গরমে জলাভাবে শুকিয়ে মরছে পাকিস্তান! কড়া অবস্থানে অনড় মোদী সরকার
নয়াদিল্লি: গ্রীষ্মকাল চলছে, এর মধ্যেই ব্যাপক জলকষ্টে ভুগছে পাকিস্তান। (Pakistan water crisis)এই ইস্যুতে পাকিস্তান রাষ্ট্রসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে (ইউএনএসসি) ভারতের বিরুদ্ধে জোরালো আবেদন জানিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করছে। ১৯৬০ সালের ...

নয়াদিল্লি: গ্রীষ্মকাল চলছে, এর মধ্যেই ব্যাপক জলকষ্টে ভুগছে পাকিস্তান। (Pakistan water crisis)এই ইস্যুতে পাকিস্তান রাষ্ট্রসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে (ইউএনএসসি) ভারতের বিরুদ্ধে জোরালো আবেদন জানিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করছে। ১৯৬০ সালের …

নয়াদিল্লি: গ্রীষ্মকাল চলছে, এর মধ্যেই ব্যাপক জলকষ্টে ভুগছে পাকিস্তান। (Pakistan water crisis)এই ইস্যুতে পাকিস্তান রাষ্ট্রসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে (ইউএনএসসি) ভারতের বিরুদ্ধে জোরালো আবেদন জানিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করছে। ১৯৬০ সালের সিন্ধু জলবণ্টন চুক্তি ভারত স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর পাকিস্তানের বিদেশমন্ত্রী ইশাক দার ইউএনএসসি প্রেসিডেন্টের কাছে চিঠি দিয়ে “গুরুতর মানবিক ও নিরাপত্তা সংকট” তুলে ধরেছেন।

কিন্তু ভারতের অবস্থান অত্যন্ত স্পষ্ট, পাকিস্তান যতক্ষণ না সীমান্তবর্তী সন্ত্রাসবাদকে সম্পূর্ণরূপে বন্ধ করে, ততক্ষণ চুক্তি পুনর্বহাল করা হবে না।২০২৫ সালের এপ্রিল মাসে কাশ্মীরের পহেলগাওয়া জঙ্গি হামলায় ২৬ জন নিরীহ পর্যটক নিহত হওয়ার পরদিনই কেন্দ্রীয় সুরক্ষা মন্ত্রিসভা (সিসিএস) বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সেই সময় মোদী মন্তব্য করেছিলেন , “রক্ত ও জল একসঙ্গে বইতে পারে না।”

পাকিস্তানের দীর্ঘদিনের সন্ত্রাসবাদী কর্মকাণ্ডের জন্য এই চুক্তিকে ‘অ্যাবেয়েন্স’-এ রাখা হয়েছে। ভারতের স্থায়ী প্রতিনিধি হরিশ পার্বতানেনি ইউএনএসসিতে স্পষ্ট করে বলেছেন, পাকিস্তান যতক্ষণ না বিশ্বাসযোগ্য ও অপরিবর্তনীয়ভাবে সন্ত্রাসবাদের সমর্থন ত্যাগ করে, ততক্ষণ চুক্তি স্থগিত থাকবে।পাকিস্তানের জন্য এই সিদ্ধান্ত যে কতটা গুরুতর, তা সহজেই অনুমান করা যায়। পাকিস্তানের কৃষিজমির প্রায় ৮০ শতাংশ সিন্ধু নদী ও তার উপনদীগুলোর জলের উপর নির্ভরশীল।

