HomeNationalHigh Court Targets Singham Movie: বলিউডের ব্লক বাস্টার ছবি সিংহম সমাজে বিপজ্জনক...

High Court Targets Singham Movie: বলিউডের ব্লক বাস্টার ছবি সিংহম সমাজে বিপজ্জনক বার্তা দিচ্ছে, হুঁশিয়ারি বিচারপতির

- Advertisement -

মহানগর ডেস্ক: সিনেমায় নায়ক হিসেবে পুলিশের যে ভাবমূর্তি দেখা যায় সেখানে বিচারের প্রক্রিয়ার তোয়াক্কা না করে দ্রুত সুরাহার ছবি সমাজে বিপজ্জনক বার্তা দিচ্ছে। যেমন অজয় দেবগণের ব্লক বাস্টার বলিউডের সিংহম সিনেমায় এমনটাই দেখানো হয়েছে (High Court Targets Singham Movie)।

একটি অনুষ্ঠানে ভাষণ দিতে গিয়ে এমনই মন্তব্য করেছেন বোম্বে হাইকোর্টের বিচারপতি গৌতম প্যাটেল। পুলিশের সংস্কার দিবসের বর্ষপূর্তি অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখছিলেন বিচারপতি। তিনি বিচারের প্রক্রিয়া নিয়ে সাধারণ মানুষের ধৈর্যচ্যুতি নিয়েও প্রশ্ন তোলেন। পুলিশের সংস্কার প্রসঙ্গে বিচারপতি বলেন প্রকাশ সিং মামলায় সুপ্রিম কোর্টের রায়ে একটি সুযোগ মিস হয়েছে। যতক্ষণ না পর্যন্ত মানুষ নিজেকে সংস্কার করতে পারছে, আইন বিভাগের সংস্কার হতে পারে না।

তাঁর কথায়, পুলিশের খারাপ,দুর্নীতিগ্রস্ত, বিশ্বাস করা যায় না,এম ধরণের ন ভাবমূর্তিই সবার মনে রয়েছে। সাধারণভাবে বিচারপতি, রাজনীতিবিদ, সাংবাদিকদের যে কারো সম্পর্কে এমন কথা বলা যেতে পারে। যখন সাধারণ মানুষেরা ভাবেন আদালতগুলি তাদের কাজ করছে না,সেটা আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে পুলিশ যখন সেখানে পা বাড়ায়।

বিচারপতির কথায়, এ কারণে কোনও ধর্ষণে অভিযুক্ত ব্যক্তি পালাতে গিয়ে এনকাউন্টারে নিহত হয়, মানুষ ভাবেন ব্যাপারটা ঠিক, এবং তা নিয়ে বেশ আনন্দও পান। তাঁদের মতে, সুবিচারই হয়েছে। তবে সত্যিই কি তাই? এই মত গভীরভাবে বিকৃতমনস্কতার পরিচায়ক এবং দেশের সংস্কৃতিতে তার প্রতিফলন ঘটছে, বিশেষ করে ভারতের সিনেমায়। সিনেমায় পুলিশ বিচারপতিদের টেক্কা দিয়ে থাকে। বিচারপতি বা বিচারকদের খুব নিরীহ, মোটা চশমা পরা খারাপ পোশাক গায়ে চাপানো- এমন দেখানো হয়। পুলিশ অপরাধীদের ছাড় দেওয়ার ব্যাপারে আদালতকেই কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়ে থাকে।

নায়ক পুলিশ নিজের হাতেই বিচার পাইয়ে দেয়। সিংহম সিনেমার চরম মুহূর্তে দেখানো হয় পুলিশ বাহিনী রাজনীতিবিদের ভূমিকায় অভিনয় করা প্রকাশ রাইয়ের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়েছে এবং দেখানো হয়েছে এবার সুবিচার মিলেছে। কিন্তু সবারই ভাবা উচিত এটি কত বিপজ্জনক বার্তা। তাঁর প্রশ্ন, এত অধৈর্য কেন। বিচার প্রক্রিয়া এমন একটি প্রক্রিয়া যেখানে বিচারক বা বিচারপতিদের কে দোষী, কে নির্দোষ ঠিক করতে হয়। পদ্ধতিটি শ্লথ। কিন্তু মাথায় রাখতে হবে একজন মানুষের স্বাধীনতা যেন কোনওভাবেই বিঘ্নিত না হয়।

 

Most Popular