Home World Record Of Worlds Slowest Graduate: বিশ্বের শ্লথতম স্নাতকের বয়েস এখন একাত্তর, কত বছর পর স্নাতক হলেন জানেন?

Record Of Worlds Slowest Graduate: বিশ্বের শ্লথতম স্নাতকের বয়েস এখন একাত্তর, কত বছর পর স্নাতক হলেন জানেন?

by Mahanagar Desk
1 views

মহানগর ডেস্ক: ধন্যি ছেলের অধ্যাবসায়! এমন অধ্যাবসায়ের খবর কেউ শুনেছেন বলে মনে হয় না। মানুষটির নাম আর্থার রস। বয়েস এখন একাত্তর (Aged Seventy One Year)। টানা চুয়ান্ন বছর হাড়ভাঙা চেষ্টার পর অবশেষে তিনি ব্রিটিশ কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ডিগ্রি পেয়েছেন (Record Of Worlds Slowest Graduate)। ঈপ্সিত ডিগ্রি পেতে তাঁকে অপেক্ষা করতে হয়েছে পাঁচ পাঁচটি দশক। তাঁর এই ডিগ্রি প্রাপ্তির সময় এতটাই দীর্ঘ যে যেটা সারাবিশ্বে রেকর্ড হিসেবে গণ্য হচ্ছে। হ্যাঁ, চুয়ান্ন বছর একটানা লড়াই করতে হয়েছে তাঁকে।

একাত্তর বছরের রস জানিয়েছেন, কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয় শেষপর্যন্ত দুনিয়ার শ্লথতম ছাত্রকে স্নাতকের মর্যাদা দিয়েছে। বিবিসিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে রস জানিয়েছেন ১৯৬৯ সালে তিনি কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে তিনি নাম নথিভুক্ত করেছিলেন। তিনি অত্যন্ত কৌতূহলি বলেই শেখার আগ্রহ ছিল অদম্য। আর এ কারণেই তিনি এত দীর্ঘবছর পর স্নাতক হওয়ার অনুপ্রেরণা জুগিয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয় এক প্রেস বিবৃতিতে জানিয়েছে শুরুতে বিশ্বের শ্লথতম ছাত্রের পরিকল্পনা ছিল ইংরেজিতে ডিগ্রি পাওয়া। কিন্তু পরে থিয়েটারের প্রতি তাঁর টান তৈরি হয়। সেই টান ছিল পুরোপুরি। তিনি থিয়েটার বিভাগেই সম্ভবমতো বেশির ভাগ সময় দেন। ওখানে পড়তে পড়তে অভিনতা হওয়ার ইচ্ছের কারণে ওই বিভাগের কোর্স পড়া শুরু করেন। রস জানান সেসময় থিয়েটার নিয়ে তিনি প্রায় মত্ত ছিলেন।

এর নতুনত্ব নিয়ে রস ছিলেন রীতিমতো মাতোয়ারা। বিদ্যুতের মতো ব্যাপারটা তাঁকে শক দিয়েছিল। পড়ার সময় কানাডার অভিনেতা যেমন নিকোলা ক্যাভেনডিস, ল্যারি লিলো, ব্রেন্ট কারভারের সংস্পর্শে এসেছিলেন রস। কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে তাঁর দু বছর ডিগ্রি ও তারপর মন্ট্রিলে গিয়ে তিন বছরের কোর্স পড়তে যান। তবে বুঝতে পারেন যেমনটা ভেবেছিলেন, তেমনটা বাস্তবে নয়। শেষপর্যন্ত ভুল ভাঙে তাঁর। এরপর কেটে যায় পাঁচটি দশক। অবশেষে এবার সত্যি সত্যিই স্নাতক হলেন তিনি, যা সারা বিশ্বে রেকর্ড বলেই গণ্য করা হচ্ছে।

 

 

You may also like

Mahanagar bengali news

Copyright (C) Mahanagar24X7 2024 All Rights Reserved