গ্রীষ্মকালে জলের চাহিদা চরমে ওঠে। পাকিস্তানের কৃষকরা এখনই উদ্বেগ প্রকাশ করছেন। পাক বিদ্যুৎমন্ত্রী এই সিদ্ধান্তকে “জলযুদ্ধ” বলে উল্লেখ করেছেন। কিন্তু ভারতের দৃষ্টিভঙ্গি হলো যে দেশ সন্ত্রাসবাদকে পৃষ্ঠপোষকতা করে, তাকে আর বিনামূল্যে জলের লাইফলাইন দেওয়া যায় না।এদিকে ভারত নিজের জলসম্পদ সুরক্ষিত করতে বড়সড় পরিকল্পনা নিয়ে এগোচ্ছে। সরকার ২০০ কিলোমিটার দীর্ঘ একটি মেগা ক্যানাল এবং ১২টি বড় টানেল নির্মাণের কাজ শুরু করেছে।

এই প্রকল্পের মাধ্যমে ইন্দুস নদীর অতিরিক্ত জল হরিকে ব্যারেজের পাশাপাশি টানেলের মাধ্যমে ইন্দিরা গান্ধী ক্যানাল, গঙ্গা ক্যানাল এবং শেষ পর্যন্ত যমুনা নদীতে নিয়ে যাওয়া হবে। এতে রাজস্থান, পাঞ্জাব, হরিয়ানা সহ উত্তর ভারতের শুষ্ক অঞ্চলগুলোতে সেচ ও পানীয় জলের সংকট অনেকাংশে মিটবে। প্রকল্পটি শুধু জল সংরক্ষণ নয়, ভবিষ্যতের জলনিরাপত্তারও একটি শক্তিশালী পদক্ষেপ।

গরমে জলাভাবে শুকিয়ে মরছে পাকিস্তান! কড়া অবস্থানে অনড় মোদী সরকার
নয়াদিল্লি: গ্রীষ্মকাল চলছে, এর মধ্যেই ব্যাপক জলকষ্টে ভুগছে পাকিস্তান। (Pakistan water crisis)এই ইস্যুতে পাকিস্তান রাষ্ট্রসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে (ইউএনএসসি) ভারতের বিরুদ্ধে জোরালো আবেদন জানিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করছে। ১৯৬০ সালের ...

নয়াদিল্লি: গ্রীষ্মকাল চলছে, এর মধ্যেই ব্যাপক জলকষ্টে ভুগছে পাকিস্তান। (Pakistan water crisis)এই ইস্যুতে পাকিস্তান রাষ্ট্রসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে (ইউএনএসসি) ভারতের বিরুদ্ধে জোরালো আবেদন জানিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করছে। ১৯৬০ সালের …

নয়াদিল্লি: গ্রীষ্মকাল চলছে, এর মধ্যেই ব্যাপক জলকষ্টে ভুগছে পাকিস্তান। (Pakistan water crisis)এই ইস্যুতে পাকিস্তান রাষ্ট্রসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে (ইউএনএসসি) ভারতের বিরুদ্ধে জোরালো আবেদন জানিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করছে। ১৯৬০ সালের সিন্ধু জলবণ্টন চুক্তি ভারত স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর পাকিস্তানের বিদেশমন্ত্রী ইশাক দার ইউএনএসসি প্রেসিডেন্টের কাছে চিঠি দিয়ে “গুরুতর মানবিক ও নিরাপত্তা সংকট” তুলে ধরেছেন।

কিন্তু ভারতের অবস্থান অত্যন্ত স্পষ্ট, পাকিস্তান যতক্ষণ না সীমান্তবর্তী সন্ত্রাসবাদকে সম্পূর্ণরূপে বন্ধ করে, ততক্ষণ চুক্তি পুনর্বহাল করা হবে না।২০২৫ সালের এপ্রিল মাসে কাশ্মীরের পহেলগাওয়া জঙ্গি হামলায় ২৬ জন নিরীহ পর্যটক নিহত হওয়ার পরদিনই কেন্দ্রীয় সুরক্ষা মন্ত্রিসভা (সিসিএস) বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সেই সময় মোদী মন্তব্য করেছিলেন , “রক্ত ও জল একসঙ্গে বইতে পারে না।”

