আপনাদের এই মেয়েটা যদি না থাকত।’

একের পর এক তোপের বিরুদ্ধে পাল্টা কার্তিক মহারাজ বলেছিলেন,’আমি কোথাও এরকম কোনও কথা বলিনি যে তৃণমূলের এজেন্ট বসতে দেব না। মুখ্যমন্ত্রী কার কাছে এসব শুনেছেন আমি জানি না। আমি তো রাজনীতির লোকই নই। আর্তের সেবা করা আমার কাজ। কিন্তু আমি একজন হিন্দু। আর হিন্দুদের ওপর আক্রমণ এলে আমি চুপ করে বসে থাকতে পারি না। রেজিনগরে ওনার দলের বিধায়ক যখন বললেন ২ ঘণ্টার মধ্যে হিন্দুদের ভাগিরথীতে ভাসিয়ে দেব তখন উনি কোনও প্রতিবাদ করেননি কেন? ঈশ্বর ওনাকে চৈতন্য দিন।’

You may also like

Mahanagar bengali news

Copyright (C) Mahanagar24X7 2024 All Rights Reserved