পাকিস্তানের দীর্ঘদিনের সন্ত্রাসবাদী কর্মকাণ্ডের জন্য এই চুক্তিকে ‘অ্যাবেয়েন্স’-এ রাখা হয়েছে। ভারতের স্থায়ী প্রতিনিধি হরিশ পার্বতানেনি ইউএনএসসিতে স্পষ্ট করে বলেছেন, পাকিস্তান যতক্ষণ না বিশ্বাসযোগ্য ও অপরিবর্তনীয়ভাবে সন্ত্রাসবাদের সমর্থন ত্যাগ করে, ততক্ষণ চুক্তি স্থগিত থাকবে।পাকিস্তানের জন্য এই সিদ্ধান্ত যে কতটা গুরুতর, তা সহজেই অনুমান করা যায়। পাকিস্তানের কৃষিজমির প্রায় ৮০ শতাংশ সিন্ধু নদী ও তার উপনদীগুলোর জলের উপর নির্ভরশীল।

গ্রীষ্মকালে জলের চাহিদা চরমে ওঠে। পাকিস্তানের কৃষকরা এখনই উদ্বেগ প্রকাশ করছেন। পাক বিদ্যুৎমন্ত্রী এই সিদ্ধান্তকে “জলযুদ্ধ” বলে উল্লেখ করেছেন। কিন্তু ভারতের দৃষ্টিভঙ্গি হলো যে দেশ সন্ত্রাসবাদকে পৃষ্ঠপোষকতা করে, তাকে আর বিনামূল্যে জলের লাইফলাইন দেওয়া যায় না।এদিকে ভারত নিজের জলসম্পদ সুরক্ষিত করতে বড়সড় পরিকল্পনা নিয়ে এগোচ্ছে। সরকার ২০০ কিলোমিটার দীর্ঘ একটি মেগা ক্যানাল এবং ১২টি বড় টানেল নির্মাণের কাজ শুরু করেছে।

এই প্রকল্পের মাধ্যমে ইন্দুস নদীর অতিরিক্ত জল হরিকে ব্যারেজের পাশাপাশি টানেলের মাধ্যমে ইন্দিরা গান্ধী ক্যানাল, গঙ্গা ক্যানাল এবং শেষ পর্যন্ত যমুনা নদীতে নিয়ে যাওয়া হবে। এতে রাজস্থান, পাঞ্জাব, হরিয়ানা সহ উত্তর ভারতের শুষ্ক অঞ্চলগুলোতে সেচ ও পানীয় জলের সংকট অনেকাংশে মিটবে। প্রকল্পটি শুধু জল সংরক্ষণ নয়, ভবিষ্যতের জলনিরাপত্তারও একটি শক্তিশালী পদক্ষেপ।

প্রথম দফার ভোটের পরেই পালানোর চেষ্টা! মালদায় BSF র জালে ৩ বাংলাদেশি
মালদা: ফের সীমান্তে চাঞ্চল্য। অনুপ্রবেশ ইস্যুতে ফের সরগরম ভোট বঙ্গ। (Malda BSF)বিধানসভা নির্বাচনের প্রথম পর্বের ভোটগ্রহণের রাতে এবং পরদিন ভোরে সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) মালদা জেলায় তিন বাংলাদেশী নাগরিককে ...

মালদা: ফের সীমান্তে চাঞ্চল্য। অনুপ্রবেশ ইস্যুতে ফের সরগরম ভোট বঙ্গ। (Malda BSF)বিধানসভা নির্বাচনের প্রথম পর্বের ভোটগ্রহণের রাতে এবং পরদিন ভোরে সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) মালদা জেলায় তিন বাংলাদেশী নাগরিককে …

মালদা: ফের সীমান্তে চাঞ্চল্য। অনুপ্রবেশ ইস্যুতে ফের সরগরম ভোট বঙ্গ। (Malda BSF)বিধানসভা নির্বাচনের প্রথম পর্বের ভোটগ্রহণের রাতে এবং পরদিন ভোরে সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) মালদা জেলায় তিন বাংলাদেশী নাগরিককে আটক করেছে। আটক হওয়া ব্যাক্তিদের নাম মামুন শেখ, রিপন রায় এবং তারেকুল ইসলাম। তাদের মধ্যে একজন কুমারপুরের বাসিন্দা এবং অন্য দু’জন চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গিয়েছে, তারা গত ৫-৬ মাস ধরে দক্ষিণ ভারতের চেন্নাইয়ে কাজ করছিলেন।

ভারতে অবৈধভাবে প্রবেশ করেছিলেন মুর্শিদাবাদের লালগোলা সীমান্ত দিয়ে এজেন্টদের সাহায্যে। এখন নির্বাচনের সময় দেশে ফিরে যাওয়ার চেষ্টা করছিলেন।ঘটনাটি ঘটেছে হাবিবপুর থানার অধীন বৈদ্যপুর গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায়। বিএসএফের ৮৮ ব্যাটেলিয়নের জওয়ানরা বৃহস্পতিবার রাতে একজনকে এবং শুক্রবার ভোরে আরও দু’জনকে সীমান্তের কাঁটাতারের কাছে আটক করে।

নির্বাচনের কারণে সীমান্তে নজরদারি বাড়ানো হয়েছিল। সেই কড়া পাহারার মধ্যেই তারা বাংলাদেশে ফিরে যাওয়ার চেষ্টা করছিলেন। বিএসএফ সূত্র জানিয়েছে, আটককৃতরা কোনো বৈধ কাগজপত্র ছাড়াই ভারতে প্রবেশ করেছিলেন।জিজ্ঞাসাবাদে তারা জানিয়েছেন, মুর্শিদাবাদের লালগোলা সীমান্ত দিয়ে এজেন্টদের সাহায্যে ভারতে ঢোকেন। সেখান থেকে দক্ষিণ ভারতে চলে যান এবং চেন্নাইয়ে বিভিন্ন কাজে যুক্ত ছিলেন।

কয়েক মাস কাজ করে টাকা জমিয়ে দেশে ফিরছিলেন। কিন্তু নির্বাচনের কড়া নজরদারির কারণে সীমান্ত পার হতে গিয়ে ধরা পড়েন। আটককৃতদের হাবিবপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। পুলিশ আরও তদন্ত চালাচ্ছে। এজেন্টদের চক্র এবং তাদের সঙ্গে যুক্ত অন্যান্যদের খুঁজে বের করার চেষ্টা চলছে।এই ঘটনা পশ্চিমবঙ্গের সীমান্ত নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে।

মালদা ও মুর্শিদাবাদ সীমান্ত দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে অবৈধ অনুপ্রবেশের অভিযোগ উঠছে। অনেকে কাজের সন্ধানে ভারতে আসেন, আবার কেউ কেউ অন্য উদ্দেশ্য নিয়েও আসেন বলে সন্দেহ করা হয়। নির্বাচনের সময় সীমান্তে অতিরিক্ত সতর্কতা থাকা সত্ত্বেও এমন ঘটনা ঘটায় স্থানীয় প্রশাসন ও নিরাপত্তা বাহিনীর দিকে আঙুল উঠছে। বিএসএফ জানিয়েছে, নির্বাচনের সময় সীমান্তে বিশেষ সতর্কতা জারি করা হয়েছিল।

তবু কিছু লোক চেষ্টা করে যাচ্ছে।স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, সীমান্ত এলাকায় এজেন্টদের সক্রিয়তা অনেক দিনের। তারা টাকার বিনিময়ে লোকজনকে ভারতে ঢোকায় এবং ফেরত পাঠায়। অনেক সময় এই চক্রের সঙ্গে স্থানীয় কিছু লোকও জড়িত থাকতে পারে। আটককৃত তিনজনের কাছ থেকে পাওয়া তথ্য অনুসারে, তারা শুধুমাত্র রোজগারের জন্য এসেছিলেন। কিন্তু অবৈধ পথে প্রবেশ করা আইনবিরোধী। পুলিশ জানিয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে বিদেশি আইন ও অন্যান্য প্রাসঙ্গিক ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে।

 

অমিত শাহের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপের পথে মমতা
হুগলি: পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের দ্বিতীয় পর্বের প্রচারের মাঝে রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে (Mamata Banerjee)। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় শনিবার হুগলিতে এক জনসভায় সরাসরি ঘোষণা করেছেন যে, ...

হুগলি: পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের দ্বিতীয় পর্বের প্রচারের মাঝে রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে (Mamata Banerjee)। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় শনিবার হুগলিতে এক জনসভায় সরাসরি ঘোষণা করেছেন যে, …

হুগলি: পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের দ্বিতীয় পর্বের প্রচারের মাঝে রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে (Mamata Banerjee)। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় শনিবার হুগলিতে এক জনসভায় সরাসরি ঘোষণা করেছেন যে, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের বিরুদ্ধে আইনি মামলা দায়ের করা হবে। তিনি অমিত শাহের সাম্প্রতিক মন্তব্যকে ‘হিংসাত্মক’ ও ‘উস্কানিমূলক’ বলে অভিহিত করে বলেছেন, “স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হয়ে কেউ এমন কথা বলতে পারেন না।

এটা গণতন্ত্রের পরিপন্থী।”ঘটনার সূত্রপাত হয়েছে অমিত শাহের হুগলি ও অন্যান্য জেলায় দেওয়া নির্বাচনী ভাষণ থেকে। বিজেপি নেতা পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূলের বিরুদ্ধে ‘সিন্ডিকেট রাজ’, ‘ভাইপো ট্যাক্স’, রাজনৈতিক হিংসা এবং নির্বাচনী সন্ত্রাসের অভিযোগ তুলে সরাসরি হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন। তিনি বলেছিলেন, নির্বাচনের পর বিজেপি কর্মীদের উপর হামলাকারীদের খুঁজে বের করে মাথা নিচে পা উপরে করে ঝুলিয়ে দেওয়া হবে।

তিনি আরও বলেছিলেন “যারা বিজেপি কর্মীদের উপর হামলা করেছে, তারা কোথাও লুকিয়ে থাকলেও আমরা তাদের খুঁজে বের করে জেলে পাঠাব”। এছাড়া তিনি কলকাতাকে ‘স্লাম সিটি’ বলে অভিহিত করে মমতা সরকারের উন্নয়ন মডেল নিয়ে তীব্র সমালোচনা করেন।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই মন্তব্যগুলোকে ‘রাজ্যের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র’ এবং ‘হিংসা ছড়ানোর চেষ্টা’ বলে বর্ণনা করেছেন। হুগলির জনসভায় তিনি বলেন, “অমিত শাহ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

তাঁর মুখ থেকে এমন উস্কানিমূলক কথা বেরিয়ে আসা মোটেই মানানসই নয়। আমরা এর বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নেব। আদালতে যাব। দেখব, গণতন্ত্রে কেউ এভাবে রাজ্যের মানুষকে হুমকি দিতে পারে কি না।” মুখ্যমন্ত্রী আরও অভিযোগ করেন যে, বিজেপি নেতারা ইচ্ছাকৃতভাবে বাংলাকে অপমান করে ভোটের রাজনীতি করছেন। তিনি বলেন, “বাংলার মানুষ এসব সহ্য করবে না। আমরা শান্তিতে ভোট চাই।

কিন্তু কেউ যদি হিংসা ছড়ায়, তাহলে আমরা চুপ করে থাকব না।”তৃণমূল কংগ্রেসের নেতারা মমতার এই ঘোষণাকে স্বাগত জানিয়েছেন। দলের মুখপাত্ররা বলছেন, অমিত শাহের মন্তব্য শুধু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নয়, গোটা বাংলার মানুষকে অপমান করেছে। তারা দাবি করছেন যে, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে অমিত শাহের উচিত ছিল রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা নিয়ে ইতিবাচক ভূমিকা নেওয়া, না যে উস্কানি দেওয়া।

রাজনৈতিক বিশ্লেষণ রিপোর্ট

তৃণমূলের একাধিক নেতা বলছেন, “বিজেপি ভয় দেখিয়ে বাংলা জয় করতে চায়, কিন্তু বাংলার মানুষ ভয় পায় না।”অন্যদিকে, বিজেপি নেতারা মমতার এই হুমকিকে ‘রাজনৈতিক নাটক’ বলে উড়িয়ে দিয়েছেন। তাঁরা বলছেন, অমিত শাহ শুধু সত্য কথা বলেছেন। রাজ্যে তৃণমূলের আমলে যে রাজনৈতিক হিংসা চলছে, তার বিরুদ্ধে সতর্ক করা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্ব। বিজেপির রাজ্য সভাপতি বলেছেন, “মমতা দিদি নিজের ব্যর্থতা ঢাকতে কেন্দ্রীয় নেতাদের উপর আক্রমণ করছেন। কিন্তু বাংলার মানুষ সব দেখছেন। ২০২৬-এ তৃণমূলের অবসান ঘটবে।”

প্রথম দফার ভোটের পরেই পালানোর চেষ্টা! মালদায় BSF র জালে ৩ বাংলাদেশি
Magni ad.

মালদা: ফের সীমান্তে চাঞ্চল্য। অনুপ্রবেশ ইস্যুতে ফের সরগরম ভোট বঙ্গ। (Malda BSF)বিধানসভা নির্বাচনের প্রথম পর্বের ভোটগ্রহণের রাতে এবং পরদিন ভোরে সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) মালদা জেলায় তিন বাংলাদেশী নাগরিককে …

মালদা: ফের সীমান্তে চাঞ্চল্য। অনুপ্রবেশ ইস্যুতে ফের সরগরম ভোট বঙ্গ। (Malda BSF)বিধানসভা নির্বাচনের প্রথম পর্বের ভোটগ্রহণের রাতে এবং পরদিন ভোরে সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) মালদা জেলায় তিন বাংলাদেশী নাগরিককে আটক করেছে। আটক হওয়া ব্যাক্তিদের নাম মামুন শেখ, রিপন রায় এবং তারেকুল ইসলাম। তাদের মধ্যে একজন কুমারপুরের বাসিন্দা এবং অন্য দু’জন চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গিয়েছে, তারা গত ৫-৬ মাস ধরে দক্ষিণ ভারতের চেন্নাইয়ে কাজ করছিলেন।

ভারতে অবৈধভাবে প্রবেশ করেছিলেন মুর্শিদাবাদের লালগোলা সীমান্ত দিয়ে এজেন্টদের সাহায্যে। এখন নির্বাচনের সময় দেশে ফিরে যাওয়ার চেষ্টা করছিলেন।ঘটনাটি ঘটেছে হাবিবপুর থানার অধীন বৈদ্যপুর গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায়। বিএসএফের ৮৮ ব্যাটেলিয়নের জওয়ানরা বৃহস্পতিবার রাতে একজনকে এবং শুক্রবার ভোরে আরও দু’জনকে সীমান্তের কাঁটাতারের কাছে আটক করে।

নির্বাচনের কারণে সীমান্তে নজরদারি বাড়ানো হয়েছিল। সেই কড়া পাহারার মধ্যেই তারা বাংলাদেশে ফিরে যাওয়ার চেষ্টা করছিলেন। বিএসএফ সূত্র জানিয়েছে, আটককৃতরা কোনো বৈধ কাগজপত্র ছাড়াই ভারতে প্রবেশ করেছিলেন।জিজ্ঞাসাবাদে তারা জানিয়েছেন, মুর্শিদাবাদের লালগোলা সীমান্ত দিয়ে এজেন্টদের সাহায্যে ভারতে ঢোকেন। সেখান থেকে দক্ষিণ ভারতে চলে যান এবং চেন্নাইয়ে বিভিন্ন কাজে যুক্ত ছিলেন।

কয়েক মাস কাজ করে টাকা জমিয়ে দেশে ফিরছিলেন। কিন্তু নির্বাচনের কড়া নজরদারির কারণে সীমান্ত পার হতে গিয়ে ধরা পড়েন। আটককৃতদের হাবিবপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। পুলিশ আরও তদন্ত চালাচ্ছে। এজেন্টদের চক্র এবং তাদের সঙ্গে যুক্ত অন্যান্যদের খুঁজে বের করার চেষ্টা চলছে।এই ঘটনা পশ্চিমবঙ্গের সীমান্ত নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে।

মালদা ও মুর্শিদাবাদ সীমান্ত দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে অবৈধ অনুপ্রবেশের অভিযোগ উঠছে। অনেকে কাজের সন্ধানে ভারতে আসেন, আবার কেউ কেউ অন্য উদ্দেশ্য নিয়েও আসেন বলে সন্দেহ করা হয়। নির্বাচনের সময় সীমান্তে অতিরিক্ত সতর্কতা থাকা সত্ত্বেও এমন ঘটনা ঘটায় স্থানীয় প্রশাসন ও নিরাপত্তা বাহিনীর দিকে আঙুল উঠছে। বিএসএফ জানিয়েছে, নির্বাচনের সময় সীমান্তে বিশেষ সতর্কতা জারি করা হয়েছিল।

তবু কিছু লোক চেষ্টা করে যাচ্ছে।স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, সীমান্ত এলাকায় এজেন্টদের সক্রিয়তা অনেক দিনের। তারা টাকার বিনিময়ে লোকজনকে ভারতে ঢোকায় এবং ফেরত পাঠায়। অনেক সময় এই চক্রের সঙ্গে স্থানীয় কিছু লোকও জড়িত থাকতে পারে। আটককৃত তিনজনের কাছ থেকে পাওয়া তথ্য অনুসারে, তারা শুধুমাত্র রোজগারের জন্য এসেছিলেন। কিন্তু অবৈধ পথে প্রবেশ করা আইনবিরোধী। পুলিশ জানিয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে বিদেশি আইন ও অন্যান্য প্রাসঙ্গিক ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে।

 

গরমে জলাভাবে শুকিয়ে মরছে পাকিস্তান! কড়া অবস্থানে অনড় মোদী সরকার
নয়াদিল্লি: গ্রীষ্মকাল চলছে, এর মধ্যেই ব্যাপক জলকষ্টে ভুগছে পাকিস্তান। (Pakistan water crisis)এই ইস্যুতে পাকিস্তান রাষ্ট্রসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে (ইউএনএসসি) ভারতের বিরুদ্ধে জোরালো আবেদন জানিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করছে। ১৯৬০ সালের ...

নয়াদিল্লি: গ্রীষ্মকাল চলছে, এর মধ্যেই ব্যাপক জলকষ্টে ভুগছে পাকিস্তান। (Pakistan water crisis)এই ইস্যুতে পাকিস্তান রাষ্ট্রসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে (ইউএনএসসি) ভারতের বিরুদ্ধে জোরালো আবেদন জানিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করছে। ১৯৬০ সালের …

নয়াদিল্লি: গ্রীষ্মকাল চলছে, এর মধ্যেই ব্যাপক জলকষ্টে ভুগছে পাকিস্তান। (Pakistan water crisis)এই ইস্যুতে পাকিস্তান রাষ্ট্রসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে (ইউএনএসসি) ভারতের বিরুদ্ধে জোরালো আবেদন জানিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করছে। ১৯৬০ সালের সিন্ধু জলবণ্টন চুক্তি ভারত স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর পাকিস্তানের বিদেশমন্ত্রী ইশাক দার ইউএনএসসি প্রেসিডেন্টের কাছে চিঠি দিয়ে “গুরুতর মানবিক ও নিরাপত্তা সংকট” তুলে ধরেছেন।

কিন্তু ভারতের অবস্থান অত্যন্ত স্পষ্ট, পাকিস্তান যতক্ষণ না সীমান্তবর্তী সন্ত্রাসবাদকে সম্পূর্ণরূপে বন্ধ করে, ততক্ষণ চুক্তি পুনর্বহাল করা হবে না।২০২৫ সালের এপ্রিল মাসে কাশ্মীরের পহেলগাওয়া জঙ্গি হামলায় ২৬ জন নিরীহ পর্যটক নিহত হওয়ার পরদিনই কেন্দ্রীয় সুরক্ষা মন্ত্রিসভা (সিসিএস) বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সেই সময় মোদী মন্তব্য করেছিলেন , “রক্ত ও জল একসঙ্গে বইতে পারে না।”

পাকিস্তানের দীর্ঘদিনের সন্ত্রাসবাদী কর্মকাণ্ডের জন্য এই চুক্তিকে ‘অ্যাবেয়েন্স’-এ রাখা হয়েছে। ভারতের স্থায়ী প্রতিনিধি হরিশ পার্বতানেনি ইউএনএসসিতে স্পষ্ট করে বলেছেন, পাকিস্তান যতক্ষণ না বিশ্বাসযোগ্য ও অপরিবর্তনীয়ভাবে সন্ত্রাসবাদের সমর্থন ত্যাগ করে, ততক্ষণ চুক্তি স্থগিত থাকবে।পাকিস্তানের জন্য এই সিদ্ধান্ত যে কতটা গুরুতর, তা সহজেই অনুমান করা যায়। পাকিস্তানের কৃষিজমির প্রায় ৮০ শতাংশ সিন্ধু নদী ও তার উপনদীগুলোর জলের উপর নির্ভরশীল।

গ্রীষ্মকালে জলের চাহিদা চরমে ওঠে। পাকিস্তানের কৃষকরা এখনই উদ্বেগ প্রকাশ করছেন। পাক বিদ্যুৎমন্ত্রী এই সিদ্ধান্তকে “জলযুদ্ধ” বলে উল্লেখ করেছেন। কিন্তু ভারতের দৃষ্টিভঙ্গি হলো যে দেশ সন্ত্রাসবাদকে পৃষ্ঠপোষকতা করে, তাকে আর বিনামূল্যে জলের লাইফলাইন দেওয়া যায় না।এদিকে ভারত নিজের জলসম্পদ সুরক্ষিত করতে বড়সড় পরিকল্পনা নিয়ে এগোচ্ছে। সরকার ২০০ কিলোমিটার দীর্ঘ একটি মেগা ক্যানাল এবং ১২টি বড় টানেল নির্মাণের কাজ শুরু করেছে।

এই প্রকল্পের মাধ্যমে ইন্দুস নদীর অতিরিক্ত জল হরিকে ব্যারেজের পাশাপাশি টানেলের মাধ্যমে ইন্দিরা গান্ধী ক্যানাল, গঙ্গা ক্যানাল এবং শেষ পর্যন্ত যমুনা নদীতে নিয়ে যাওয়া হবে। এতে রাজস্থান, পাঞ্জাব, হরিয়ানা সহ উত্তর ভারতের শুষ্ক অঞ্চলগুলোতে সেচ ও পানীয় জলের সংকট অনেকাংশে মিটবে। প্রকল্পটি শুধু জল সংরক্ষণ নয়, ভবিষ্যতের জলনিরাপত্তারও একটি শক্তিশালী পদক্ষেপ।